সামনেই ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রামে হাইভোল্টের উপনির্বাচন। তার আগে, ২০২৬ বিধানসভা ভোটে তৃণমূলের হারের পর এই প্রথম কোনও রাজনৈতিক মঞ্চে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেখা গেল। হুগলির শ্রীরামপুরে এদিনের সভা মঞ্চ থেকে ফের চেনা মেজাজে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিলেন একাধিক বার্তা।

দেশের রাজনীতি বর্তমানে তোলপাড় হয়ে রয়েছে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার ও এসআইআর বিতর্ক ঘিরে। তারই মাঝে মমতা বললেন, ‘ভ্যানিশ কুমারকে যেমন ধরেছি, তেমন অন্যায়কারীদের ধরব। ভ্যানিশ কুমার মাস্ট গো। যতদিন না যাবে, আমাদের আন্দোলন চলবে।’ উল্লেখ্য, কমিশনকে ঘিরে এসআইআর বিতর্কের মাঝে বিভিন্ন মিডিয়া রিপোর্টে একাধিক খবর উঠে আসতে থাকে। সেই বিতর্ক কার্যত দেশের বিরোধীদের তুরুপের তাস হয়ে উঠেছে বিজেপি ও তার সঙ্গী দলগুলির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক আক্রমণ শানাতে। এই প্রেক্ষাপটে মমতা হুগলির সভা থেকে বলেন, ‘বাংলা দখল করবে বলে এসআইআর করেছিল, ৯৩ লক্ষ মানুষের নাম বাদ দিয়েছে। আমরাই প্রথম বলেছিলাম, ওই অফিসার সীমা খান্নার ভূমিকা সন্দেহজনক। ফর্ম ৬ বস্তায় করে বিজেপির সিল লাগিয়ে জমা দিচ্ছিল বিজেপির লোকজন। সব তথ্য রেখে দিয়েছি।’ রাজ্যের প্রায় ৯০ লক্ষের বেশি মানুষের নাম বাদ পড়েছিল এসআইআর-এ। সেই প্রসঙ্গ টেনে নির্বাচন কমিশন প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মমতা বলেন, ‘ভ্যানিশ কুমার নামটা আমি প্রথম বলেছিলাম। কারণ কী জানেন? ধরে ধরে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দিয়ে দিচ্ছিল। ওরা বাংলা দখল করেছে, আমরা দিল্লি দখল করব।’
শাসকপক্ষের দিকে টার্গেট করে এদিন সভা মঞ্চে মমতা বলেন, ‘কেন অন্য দলের অধিকার থাকবে না কথা বলার! আপনারা ভাবছেন এ ভাবেই চলছে, চলবে না। মনে রাখবেন, দিল্লি কিন্তু টলমল।’এদিকে, শুভেন্দু সরকারকেও এদিনের সভা থেকে বিঁধতে ছাড়েননি মমতা। বিভিন্ন সময়ে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার, বিভিন্ন ভাতা ঘিরে প্রাপকদের টাকা না পাওয়ার অভিযোগ উঠছে। এদিকে, হকার উচ্ছেদও পুজোর আগে চর্চায় রয়েছে বিরোধী শিবিরের। এই প্রেক্ষাপটে দিদি বলেন, ‘আমি হকারদের কেস নিয়ে কোর্টে লড়ব। তাঁদের কাজের সন্ধান দিতে হবে। এদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। বেঁচে থাকা আমাদের অধিকার। উপার্জন করা আমাদের অধিকার। এটা কেড়ে নেওয়া যায় না।’
{{/usCountry}}শাসকপক্ষের দিকে টার্গেট করে এদিন সভা মঞ্চে মমতা বলেন, ‘কেন অন্য দলের অধিকার থাকবে না কথা বলার! আপনারা ভাবছেন এ ভাবেই চলছে, চলবে না। মনে রাখবেন, দিল্লি কিন্তু টলমল।’এদিকে, শুভেন্দু সরকারকেও এদিনের সভা থেকে বিঁধতে ছাড়েননি মমতা। বিভিন্ন সময়ে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার, বিভিন্ন ভাতা ঘিরে প্রাপকদের টাকা না পাওয়ার অভিযোগ উঠছে। এদিকে, হকার উচ্ছেদও পুজোর আগে চর্চায় রয়েছে বিরোধী শিবিরের। এই প্রেক্ষাপটে দিদি বলেন, ‘আমি হকারদের কেস নিয়ে কোর্টে লড়ব। তাঁদের কাজের সন্ধান দিতে হবে। এদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। বেঁচে থাকা আমাদের অধিকার। উপার্জন করা আমাদের অধিকার। এটা কেড়ে নেওয়া যায় না।’
{{/usCountry}}