...
...
Next Story

Hilsa fish for Jamai Shashthi: ইলিশ নিয়ে সুখবর! মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে হাসি ফুটল মৎসজীবীদের মুখে

Hilsa fish for Jamai Shashthi: সম্প্রতি আন্তর্জাতিক যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি আমদানিতে ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। যার ফলে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে তেল সরবরাহ নিয়ে এক বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। বাদ যায়নি উপকূলবর্তী এলাকাগুলিও।

Published on: Jun 20, 2026, 19:00:21 IST
Advertisement

Hilsa fish for Jamai Shashthi: আজ জামাই ষষ্ঠী, তাই জামাইদের আদর আপ্যায়নে যাতে কোনও ত্রুটি না থাকে তার জন্য সকল থেকেই বাড়িতে বাড়িতে চলছে তোড়জোড়। এদিকে প্রতি বছরের মত জামাইষষ্ঠীর বাজারে এ বছরও ইলিশের চাহিদা তুঙ্গে। কিন্তু তেলের সমস্যা থাকায় ট্রলার নিয়ে চাপে পড়েছেন মৎসজীবীরা। এমতাবস্থায় বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ফলে শেষ পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপেই হাসি ফুটল মৎসজীবীদের মুখে।

ডিজেল নিয়ে চাপে মৎস্যজীবীরা

ইলিশ নিয়ে সুখবর!
ইলিশ নিয়ে সুখবর!

সম্প্রতি আন্তর্জাতিক যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি আমদানিতে ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। যার ফলে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে তেল সরবরাহ নিয়ে এক বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। বাদ যায়নি উপকূলবর্তী এলাকাগুলিও। জানা গিয়েছে, পূর্ব মেদিনীপুরের একাধিক পাম্পে নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি ডিজেল ও পেট্রোল দেওয়া হচ্ছে না। আবার পূর্ব মেদিনীপুরে যেমন একাধিক পাম্পে কোথায় একবারে সর্বোচ্চ ২০০০ টাকার ডিজেল, ৫০০ টাকার পেট্রোল মিলছিল। কোথায় আবার ১০০০ টাকার ডিজেল, ২০০টাকার পেট্রোল মিলছিল সধারণ যানের ক্ষেত্রে। এই পরিস্থিতিতে সংকটের মুখে পড়েছে মাছ ধরার ট্রলারগুলিও। যেখানে গভীর সমুদ্রে যেতে একটি ট্রলারের প্রয়োজন হয় প্রায় ৫ থেকে ৭ লিটার ডিজেল। কিন্তু ২ লিটারের বেশি ডিজেল দেওয়া হচ্ছে না। ফলে বড় সমস্যায় পড়েছেন মৎস্যজীবীরা।

বিশেষ নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

সূত্রের খবর, তেল সংকটের চাপের মুখে পড়ে শেষে দক্ষিণবঙ্গ মৎস্যজীবী ফোরাম, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে দ্বারস্থ হয়েছেন। এবার দীর্ঘ আলোচনার পর শেষ পর্যন্ত রাজ্যের হস্তক্ষেপে বড় ঘোষণা করা হল মৎস্যজীবীদের উদ্দেশ্যে। স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হল যে দিঘা-সহ রাজ্যের ট্রলার সংগঠন, দক্ষিণবঙ্গ মৎস্যজীবী ফোরামের আবেদনের ভিত্তিতে, রাজ্যের খাদ্য ও সরবরাহ দফতর তেল বিপণনকারী সংস্থাগুলির সঙ্গে আলোচনা করে ট্রলারগুলির ডিজেল সরবরাহে থাকা সীমাবদ্ধতা তুলে দেওয়া হল। আর এই ঘোষণার ফলে চরম স্বস্তি পেল মৎস্যজীবীরা। এদিকে, মুখ্যমন্ত্রীর এই উদ্যোগ কে সাধুবাদ জানিয়েছেন মৎস্যজীবী সংগঠনগুলি। দক্ষিণবঙ্গ মৎস্যজীবী ফোরামের সম্পাদক দেবাশিস শ্যামল বলেন, 'অনেক পাম্পেই একটা নির্দিষ্ট লিমিটের বেশি তেল মিলছিল না। কিন্তু অত অল্প তেলে তো মৎস্যজীবীদের চলবে না। এখন রাজ্যের ফুড অ্যান্ড সাপ্লাই ডিপার্টমেন্ট বিভিন্ন তেল কোম্পানিগুলির সঙ্গে কথা বলেছে। ট্রলারগুলির ডিজেল পেতে যাতে কোনও সমস্যা না হয় তা দেখতে বলা হয়েছে। মৎস্যজীবীদের জন্য রাজ্য সরকারের এই পদক্ষেপ খুব ইতিবাচক। আমরা মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।'

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe