...
...
Next Story

CM Shri Institute: প্রতি জেলায় ২টি 'সিএমশ্রী' স্কুল, উত্তরবঙ্গে স্পোর্টস সেন্টার! শিক্ষক দিবসে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

CM Shri Institute: উত্তরবঙ্গে ও পশ্চিমাঞ্চলে সেন্টার অফ এক্সেলেন্সি স্পোর্টস নামে দু’টি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। এখানেও এসএসসি-র মাধ্যমে নিয়োগ করা হবে।

Published on: Sep 5, 2026, 15:16:34 IST
Advertisement

CM Shri Institute: শিক্ষার পরিকাঠামো ও মানোন্নয়নে বড় পদক্ষেপের ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শনিবার নিউ টাউনের কনভেনশন সেন্টারের বিদ্যাসাগর শিক্ষা সম্মান অনুষ্ঠান থেকে তিনি বলেন, রাজ্যের প্রতিটি জেলায় আপাতত দুটি করে ‘সিএম শ্রী’ (CM Shri) ইনস্টিটিউট গড়ে তোলা হবে। একই সঙ্গে উত্তরবঙ্গে ও পশ্চিমাঞ্চলে গড়ে তোলা হবে 'সেন্টার ইন এক্সলেন্স ইন স্পোর্টস সেন্টার।’ পাশাপাশি, স্কুলের সিলেবাসে বড়সড় রদবদলের ইঙ্গিতও দেন তিনি।

শিক্ষক দিবসে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর (HT_PRINT)
শিক্ষক দিবসে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর (HT_PRINT)

এদিন রাজ্যের স্কুলশিক্ষার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে একাধিক ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, ‘মুখ্যমন্ত্রী শ্রী’ বা ‘সিএম শ্রী’ ইনস্টিটিউটগুলিকে মডেল স্কুল হিসেবে গড়ে তোলা হবে। প্রতিটি জেলায় প্রাথমিক পর্যায়ে দুটি করে প্রতিষ্ঠান তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। লক্ষ্য, উন্নত পরিকাঠামোর পাশাপাশি শিক্ষার মানেও একটি নির্দিষ্ট মাপকাঠি তৈরি করা। তাঁর কথায়, ‘এটা মুখ্যমন্ত্রী শ্রী স্কুল। জওহর নবোদয় বিদ্যালয়ের মতো ষষ্ঠ শ্রেণী থেকে পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তি করা হবে। সেরা শিক্ষক, আধুনিক ল্যাবরেটরি-সহ সব রকমের উন্নত পরিকাঠামো থাকবে।’ তাঁর দাবি, কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়গুলির আদলে এগুলিকে গড়ে তুলে রাজ্যের স্কুলশিক্ষায় নতুন মানদণ্ড তৈরি করা হবে।

একই সঙ্গে উত্তরবঙ্গে ও পশ্চিমাঞ্চলে সেন্টার অফ এক্সেলেন্সি স্পোর্টস নামে দু’টি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। এখানেও এসএসসি-র মাধ্যমে নিয়োগ করা হবে। শুভেন্দু অধিকারীর কথায়, ‘প্রচুর ফিজিক্যাল ইনস্ট্রাক্টর নিয়োগ করা হবে। পশ্চিমবঙ্গ থেকে ছাত্রছাত্রীরা যাতে আগামী দিনে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে সফল হতে পারে, সেটাই আমাদের লক্ষ্য।’ রাজ্যের পাঠ্যক্রম ও সিলেবাসেও বড়সড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। টাটাদের রাজ্য থেকে তাড়ানোর অধ্যায়ের সমালোচনা করে তিনি বলেন, 'সিলেবাসে টাটাকে তাড়ানোর বিষয় এক পুরো পৃষ্ঠা জুড়ে লেখা রয়েছে, এসব আর চলতে পারে না। পশ্চিমবঙ্গ কীভাবে সৃষ্টি হল, আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে কী তা জানানো হবে না? দেশপ্রেম কিংবা মাতঙ্গিনী হাজরার আত্মত্যাগের গল্প কেন পড়বে না আমাদের ছাত্র-ছাত্রীরা?'

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks