...
...
Next Story

গড়িয়ার পার্লারে হাড়হিম-কাণ্ড! প্রেমিকাকে কুপিয়ে খুনের পর আত্মঘাতী কাশ্মীরি প্রেমিক, স্বামী...

স্থানীয়দের দাবি, মহিলাকে এলোপাথাড়ি কোপানোর পর আততায়ী যুবক নিজের গলায় ধারালো অস্ত্র চালিয়ে আত্মঘাতী হন।

Published on: Mar 24, 2026, 16:50:17 IST
Advertisement

খাস কলকাতায় ভয়াবহ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ। দক্ষিণ কলকাতার গড়িয়ার তেঁতুলতলা এলাকায় একটি বিউটি পার্লারের ভিতরে ঢুকে প্রেমিকাকে কুপিয়ে খুন করার পর খোদ আততায়ী যুবক আত্মঘাতী হয়েছে বলে অভিযোগ। মঙ্গলবার দুপুরের এই ঘটনায় গোটা এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুটি দেহ উদ্ধার করেছে।

বিবাহিত প্রেমিকাকে কুপিয়ে খুনের পর আত্মঘাতী প্রেমিক
বিবাহিত প্রেমিকাকে কুপিয়ে খুনের পর আত্মঘাতী প্রেমিক

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতার নাম রূপবাণী দাস। বয়স প্রায় ৫০ বছর। গত প্রায় ১৫ বছর ধরে তেঁতুলতলার ওই পার্লারে রূপটান শিল্পী হিসেবে কাজ করতেন। অন্যান্য দিনের মতো মঙ্গলবার দুপুরেও স্বামী অনুপ কুমার দাস তাঁকে বাইকে করে কর্মস্থলে পৌঁছে দেন। দুপুর ১২টা ৫ মিনিট নাগাদ পার্লারের সামনে নামিয়ে দিয়ে চলে যান তিনি। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই এক যুবক পার্লারে ঢোকেন। রূপবাণীর সঙ্গে তাঁর তর্কাতর্কি শুরু হয়। সেই বচসা দ্রুত ভয়াবহ রূপ নেয়। অভিযোগ, ঝগড়া চরম পর্যায়ে পৌঁছলে আচমকাই ধারালো অস্ত্র নিয়ে রূপবাণীর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে ওই যুবক। গুরুতর জখম অবস্থায় পার্লারের মেঝেতেই লুটিয়ে পড়েন তিনি। আত্মঘাতী হন ওই যুবক।

এদিন দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিট নাগাদ পার্লার থেকে রূপবাণীর স্বামীর কাছে ফোন যায়। জানানো হয়, তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে এক যুবকের প্রবল গোলমাল এবং মারামারি চলছে। সংক্ষিপ্ত কথোপকথনের পরই তড়িঘড়ি বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন অনুপ কুমার দাস। সঙ্গে এক আত্মীয়কেও নেন। পার্লারে পৌঁছে দেখেন, মেঝে রক্তে ভাসছে, ইতিমধ্যেই জড়ো হয়েছেন স্থানীয়রা। স্থানীয়দের দাবি, মহিলাকে এলোপাথাড়ি কোপানোর পর আততায়ী যুবক নিজের গলায় ধারালো অস্ত্র চালিয়ে আত্মঘাতী হন। এদিকে, জোড়া মৃত্যুর খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। তারা দু’টি দেহ উদ্ধার করে। দেহ দু’টি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হচ্ছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, এক কাশ্মীরি যুবকের সঙ্গে রূপবাণীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সেই সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং পুরোনো বিবাদের জেরেই এই মর্মান্তিক পরিণতি। তবে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক ছাড়াও খুনের নেপথ্যে আর কিছু আছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তবে জনবহুল এলাকায় দিনেদুপুরে এমন ঘটনায় সাধারণ মানুষে র নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks