...
...
Next Story

I-PAC ED Raid Latest Update: ইডির তল্লাশির সময় কীভাবে গাদা-গাদা ফাইল তোলা হল মমতার গাড়িতে? আক্রমণ অর্জুনের

ইডির অভিযানের মধ্যেই আইপ্যাকের অফিস থেকে গাদা-গাদা ফাইল তোলা হল গাড়িতে। বৃহস্পতিবার আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের লাউডন স্ট্রিটের বাড়ি থেকে সবুজ ফাইল নিয়ে বেরিয়ে আসার পরে সল্টলেকে আইপ্যাকের অফিসে চলে আসেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

Published on: Jan 8, 2026, 13:30:34 IST
Advertisement

ইডির অভিযানের মধ্যেই আইপ্যাকের অফিস থেকে গাদা-গাদা ফাইল তোলা হল গাড়িতে। বৃহস্পতিবার আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের লাউডন স্ট্রিটের বাড়ি থেকে সবুজ ফাইল নিয়ে বেরিয়ে আসার পরে সল্টলেকে আইপ্যাকের অফিসে চলে আসেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোজা লিফটে করে চলে যান ওই বিল্ডিংয়ের ১১ তলায়, যেখানে আইপ্যাকের অফিস আছে। মুখ্যমন্ত্রী নীচে নামার আগেই গাদা-গাদা ফাইল এবং কাগজপত্র একটি সাদা গাড়িতে তোলা হয়। যে গাড়িটি (মাহিন্দ্রা এসইউভি গাড়ি, সরকারি লোগো নেই, তবে গাড়ির সামনে জাতীয় পতাকা ও ঠাকুরের ছবি আছে) তৃণমূল কংগ্রেসের নামে নথিভুক্ত আছে বলে একটি মহলের তরফে দাবি করা হয়েছে। তবে সেই ফাইলে কী আছে, তা স্পষ্ট নয়। কিন্তু ইডির তল্লাশির মধ্যেই কীভাবে ওই ফাইল, ডায়েরি ও কাগজপত্র নামিয়ে আনা হল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপি নেতা অর্জুন সিং। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, কীভাবে মুখ্যমন্ত্রীকে সেই ফাইল ও নথি নামিয়ে আনতে দিল কেন্দ্রীয় সংস্থা?

কী কী নথি তোলা হল গাড়িতে?

সাদা গাড়িতে গাদা-গাদা ফাইল ও নথি। (ছবি সৌজন্যে এএনআই)
সাদা গাড়িতে গাদা-গাদা ফাইল ও নথি। (ছবি সৌজন্যে এএনআই)

যদিও মুখ্যমন্ত্রী আইপ্যাকের অফিসের মধ্যে আছেন কিনা, আইপ্যাকের দফতর থেকেই সেই ফাইল বা নথি নামিয়ে আনা হয়েছে কিনা, তা স্পষ্ট নয়। কারণ সংবাদমাধ্যমের কাউকে উপরে উঠতে দেওয়া হয়নি। আটকে দেওয়া হয়েছে ওই বহুতলের পার্কিং লটের কাছেই। তারইমধ্যে গাড়ির বাইরে থেকে যা দেখা গিয়েছে, তাতে সরকারি সিলমোহর দেওয়া চুক্তিপত্রের মতো কিছু নথি চোখে এসেছে। তবে সেগুলি অরিজিনাল কপি কিনা, তা স্পষ্ট নয়।

আইপ্যাকের অফিসে ৪০ মিনিটেরও বেশি আছেন মমতা

কিন্তু পুরো বিষয়টি নিয়ে টানটান উত্তেজনা শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে আইপ্যাকের অফিস ও প্রতীকের বাড়িতে তল্লাশি চালায় ইডি। তারপরই আচমকা প্রতীকের বাড়িতে চলে আসেন মুখ্যমন্ত্রী। ১০ মিনিটের মতো ছিলেন সেখানে। তারপর একটি সবুজ ফাইল নিয়ে বেরিয়ে আসেন। সেখান থেকে সরাসরি আসেন সল্টলেক সেক্টর ফাইভে আইপ্যাকের অফিসে। প্রতীকের বাড়িতে যেখানে মিনিট দশেকের মতো ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী, সেখানে আইপ্যাকের অফিসে পৌঁছানোর পরে ৪০ মিনিট কেটে গিয়েছে।

তৃণমূলের নথি নিয়েছে ইডি, দাবি মমতার

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe