...
...
Next Story

Mamata on SIR: 'এসআইআরে যাদের নাম কাটা পড়েছে, তাদের বলছে রেশন বন্ধ', অনুপ্রবেশ ইস্যুতে পালটা তোপ মমতার

মমতা দাবি করেন, বিজেপি শাসিত কেন্দ্রীয় সরকার নাকি বাংলা ভাগের চক্রান্ত করছে। এই আবহে মমতা বলেন, 'ভোট চলাকালীন পার্লামেন্টে ডিলিমিটেশন বিল নিয়ে আসছে। অপেক্ষা করতে পারল না। কারণ ভেঙে দেবে বাংলাকে।'

Published on: Apr 11, 2026, 14:12:33 IST
Advertisement

এসআইআর নিয়ে বড় দাবি তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। আজ কেশিয়াড়ির সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী দাবি করলেন, বিহারে যাদের নাম ভোটার তালিকা থেকে কাটা হয়েছে, তাদের রেশন বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। আজ মমতা বলেন, 'বিহারে যাদের ভোট কেটেছে, তাদের বলা হচ্ছে, রেশন বন্ধ, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বন্ধ। এই ঘটনা আমি বাংলায় হতে দেবেন না।' এরই সঙ্গে মমতা দাবি করেন, বিজেপি শাসিত কেন্দ্রীয় সরকার নাকি বাংলা ভাগের চক্রান্ত করছে। এই আবহে মমতা বলেন, 'ভোট চলাকালীন পার্লামেন্টে ডিলিমিটেশন বিল নিয়ে আসছে। অপেক্ষা করতে পারল না। কারণ ভেঙে দেবে বাংলাকে।'

মমতা দাবি করেন, বিজেপি শাসিত কেন্দ্রীয় সরকার নাকি বাংলা ভাগের চক্রান্ত করছে। (@AITCofficial)
মমতা দাবি করেন, বিজেপি শাসিত কেন্দ্রীয় সরকার নাকি বাংলা ভাগের চক্রান্ত করছে। (@AITCofficial)

এদিকে মমতা আজ বলেন, 'আমরা চাই ফ্রি অ্যান্ড ফেরার ইলেকশন।' নির্বাচন কমিশনকে তোপ দেগে তৃণমূল সুপ্রিমোর কথায়, 'ওরা থাকলে ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার ইলেকশন হতে পারে না।' এদিকে মমতা অভিযোগ করেন, 'এসআইআর একটা বড় দুর্নীতি। দিল্লি আমাদের বাংলা টার্গেট করেছে। আমাদের টার্গেট দিল্লি।' এদিকে অনুপ্রবেশকারী নিয়ে তোপ দেগে মমতা বলেন, 'অনুপ্রবেশকারী যদি ঢোকে, তা হলে অমিত শাহের পদত্যাগ করা উচিত। আমরা অনুপ্রবেশকারী ঢোকাইনি। কারণ, আমাদের ঢোকানোর ক্ষমতা নেই। সীমান্ত সুরক্ষার দায়িত্ব কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে।'

এদিকে গতকাল বিজেপি সংকল্পপত্রে দাবি করে, বাংলায় সরকার গঠন করলে এখানে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করা হবে। এই পরিস্থিতিত আদিবাসীদের উদ্দেশে মমতা বলেন, 'কেন্দ্রীয় সরকার ইউনিফর্ম সিভিল কোড চালু করতে চাইছে। তা হয়ে গেলে আপনাদের ধর্মের অস্তিত্ব থাকবে না। আপনাদের বিয়ে হয় যে প্রথা মেনে তা থাকবে না।' এরই সঙ্গে মমতা এরপর বলেন, 'বিজেপিকে যখন দিল্লি থেকে যাবে তখন সারি সারনা ধর্মকে আমরা স্বীকৃতি দেব।' মমতা বলেন, 'বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে মাছ-মাংস খেতে দেওয়া হয় না। আমরা তো বলি না, ছাতু খাবে না। কে কী খাবেন, কে কী পরবেন, তার উপর হস্তক্ষেপ করার অধিকার কারও নেই। বাংলায় তা হতেও দেব না।'

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe