মহারাষ্ট্রের বারামতিতে অজিত পাওয়ারের বিমান ভেঙে পড়ে। সেই দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছ মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রীর। আর সেই মৃত্যু ঘিরে ষড়যন্ত্রের তত্ত্ব খাড়া করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি ইঙ্গিত করলেন, দু'দিন আগেই নাকি অজিত পাওয়ার বিজেপির সঙ্গ ত্যাগ করতে চেয়েছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'এই রাজ্যে একজন সাধারণ মানুষের তো বটেই, নেতানেত্রীরা সুরক্ষিত নন। আমি জানি না, এই দুর্ঘটনার পিছনে আসল কারণ কী। দুদিন আগে আমি সামাজিক মাধ্যমে জানতে পারি, অন্য এক দলের নেতা স্টেটমেন্ট দেন, অজিত পাওয়ার বিজেপি সঙ্গ ত্যাগ করতে চাইছি। আর তারপরই এই দুর্ঘটনা। আমি এর পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চাই।'

এর আগে মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের বিমান দুর্ঘটনা নিয়ে তদন্তের দাবি তোলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অজিত পাওয়ারের প্রয়াণে শোকজ্ঞাপন করে এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই পোস্টে তিনি লেখেন, 'এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।' উল্লেখ্য, আজ সকালে জেলা পরিষদের নির্বাচনী প্রচারে যাওয়ার জন্য বিমানে করে বারামতি গিয়েছিলেন আজিত পাওয়ার। ঘন কুয়াশর মধ্যে অবতরণের সময় অজিত পাওয়ারের বিমান দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। পরে গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে তাঁকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
অজিত পাওয়ারের প্রয়াণে শোক প্রকাশ করে মমতা পোস্টে লেখেন, 'অজিত পাওয়ারের আকস্মিক মৃত্যুতে গভীরভাবে মর্মাহত এবং হতবাক! মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী এবং তাঁর সহযাত্রীরা আজ সকালে বারামতিতে এক ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। এবং আমি গভীর শূন্যতা অনুভব করছি। তাঁর পরিবারের প্রতি, তাঁর কাকা শরদ পাওয়ারজি সহ, এবং প্রয়াত অজিতজি-র সকল বন্ধুবান্ধব এবং অনুসারীদের প্রতি আমার সমবেদনা। এই ঘটনার যথাযথ তদন্ত প্রয়োজন।'
এদিকে জানা গিয়েছে, দুর্ঘটনার কবলে পড়া বিমানটি ছিল লিয়ারজেট ৪৫। ২০০৩ সালে এই বিমানের উড়ান নিষিদ্ধ করা হয়েছিল ভারতে। এই বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়েছিল। এয়ার প্রেসার থেকে উইন্ড শিল্ড নানা ক্ষেত্রে সমস্যা ছিল এই বিমানে। এই সব যান্ত্রিক ক্রুটির জন্য দীর্ঘ সময় এই বিমানের চলাচল বন্ধ ছিল। পরবর্তীতে ফের রিমডেলিং করে এই এয়ারক্রাফটকে চালু করা হয়। দুর্ঘটনার কবলে পড়া অজিত পাওয়ারের বিমানটি মুম্বই থেকে টেকঅফ করেছিল। সকাল ৮টা বেজে ৪৫ মিনিট নাগাদ ঘটে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। দুর্ঘটনার সময় বারামতিতে দৃশ্যমানতা কম ছিল। এই আবহে কেন এটিসি বিমানটিকে অবতরণের অনুমতি দিয়েছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
{{/usCountry}}এদিকে জানা গিয়েছে, দুর্ঘটনার কবলে পড়া বিমানটি ছিল লিয়ারজেট ৪৫। ২০০৩ সালে এই বিমানের উড়ান নিষিদ্ধ করা হয়েছিল ভারতে। এই বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়েছিল। এয়ার প্রেসার থেকে উইন্ড শিল্ড নানা ক্ষেত্রে সমস্যা ছিল এই বিমানে। এই সব যান্ত্রিক ক্রুটির জন্য দীর্ঘ সময় এই বিমানের চলাচল বন্ধ ছিল। পরবর্তীতে ফের রিমডেলিং করে এই এয়ারক্রাফটকে চালু করা হয়। দুর্ঘটনার কবলে পড়া অজিত পাওয়ারের বিমানটি মুম্বই থেকে টেকঅফ করেছিল। সকাল ৮টা বেজে ৪৫ মিনিট নাগাদ ঘটে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। দুর্ঘটনার সময় বারামতিতে দৃশ্যমানতা কম ছিল। এই আবহে কেন এটিসি বিমানটিকে অবতরণের অনুমতি দিয়েছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
{{/usCountry}}