Mamata vs Ritabrata TMC Vote Margin: 'নৈতিক' জয় মমতার! উপনির্বাচনে ১ আসনে লড়েই ঋত তৃণমূলের ‘ডবল-ডবল’ ভোট পেলেন
Mamata vs Ritabrata TMC Vote Margin: পরিবর্তনের পরে বাংলার প্রথম উপনির্বাচনে নৈতিক জয়ের পথে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়রা। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল দুটি আসনে লড়াই করেছিল। সেখানে একটি আসনে লড়েছে মমতার তৃণমূল।
Mamata vs Ritabrata TMC Vote Margin: ‘নৈতিক’ জয় পাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগর উপনির্বাচনের গণনার প্রাথমিক ট্রেন্ড দেখে তেমনই ইঙ্গিত মিলছে। কারণ এখনও পর্যন্ত যতটা গণনা হয়েছে, সেটার নিরিখে ওই দুটি বিধানসভা কেন্দ্র মিলিয়ে মোট ১,০৭৮টি ভোট পেয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস। সেখানে মমতার নেতৃত্বাধীন দল (মমতা অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস) শুধুমাত্র রেজিনগরে লড়ে এখনও পর্যন্ত ২,৫১৬ ভোট পেয়েছে।

‘ডবল-ডবল’ চাকরি থেকে ‘ডবল-ডবল’ ভোটের যাত্রা
অর্থাৎ দুটি আসন মিলিয়ে ঋতব্রত তৃণমূল যত ভোট পেয়েছে, একটি আসনে লড়েই তার দ্বিগুণেরও বেশি ভোট পেয়েছেন মমতারা। যা নিয়ে একাংশ খোঁচা সুরে বলেছেন যে মুখ্যমন্ত্রী থাকার সময় মমতা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে ‘ডবল-ডবল’ চাকরি দেবেন। সেই ‘ডবল-ডবল’ চাকরি দেখা না গেলেও ঋতব্রত তৃণমূলের থেকে ‘ডবল-ডবল’ ভোট পেয়ে গেলেন।
নন্দীগ্রামে ঋতব্রত তৃণমূলের অবস্থা কী?
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, সপ্তম রাউন্ডের গণনার শেষে ঋতব্রত তৃণমূলের প্রার্থী মহম্মদ এতেশামুল হক পেয়েছেন ৪০৩টি ভোট। সেখানে শীর্ষে থাকা বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথের প্রাপ্ত ভোট হল ৭৮.০২৫টি। অর্থাৎ বিজেপি প্রার্থীর থেকে ৭৭,৬২২ ভোটে পিছিয়ে আছেন ঋতব্রত তৃণমূলের প্রার্থী। আপাতত তিনি পাঁচ নম্বরে আছেন।
রেজিনগরে মমতা তৃণমূল বনাম ঋতব্রত তৃণমূল
এখনও পর্যন্ত রেজিনগরে পঞ্চম রাউন্ডের গণনা শেষ হয়েছে। কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, মমতা তৃণমূলের তথা প্রাক্তন বিধায়ক রবিউল আলম চৌধুরী পেয়েছেন ২,৫১৬টি ভোট। সেখানে ঋতব্রত তৃণমূলের প্রার্থী শফিউজ্জামান শেখের ঝুলিতে মাত্র ৬৭৫টি ভোট গিয়েছেন।
কমিশনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, পঞ্চম রাউন্ডের গণনা পর্যন্ত রেজিনগরে আপাতত এগিয়ে আছেন বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকার। তাঁর প্রাপ্ত ভোট ৪৮,১০১টি। দ্বিতীয় স্থানে আছেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির গোলাম নবি আজাদ। তাঁর প্রাপ্ত ভোট ১৩,৬০০। তৃতীয় আছেন মমতা তৃণমূলের প্রার্থী। আর ঋতব্রত তৃণমূলের প্রার্থী আছেন ছয় নম্বরে।
মমতা বনাম ঋতব্রত তৃণমূলের লড়াইটা কার্যত ‘লাস্ট’ হওয়ার
তবে মমতা বনাম ঋতব্রত তৃণমূলের লড়াইটা শেষপর্যন্ত কার্যত ‘লাস্ট’ হওয়া নিয়ে চলছে। কারণ দুটি বিধানসভা আসনেই বিজেপির জয়টা স্রেফ সময়ের অপেক্ষা। বিপুল মার্জিনে এগিয়ে আছেন বিজেপি প্রার্থীরা। বাকিরা ধারেকাছেও নেই। বিজেপি যেন লড়াই করছে মার্জিন বাড়ানোর। আর বিরোধীরা লড়াই করছে দ্বিতীয় হওয়ার জন্য। যদিও বিরোধীদের দাবি, রিগিং হয়েছে। ভোট দিতে দেওয়া হয়নি। তাই এরকম দাপট দেখা যাচ্ছে বিজেপির।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


