শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক খুনে অভিযুক্তরা বাংলাদেশ পালিয়ে গিয়েছেন কি না, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। এরই মাঝে অর্জুন সিংও এই হামলায় বাংলাদেশ যোগের বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এবার বারাসত-মধ্যমগ্রাম এলাকায় অনুপ্রবেশকারীদের জাল নথি তৈরির বিষয়টি নিয়ে সরব হলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। এরই সঙ্গে চন্দ্রনাথ খুন প্রসঙ্গে তিনি তৃণমূলের দিকে আঙুল তোলেন। সঙ্গে হুঁশিয়ারি দেন, তৃণমূলের ভাষায় কথা বলতে পারে বিজেপিও।

অপরাধীরা মনে করছে, এটা স্বর্গরাজ্য। বারাসত, মধ্যমগ্রাম সীমান্ত থেকে খুব একটা বেশি দূরে নয়। বহু ধরনের সমাজ বিরোধী কার্যকলাপ এখানে দিনের পর দিন হয়ে যাচ্ছে। জাল আধার কার্ড, রেশন কার্ড, ভোটার কার্ড তৈরির কাজ চলছে এই বারাসত এবং মধ্যমগ্রাম এলাকা থেকেই। ভারতের যেকোনও জায়গায় যেই অনুপ্রবেশকারী ধরা পড়ছে না কেন, তাদের সবাইকে জেরা করেই জানা যাচ্ছে যে এই অঞ্চল থেকেই কার্ড সংগ্রহ করত তারা। এটা একটা স্পর্শকাতর অঞ্চল।
বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, 'এখানে যেভাবে এই হত্যাকাণ্ড হয়েছে, এটা একটা বার্তা দেওয়ার জন্য হল। এখানে প্রধানমন্ত্রী ২ দিন পরে আসছেন, এটা তাঁকে বার্তা দিতে হল, নাকি বিজেপির বুকে গুলি করা হল। এভাবে পশ্চিমবঙ্গে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে। বিভিন্ন জায়গায় ইতিমধ্যেই অস্থিরতা চলছে, এটা আমি অস্বীকার করছি না।'
এরপর শমীক আরও বলেন, 'আমি আমর দলের কর্মীদের বার্তা দিয়েছি এবং প্রশাসনকে বার্তা দিয়েছি, কেউ যদি কোনও জায়গায় কোনও অশান্তি তৈরি করে, সেখানে ব্যবস্থা নিন, কড়া পদক্ষেপ করুন, রং দেখবেন না। কিন্তু এটা কী হল? আমরা জিতলাম, আমাদের তিনজনকর্মী মারা গেল। কালকেও বসিরহাটে আমাদের এক কর্মীর ওপর চার রাউন্ড গুলি চালানো হয়েছে। সিংহ স্থবির বলে যদি কেউ মনে করে যে পদাঘাত করবে, তাহলে সে ভুল করছে। আমরা তৃণমূলের ভাষায় কথা বলতে জানি, কথা বলতে পারি। তবে আমরা বলছি না, বলব না।'