...
...
Next Story

Mamata Banerjee TMC Updates: মমতার ‘ভোট লুট’-তত্ত্বে ভরসা নেই দলেরই? ফল চ্যালেঞ্জে আদালতে গেলেন ক'জন তৃণমূল প্রার্থী?

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছিলেন, ১০০টিরও বেশি আসনে ভোট লুট হয়েছে এবং নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষভাবে কাজ করেনি। কিন্তু সময়সীমা শেষ হওয়ার পর দেখা গেল, বাস্তবে সেই অভিযোগকে আদালতে নিয়ে যেতে আগ্রহ দেখাননি অধিকাংশ পরাজিত প্রার্থী।

Published on: Jun 22, 2026, 11:55:15 IST
Advertisement

বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর ভোটে কারচুপির অভিযোগে সরব হয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছিলেন, ১০০টিরও বেশি আসনে ভোট লুট হয়েছে এবং নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষভাবে কাজ করেনি। কিন্তু সময়সীমা শেষ হওয়ার পর দেখা গেল, বাস্তবে সেই অভিযোগকে আদালতে নিয়ে যেতে আগ্রহ দেখাননি অধিকাংশ পরাজিত প্রার্থী।

কলকাতা হাই কোর্টের তথ্য অনুযায়ী, সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনের ফল চ্যালেঞ্জ করে তৃণমূলের মাত্র ৮ জন প্রার্থী নির্বাচন মামলা বা ইলেকশন পিটিশন দায়ের করেছেন। (PTI)
কলকাতা হাই কোর্টের তথ্য অনুযায়ী, সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনের ফল চ্যালেঞ্জ করে তৃণমূলের মাত্র ৮ জন প্রার্থী নির্বাচন মামলা বা ইলেকশন পিটিশন দায়ের করেছেন। (PTI)

কলকাতা হাই কোর্টের তথ্য অনুযায়ী, সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনের ফল চ্যালেঞ্জ করে তৃণমূলের মাত্র ৮ জন প্রার্থী নির্বাচন মামলা বা ইলেকশন পিটিশন দায়ের করেছেন। এর মধ্যে রয়েছেন স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। অন্যদিকে, বিজেপি ছ’টি আসনের ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ করেছে। সব মিলিয়ে হাই কোর্টে ১৪টি ইলেকশন পিটিশন জমা পড়েছে।

বিধানসভা নির্বাচনে পাহাড়ের তিনটি আসন বাদ দিয়ে ২৯১টি আসনে প্রার্থী দিয়েছিল তৃণমূল। তার মধ্যে জয় এসেছে মাত্র ৮০টি আসনে। অর্থাৎ ২১১ জন পরাজিত প্রার্থীর মধ্যে মাত্র ৮ জন আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। ফলে রাজনৈতিক মহলের প্রশ্ন, যদি সত্যিই ১০০টির বেশি আসনে অনিয়ম হয়ে থাকে, তাহলে বাকিরা কেন আইনি লড়াইয়ে নামলেন না?

দলের একাধিক নেতার মতে, নির্বাচন সংক্রান্ত মামলা করতে গেলে পর্যাপ্ত প্রমাণ প্রয়োজন। শুধু রাজনৈতিক অভিযোগের ভিত্তিতে আদালতে সাফল্য পাওয়া কঠিন। তৃণমূলের এক বিধায়কের কথায়, 'জনতার রায়কে শেষ পর্যন্ত মেনে নেওয়াই শ্রেয়। প্রমাণ ছাড়া মামলা করে লাভ নেই।' দলীয় সূত্রের খবর, ভোটের ফল প্রকাশের পর অনেক প্রার্থীকে নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। তবে অধিকাংশই সেই পথে হাঁটেননি। অনেকের মতে, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ব্যক্তিগতভাবে মামলা করলে দল থেকেও বিশেষ সহায়তা মিলবে না।

আইনজীবীদের একাংশের মতে, নির্বাচন সংক্রান্ত মামলার নিষ্পত্তি দীর্ঘ সময় ধরে ঝুলে থাকে। অতীতের বহু মামলার এখনও চূড়ান্ত রায় হয়নি। ফলে রাজনৈতিকভাবে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হলেও আইনি পথে ফল বদলের সম্ভাবনা খুবই সীমিত। সব মিলিয়ে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তোলা ‘ভোট লুট’-এর অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে দলের অন্দরেই। কারণ অভিযোগ যতটা জোরালো, আদালতের পথে হাঁটার ক্ষেত্রে ততটা উৎসাহ দেখা গেল না তৃণমূলের পরাজিত প্রার্থীদের মধ্যে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe