...
...
Next Story

TET: 'দুর্গাপুজোর মতো...,' প্রাথমিক নিয়োগে কাটছে জট, টেট নিয়ে বড় ঘোষণার স্কুলশিক্ষামন্ত্রীর

TET: স্কুল শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘প্রাথমিকের নিয়োগ প্রক্রিয়া যেটা চলছে তা দ্রুত সমাপ্ত করে পরবর্তী নিয়োগে যাব।’

Published on: Oct 1, 2026, 18:38:10 IST
Advertisement

TET: বর্তমানে প্রাথমিক শিক্ষকদের যে নিয়োগ প্রক্রিয়া চলছে, তা শেষ হলে কত শূন্য পদ আছে, সেটা দেখে নিয়ে প্রতি বছর নিয়মিত টেট পরীক্ষা নেওয়া হবে। বৃহস্পতিবার বিকাশ ভবনে এমনই আশ্বাস দিলেন স্কুল শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মণ। তিনি বলেন, ‘দুর্গাপুজো, কালীপুজো, সরস্বতী পুজোর মতো প্রতি বছর টেট পরীক্ষা নিতে আমরা বদ্ধপরিকর।’

প্রাথমিক নিয়োগে কাটছে জট, টেট নিয়ে বড় ঘোষণার স্কুলশিক্ষামন্ত্রীর (সৌজন্যে এক্স )
প্রাথমিক নিয়োগে কাটছে জট, টেট নিয়ে বড় ঘোষণার স্কুলশিক্ষামন্ত্রীর (সৌজন্যে এক্স )

তবে বর্তমানে টেট দিয়ে বসে থাকা চাকরিপ্রার্থীদের প্রশ্ন, এখন যে নিয়োগ প্রক্রিয়া চলছে, তা কবে শেষ হবে? কারণ, টেট হওয়ার পরে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি বেরিয়েছিল গত সেপ্টেম্বর মাসে। তার পরে গত ডিসেম্বরে কয়েকটি জেলার ইন্টারভিউ সম্পন্ন হলেও বাকি জেলাগুলির ইন্টারভিউ প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে রয়েছে। নতুন সরকার আসার পরেও ইন্টারভিউ শুরু হয়নি। বাকি জেলার ইন্টারভিউ কবে থেকে শুরু হবে এবং নিয়োগ কবে শেষ হবে, সেই প্রশ্ন তুলেছেন চাকরিপ্রার্থীরা। এ দিন স্কুল শিক্ষামন্ত্রীকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘প্রাথমিকের নিয়োগ প্রক্রিয়া যেটা চলছে তা দ্রুত সমাপ্ত করে পরবর্তী নিয়োগে যাব।’ এর পরেই তাঁর বক্তব্য, ‘এই নিয়োগ সম্পন্ন হয়ে গেলে আবার যে শূ্ন্যপদ তৈরি হবে তার ভিত্তিতে আবার টেট হবে। আমি অনেক বার বলেছি, আবার বলছি দুর্গাপুজো, লক্ষ্মীপুজো ও সরস্বতীপুজোর মতো বছর বছর টেট হবে।’

এর পর গত ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্ষদ থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করে পঞ্চম থেকে দশম দফায় নদিয়া, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, আলিপুরদুয়ার, দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদহ, পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূম জেলার ইন্টারভিউ শুরু হয়। ইতিমধ্যে পঞ্চম পর্যায়ে নদিয়া জেলার ইন্টারভিউ গত ১৯ মার্চ শেষ হয়। ষষ্ঠ পর্যায়ে গত ২৩ মার্চ পুরুলিয়া জেলার জন্য ইন্টারভিউ শুরু হলেও তত দিনে নির্বাচনের দিন ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। ফলে এর মধ্যে আদৌ ইন্টারভিউ করা যায় কিনা, তা নিয়েই কিছু প্রশ্ন উঠেছিল। তার পরে এপ্রিলেই পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের তরফ থেকে জানানো হয়, প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের ইন্টারভিউ সংক্রান্ত বিষয়ে জানতে চেয়ে ২৭ মার্চ নির্বাচন কমিশন স্কুলশিক্ষা দফতরকে চিঠি দিয়েছিল। ৩০ মার্চ সেই চিঠি পৌঁছোয় পর্ষদে। সে দিনই বিস্তারিত জানানো হয় পর্ষদের তরফে। নির্বাচন ঘোযণা হয়ে যাওয়ার পরেও কী ভাবে ইন্টারভিউ প্রক্রিয়া চলছে, তার ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছিল পর্ষদের তরফ থেকে। তবে ১ এপ্রিল ইন্টারভিউ প্রক্রিয়া স্থগিত করে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। এর পর বিধানসভা নির্বাচন ও পরে নতুন সরকার গঠিত হয়। কিন্তু ওই ইন্টারভিউ এখনও শুরু হয়নি, যা নিয়ে ফের বিতর্কও শুরু হয়েছে। এই আবহে ফের নিয়োগ প্রক্রিয়া চালুর করার কথা জানালেন স্কুল শিক্ষামন্ত্রী।

অন্যদিকে, অখিল ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শৈক্ষিক মহাসংঘের (বিদ্যালয়) রাজ্য সাধারণ সম্পাদক বাপি প্রামাণিক সরকারের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, 'শিক্ষাব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে পর্যাপ্ত শিক্ষক প্রয়োজন। একই সঙ্গে শিক্ষক নিয়োগের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি হয়। সরকারের এই উদ্যোগে সাধারণ মানুষ উপকৃত হবেন।' ফলে স্কুলশিক্ষামন্ত্রীর ঘোষণায় নতুন করে আশার আলো দেখছেন চাকরিপ্রার্থীরা।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks