নন্দীগ্রাম, রেজিনগর উপনির্বাচনের আগে, আপাতত তৃণণূল কংগ্রেসের নাম ও প্রতীক ফ্রিজ করেছে নির্বাচন কমিশন। অন্যদিকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরকে নতুন প্রতীক ধার্য করে দিয়েছে কমিশন। তবে, গতকাল শুক্রবার ভাদ্র সংক্রান্তির দিন বাংলার রাজনীতিতে একের পর এক ঘটনায় কার্যত পর পর ধাক্কা খেয়েছে কালীঘাট শিবির। প্রথমত, শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সাক্ষাতের পরই মমতা শিবিরের নন্দীগ্রামের প্রার্থী নিজেকে সরিয়ে নেন ভোট যুদ্ধ থেকে। পরে মমতা কংগ্রেসের প্রার্থীকে সমর্থন জানাতেই, নন্দীগ্রামের কংগ্রেসের প্রার্থী শুভাশিস ভট্টাচার্যকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এই প্রেক্ষাপটে প্রতীক বিতর্কে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

প্রতীক বিতর্কের মাঝে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। মমলায় যুক্ত করেছেন ঋতব্রত শিবিরকে। শোনা যাচ্ছে, আগামী সপ্তাহে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চেই এই মামলার শুনানি হতে পারে। এর আগে, পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম এবং মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে উপনির্বাচনের আবহে কমিশন তাদের অন্তর্বর্তী নির্দেশে ঘাসফুল প্রতীক ফ্রিজ় করে দিয়েছে। ভোট হওয়ার কথা ৬ অক্টোবর। কমিশনের পদক্ষেপের পর, মমতা শিবিরের নাম হয় ‘মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’। তারা আগামী ৬ অক্টোবর উপনির্বাচনে লড়বে পায়ে ফুটবল প্রতীকে। ঋতব্রত তৃণমূলের নাম হয়েছে ‘গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস’। তারা লড়বে খাম চিহ্নে।
২৮ বছর আগে, তৃণমূলের জো়ডা ফুলের প্রতীক নিজের হাতে এঁকেছিলেন মমতা। এমনই তথ্য শোনা যায়। এদিকে, দলীয় সেই প্রতীক হাতছাড়া হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন দিদি। গতকালই এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আমাদের আগে উদ্ধব ঠাকরের দলের প্রতীক কেড়েছে। এনসিপি-কে ভেঙেছে। এ বার আমাদের!’ ক্ষোভ উগরে দিয়ে মমতা বলেন, ‘পুরো হাইজ্যাক করেছে। মাস্টারমাইন্ড কে? আমাদের ভদ্রতা, নাম নিচ্ছি না। হাইজ্যাক করেছে ইভিএম মেশিন। তার পর মধ্যরাতে গণতন্ত্র হত্যা করেছে কমিশন।’