Mamata on EVM row: ‘সাম মোটিভিশনেই’ এত পরে গণনা, ‘ইশারা হি কাফি’, রাত ১২ টার পরে বেরিয়ে বললেন মমতা
Mamata on EVM row: চার ঘণ্টা পরে শাখাওয়াত মেমোরিয়ালের স্ট্রংরুমের বাইরে বেরিয়ে এলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
Mamata on EVM row: ভোট শেষ হয়ে গিয়েছে ২৯ এপ্রিল। তবে গণনা হবে আগামী ৪ মে। আর সেটার পিছনে ‘সাম মোটিভেশন’ আছে বলে দাবি করলেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাত ১২ টার পরে শাখাওয়াত মেমোরিয়ালের স্ট্রংরুমের (যেখানে দক্ষিণ কলকাতার বিধানসভা আসনের ইভিএম আছে) বাইরে বেরিয়ে এসে তিনি দাবি করেন, ‘সাম মোটিভিশনেই’ চারদিন পরে গণনা করা হচ্ছে। সেইসঙ্গে ইঙ্গিতবাহী মন্তব্য করে তিনি বলেন ‘ইশারা হি কাফি হ্যা।’ সেই ইশারার পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী হুংকার দিয়ে বলেন, ‘কেউ যদি ইভিএম লুট করার চেষ্টা করে, কেউ যদি কাউন্টিংয়ে গড়বড় করার চেষ্টা করে, তাহলে জীবন দিয়ে লড়ব।’

শাখাওয়াত মেমোরিয়ালের বাইরে আর কী কী বললেন?
১) মমতা: চার ঘণ্টা ছিলাম। একজনকে বসিয়ে বেরিয়ে এলাম।
২) মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, টিভিতে নেতাজি ইন্ডোরের ঘটনা দেখেন। তা দেখেই শাখাওয়াত মেমোরিয়ালে আসেন।
৩) মমতা: প্রথমে আমায় সেন্ট্রাল ফোর্স যেতে দিচ্ছিল না। তারপর কাউকে একজনকে ফোন করে। আমি বলি যে আমার যাওয়ার অধিকার আছে। নির্বাচনের নিয়মেই আছে।
৪) মমতা: স্লোগান দিচ্ছিল। লোকাল গুজরাটি ছিলেন না। আমায় বললে এক সেকেন্ডে এখানে ১০,০০০ লোক দাঁড় করিয়ে দেব। বাইরে থেকে লোক আনার দরকার নেই আমাদের।
৫) মমতা: সব দলেরই স্ট্রংরুমের বাইরে বসার অধিকার আছে।
৬) মমতা: ইভিএমে কারচুপি করতে পারত। তাই তো এসেছি। আর সিল কী করা আছে? ব্যান্ডেজ লাগানো আছে।
নেতাজি ইন্ডোরে কী ঘটেছে?
তৃণমূলের তরফে অভিযোগ করা হয়, ‘নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়াম থেকে অত্যন্ত উদ্বেগজনক খবর আসছে। অভিযোগ উঠছে, সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিনিধিদের অনুপস্থিতিতেই ব্যালট বক্স খোলার বেআইনি চেষ্টা চালাচ্ছে বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশনের একাংশ।’ যদিও সেই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
শাখাওয়াতে মুখ্যমন্ত্রীর থাকা নিয়ে শুভেন্দু
ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, 'ভবানীপুর নির্বাচনী এলাকা-সহ সমগ্র পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোটার ভদ্রমণ্ডলীকে আশ্বস্ত করতে চাই যে এই কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী তথা বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মাননীয়াকে কোনোরকম বাড়তি সুবিধা নেওয়া থেকে বিরত থাকতে বাধ্য করা হয়েছে। উনি যতই চেষ্টা চালান না কেন, কোনওরকম নিয়ম বহির্ভূত কাজ তিনি করতে পারেননি। উনি যতক্ষণ স্ট্রং রুম প্রাঙ্গণে উপস্থিত ছিলেন, আমার ইলেকশন এজেন্ট অ্যাডভোকেট সূর্যনীল দাস নিজে উপস্থিত থেকে ওঁকে কড়া নজরদারির মধ্যে রেখেছিলেন যাতে উনি কোনও অসৎ উপায় অবলম্বন করতে না পারেন...।'
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


