...
...
Next Story

Mamata on Left-Ultra Left Platform: হঠাৎ ইন্টারনেট কেটে দিল, দাবি মমতার, ‘ইগো’ নেই বাম-অতিবামদের সঙ্গে হাত মেলাতেও

Mamata on Left-Ultra Left Platform: বামেদের নিয়ে কোনও ইগো নেই বললেন তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দাবি করেছেন, বিজেপির বিরোধিতায় বাম ও অতিবামদের সঙ্গে হাত মেলাতে রাজি আছেন।

Published on: May 9, 2026, 16:59:31 IST
Advertisement

Mamata on Left-Ultra Left Platform: নয়া বিজেপি সরকার শপথগ্রহণের দিনেই রবীন্দ্র জয়ন্তী পাললন করলেন তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপধ্যায়। আর সেই অনুষ্ঠান থেকেই বিজেপি-বিরোধী মঞ্চ তৈরির ডাক দিলেন। এমনকী সেজন্য বাম এবং অতিবামদের সঙ্গে জোট বাঁধার ক্ষেত্রে কোনও আপত্তি নেই বলে জানালেন তৃণমূল সুপ্রিমো। তিনি বলেন, ‘ভয় না পেয়ে বাংলার যত রাজনৈতিক বিরোধী দল আছে, তৃণমূল কংগ্রেস থেকে আমি আবেদন জানাচ্ছি, যদি মনে হয় আবেদনটা গ্রহণযোগ্য, (তাহলে গ্রহণ) করবেন। তা নাহলে করবেন না। এটা আপনাদের অধিকার। কিন্তু আবেদন জানাতে তো কোনও অসুবিধা নেই।’

দেখা করারও টাইম দিয়ে দিলেন মমতা

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। (REUTERS)
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। (REUTERS)

সেই রেশ ধরে তিনি বলেন, 'এমনকী আপনারা যদি বলেন লেফটিস্ট, আমার কোনও ইগো নেই। আমি সবাইকে নিয়েই চলতে চাই। আজ যা অবস্থা, আজ যা অবস্থা, তাতে যদি বিজেপিকে রুখতে হয়, তাহলে লেফটিস্ট সবাইকে, আল্ট্রা-লেফট সবাইকে....আমাদের তৃণমূল কংগ্রেস আমরা কথা দিচ্ছি, জাতীয় পার্টির সবাইকে, যার যতটুকু শক্তি আছে। দিল্লিতেও আমরা লড়াই করছি, তেমন বাংলাতেও আমরা জোট বাঁধব। যদি কোনও রাজনৈতিক দল এ ব্যাপারে আমার সঙ্গে কথা বলতে চান, আমি চারটে থেকে ছ'টা পর্যন্ত অফিসে আছি। আমায় জানাবেন, আমি নিশ্চয়ই কথা বলল।'

আরও পড়ুন: Suvendu Adhikari: জয়শ্রীরাম স্লোগান জোড়াসাঁকোতে, শুভেন্দু পিছন ফিরতেই রব উঠল- 'কবিগুরু লহ প্রণাম'

বাংলায় ‘সন্ত্রাসের বজ্রপাত’ চলছে, অভিযোগ মমতার

মমতার সেই বার্তা নিয়ে অবশ্য আপাতত বাম, অতিবাম বা অন্যান্য দলের তরফে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। কিন্তু কেন ওই মঞ্চ তৈরি করা দরকারি, সেটাও ব্যাখ্যা করে দেন তৃণমূল সুপ্রিমো। তিনি দাবি করেন, বিজেপি ক্ষমতায় আসতেই বাংলায় ‘সন্ত্রাসের বজ্রপাত’ চলছে। গুন্ডামি করা হচ্ছে। চলছে লুম্পেনগিরি। তাঁর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সামনে নোংরামি হচ্ছে।

সেইসঙ্গে তিনি দাবি করেন, বিজেপি ক্ষমতা আসার পরই তাঁর ইন্টারনেট কেটে দেওয়া হয়েছে। তাঁকে জানানোও হয়নি সেই বিষয়ে। একদিন দেখেন যে ফোন আসছে না, যাচ্ছে না। পরে দেখেন যে ইন্টারনেট প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। তাতে অবশ্য আপত্তি নেই বলে জানিয়েছেন মমতা। তাঁর বক্তব্য, ইন্টারনেট তুলে নেওয়া হোক - সেটাই চাইতেন। কারও দয়ায় থাকতে চান না। কিন্তু এক ঘণ্টা আগে সেটা নিদেনপক্ষে জানানো উচিত ছিল বলে দাবি করেন বাংলার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe