...
...
Next Story

যুদ্ধের আঁচ মধ্যবিত্তের পকেটে! ৫, ১০ টাকা করে বিভিন্ন রুটে বাড়ছে অটোর ভাড়া

যাত্রীরা প্রতিবাদ করলে, মুখের উপর জবাব- জ্বালানির দাম বেড়েছে। ভাড়া তো বাড়বেই।

Published on: Mar 11, 2026, 12:16:02 IST
Advertisement

শেষ পর্যন্ত সকলের আশঙ্কায় সত্যি হল। মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের আঁচ এবার পড়ল মধ্যবিত্তের পকেটে। যুদ্ধ আবহে কলকাতায় সিএনজির জোগান কমছে বলে খবর। তার জেরে দাম বাড়ল অটোর গ্যাসের। আর বাড়তি খরচ সামাল দিতে একাধিক রুটের অটো ভাড়া বাড়ানো হয়েছে। ফলে গন্তব্যে পৌঁছতে পকেটে টান পড়ছে যাত্রীদের।

যুদ্ধের আঁচ মধ্যবিত্তের পকেটে!
যুদ্ধের আঁচ মধ্যবিত্তের পকেটে!

বুধবার ভোররাত থেকেই কেমিক্যাল পাম্পে লম্বা লাইন দেখা গিয়েছে অটো চালকদের। চালকদের অভিযোগ, আগে থেকে কিছুই জানা ছিল না। রাতেও গ্যাসের দাম ছিল ৫৭ টাকা ৬৮ পয়সা। একলাফে ৫ টাকা দাম বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এখন গ্যাসের দাম বেড়ে হয়েছে ৬২ টাকা ৬৮ পয়সা। অনেকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার পর দাম বাড়ার খবর শুনে আরও বিপাকে পড়েছেন। তাঁদের আরও অভিযোগ, বেশি দাম দেওয়া সত্ত্বেও ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। আবার অনেক সময় দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার পরেও গ্যাস পাচ্ছেন না তাঁরা। কেন রাতারাতি লিটার প্রতি ৫ টাকা করে দাম বাড়ল অটোর গ্যাসের? পাম্প কর্তৃপক্ষের দাবি, তাঁদের কিছু করার নেই। কিছুক্ষণ আগেও পুরনো দরেই গ্যাস দেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু হঠাৎই নতুন নির্দেশিকা (সার্কুলার) আসায় সঙ্গে সঙ্গেই দাম বাড়াতে হয়েছে।

অটোচালকদের বক্তব্য, সম্প্রতি গ্যাসের দাম বেড়েছে। পাশাপাশি পাম্পে গিয়েও চাহিদা মতো গ্যাসও পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত টাকা খরচ করে জ্বালানি কিনতে হচ্ছে। এই অতিরিক্ত খরচ সামাল দিতেই যাত্রীদের কাছ থেকে বেশি ভাড়া নেওয়া হচ্ছে বলে দাবি চালকদের একাংশের। চালকদের আরও দাবি, খরচ বৃদ্ধির কারণে অনেক রুটে অটোর সংখ্যাও কমে গিয়েছে। অটো ইউনিয়নের নেতাদের বক্তব্য, তাঁরা এই অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়াকে সমর্থন করছে না। তবুও বাস্তবে যাত্রীদের বাড়তি ভাড়া দিয়েই গন্তব্যে পৌঁছতে হচ্ছে। শুধু অটোর ভাড়া বেড়েছে, তা-ই নয়, বহু রুটে অটো সংখ্যায় কম। ফলে যাত্রীরা দীর্ঘ লাইনে নাকাল। গ্যাস নিতে লম্বা লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে। তাই বাধ্য হয়ে অটো চালাচ্ছেন না অনেকেই।

হোটেল-রেস্তরাঁতে দুশ্চিন্তার কালো মেঘ

আরব দুনিয়ার সংঘাতের আগুনের আঁচ এসে পড়ছে ভারতেও। জ্বালানি সঙ্কটের মুখে সমগ্র দেশ। ইতিমধ্যেই এলপিজি গ্যাসের হাহাকার দেখা গেছে, মুম্বই, বেঙ্গালুরুর মতো বড় বড় শহরগুলির রেস্তরাঁ-হোটেল বন্ধ করে দেওয়ার পর্যায়ে পৌঁছেছে। গৃহস্থের সিলিন্ডার বুকিংয়েও এসেছে নানা জটিলতা। কলকাতাতেও এর রেশ অনেকটাই। মহানগরের খাদ্য গলি ডেকার্স লেন থেকে পার্ক সার্কাসের বিখ‌্যাত বিরিয়ানির দোকান, শিয়ালদহ থেকে যাদবপুর, সর্বত্র উঠেছে ‘গ‌্যাসের ব্যথা।’ গ‌্যাসের অভাবে দোকান বন্ধ হওয়ার উপক্রম। বিষয়টি নিয়ে দুশ্চিন্তার ঢেউ খেলছে পার্ক স্ট্রিট, গোল পার্ক, চাঁদনি, এসপ্ল‌্যানেড-সহ একাধিক রেস্তরাঁ ও হোটেল পাড়ায়। আবার গেরস্তর রান্নাঘরেও যেন আঁধার নামার জোগাড়। বুকিংয়ের পরেও গ্যাস না পৌঁছনোয় মাথায় হাত গৃহিণীর।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks