চন্দ্রনাথ রথ হত্যাকাণ্ডে আরও এক অভিযুক্ত গ্রেফতার। বড় সাফল্য পেল সিবিআই। সদ্য গত ৬ মে মধ্যমগ্রামে, শুভেন্দু অধিকারীর প্রাক্তন পিএ চন্দ্রনাথ রথকে গাড়ির বাইরে থেকে গুলি করে পালায় দুষ্কতীরা। তদন্তে নেমে ঘটনার ৫ দিনের মধ্যে ৩ জনকে গ্রেফতার করে রাজ্য পুলিশ। এরপর তদন্তভার যায় সিবিআইর হাতে। এরপর উত্তর প্রদেশ পুলিশের একটি টিম ও সিবিআইর তৎপরতায় এই খুনে আরও একজন গ্রেফতার হল।

অভিযুক্ত রাজকুমার সিং ওরফে রাজ সিং-কে উত্তরপ্রদেশের মুজাফরনগর থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সিবিআই এবং উত্তরপ্রদেশ পুলিশের একটি যৌথ দল সেরাজ্যের ছপার টোল প্লাজার কাছে ৫৮ নম্বর জাতীয় সড়ক থেকে রাজ সিংকে ধরে। এদিনই বাসে চড়ে হরিদ্বার থেকে দিল্লি যাওয়ার ছকে ছিল এই ধৃত। সূত্রের খবর পেয়েই ফাঁদ পাতে তদন্তকারীরা। এরপর হাইওয়ে থেকে গ্রেফতার রাজ সিং। ঘটনার দিন থেকেই রাজের ফোন বন্ধ ছিল। উত্তরপ্রদেশের বালিয়া জেলার রসড়া রতোপুর সাঁওরার বাসিন্দা এই রাজ। এর আগেও যারা এই মামলায় ধরা পড়েছে, তাদের অনেকেই উত্তর প্রদেশের। এই একাধিক সংখ্যক গ্রেফতারির ঘটনায়, এবার প্রশ্ন উঠছে, এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য়ে কে বা কারা রয়েছে। কেন চন্দ্রনাথ রথকে খুন করা হল, তা নিয়ে প্রশ্ন ছিলই। সেই প্রশ্নের উত্তর, কত তাড়াতাড়ি উঠে আসে, সেদিকে নজর রাজ্যবসী থেকে রাজনৈতিক মহলের।
এদিকে, জানা যাচ্ছে, রাজ্য পুলিশের থেকে তদন্তের দায়িত্ব নিয়ে সিবিআই ইতিমধ্যেই এই মামলায় ঠাকুর রাজ সিং নামে আরও এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে। সূত্রের খবর, বাকি সন্দেহভাজনদের খোঁজে বালিয়া জেলা-সহ উত্তরপ্রদেশের বিভিন্ন এলাকায় যৌথ তল্লাশি চালাচ্ছে সিবিআই ও সেরাজ্যের পুলিশ। জানা গিয়েছে, এর আগে এই মামলায় ধৃতদের জেরা করেই রাজকুমারের নাম পায় সিবিআই। এরপরেই উত্তরপ্রদেশে হানা দেন সিবিআইর টিম। এরপর উত্তর প্রদেশের পুলিশকে সঙ্গে নিয়েই তার বাড়িতে হানা দেয় সিবিআই। তল্লাশি চলে রাজকুমারের দিল্লির বাড়িতেও। এরপর এল গ্রেফতারি।
{{/usCountry}}এদিকে, জানা যাচ্ছে, রাজ্য পুলিশের থেকে তদন্তের দায়িত্ব নিয়ে সিবিআই ইতিমধ্যেই এই মামলায় ঠাকুর রাজ সিং নামে আরও এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে। সূত্রের খবর, বাকি সন্দেহভাজনদের খোঁজে বালিয়া জেলা-সহ উত্তরপ্রদেশের বিভিন্ন এলাকায় যৌথ তল্লাশি চালাচ্ছে সিবিআই ও সেরাজ্যের পুলিশ। জানা গিয়েছে, এর আগে এই মামলায় ধৃতদের জেরা করেই রাজকুমারের নাম পায় সিবিআই। এরপরেই উত্তরপ্রদেশে হানা দেন সিবিআইর টিম। এরপর উত্তর প্রদেশের পুলিশকে সঙ্গে নিয়েই তার বাড়িতে হানা দেয় সিবিআই। তল্লাশি চলে রাজকুমারের দিল্লির বাড়িতেও। এরপর এল গ্রেফতারি।
{{/usCountry}}