Mamata on Left-Ultra Left Platform: নয়া বিজেপি সরকার শপথগ্রহণের দিনেই রবীন্দ্র জয়ন্তী পাললন করলেন তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপধ্যায়। আর সেই অনুষ্ঠান থেকেই বিজেপি-বিরোধী মঞ্চ তৈরির ডাক দিলেন। এমনকী সেজন্য বাম এবং অতিবামদের সঙ্গে জোট বাঁধার ক্ষেত্রে কোনও আপত্তি নেই বলে জানালেন তৃণমূল সুপ্রিমো। তিনি বলেন, ‘ভয় না পেয়ে বাংলার যত রাজনৈতিক বিরোধী দল আছে, তৃণমূল কংগ্রেস থেকে আমি আবেদন জানাচ্ছি, যদি মনে হয় আবেদনটা গ্রহণযোগ্য, (তাহলে গ্রহণ) করবেন। তা নাহলে করবেন না। এটা আপনাদের অধিকার। কিন্তু আবেদন জানাতে তো কোনও অসুবিধা নেই।’
দেখা করারও টাইম দিয়ে দিলেন মমতা
সেই রেশ ধরে তিনি বলেন, 'এমনকী আপনারা যদি বলেন লেফটিস্ট, আমার কোনও ইগো নেই। আমি সবাইকে নিয়েই চলতে চাই। আজ যা অবস্থা, আজ যা অবস্থা, তাতে যদি বিজেপিকে রুখতে হয়, তাহলে লেফটিস্ট সবাইকে, আল্ট্রা-লেফট সবাইকে....আমাদের তৃণমূল কংগ্রেস আমরা কথা দিচ্ছি, জাতীয় পার্টির সবাইকে, যার যতটুকু শক্তি আছে। দিল্লিতেও আমরা লড়াই করছি, তেমন বাংলাতেও আমরা জোট বাঁধব। যদি কোনও রাজনৈতিক দল এ ব্যাপারে আমার সঙ্গে কথা বলতে চান, আমি চারটে থেকে ছ'টা পর্যন্ত অফিসে আছি। আমায় জানাবেন, আমি নিশ্চয়ই কথা বলল।'
আরও পড়ুন: Suvendu Adhikari: জয়শ্রীরাম স্লোগান জোড়াসাঁকোতে, শুভেন্দু পিছন ফিরতেই রব উঠল- 'কবিগুরু লহ প্রণাম'
বাংলায় ‘সন্ত্রাসের বজ্রপাত’ চলছে, অভিযোগ মমতার
মমতার সেই বার্তা নিয়ে অবশ্য আপাতত বাম, অতিবাম বা অন্যান্য দলের তরফে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। কিন্তু কেন ওই মঞ্চ তৈরি করা দরকারি, সেটাও ব্যাখ্যা করে দেন তৃণমূল সুপ্রিমো। তিনি দাবি করেন, বিজেপি ক্ষমতায় আসতেই বাংলায় ‘সন্ত্রাসের বজ্রপাত’ চলছে। গুন্ডামি করা হচ্ছে। চলছে লুম্পেনগিরি। তাঁর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সামনে নোংরামি হচ্ছে।
আরও পড়ুন: Hiran Chatterjee: 'আমার কেরিয়ার শেষ করার প্রার্থনা করেছিল...', দেবকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য হিরণের
ইন্টারনেট কেটে দিয়েছে, দাবি মমতার
{{/usCountry}}আরও পড়ুন: Hiran Chatterjee: 'আমার কেরিয়ার শেষ করার প্রার্থনা করেছিল...', দেবকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য হিরণের
ইন্টারনেট কেটে দিয়েছে, দাবি মমতার
{{/usCountry}}সেইসঙ্গে তিনি দাবি করেন, বিজেপি ক্ষমতা আসার পরই তাঁর ইন্টারনেট কেটে দেওয়া হয়েছে। তাঁকে জানানোও হয়নি সেই বিষয়ে। একদিন দেখেন যে ফোন আসছে না, যাচ্ছে না। পরে দেখেন যে ইন্টারনেট প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। তাতে অবশ্য আপত্তি নেই বলে জানিয়েছেন মমতা। তাঁর বক্তব্য, ইন্টারনেট তুলে নেওয়া হোক - সেটাই চাইতেন। কারও দয়ায় থাকতে চান না। কিন্তু এক ঘণ্টা আগে সেটা নিদেনপক্ষে জানানো উচিত ছিল বলে দাবি করেন বাংলার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।