Nandigram-Rejinagar Bypoll Counting: গণনার সময় ‘ঘুমোতে’ গেলেন বিরোধী প্রার্থী, নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে বিশাল জয়ের পথে BJP
Nandigram-Rejinagar Bypoll Counting: নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগরের উপনির্বাচনে বড় জয়ের পথে বিজেপি। দুটি কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থীরা প্রাথমিক ট্রেন্ডেই বড় ব্যবধানে এগিয়ে আছেন। এখন ফলাফল ঘোষণা করা নেহাতই সময়ের অপেক্ষা করা।
Nandigram-Rejinagar Bypoll Counting: এক বিরোধী প্রার্থী ভোটগণনার মধ্যেই বাড়িতে একটু ‘ঘুমোতে’ গেলেন। অপর একজন ঘুরে বেড়াচ্ছেন গণনাকেন্দ্রের বাইরে।

আর সেই দুটি ছবি থেকেই পশ্চিমবঙ্গের জোড়া বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের আসন্ন ফলাফলের ছবিটা মোটমুটি স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল। প্রাথমিক গণনায় সেই ইঙ্গিতও মিলেছে। রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পরে প্রথমবার যে দুটি বিধানসভা কেন্দ্রে নির্বাচন হচ্ছে, তার দুটিতেই এগিয়ে আছেন পদ্মশিবিরের প্রার্থীরা। নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে এগিয়ে আছেন হাসিরানি রথ। আর রেজিনগরে এগিয়ে আছেন শাখারত সরকার। বহু পিছিয়ে আছেন বিরোধী প্রার্থীরা।
বিজেপি এমনিতেই অবিসংবাদী ফেভারিট ছিল
এমনিতে ওই দুটি আসনেই বিজেপি যে অবিসংবাদী ফেভারিট ছিল, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ ছিল না। নন্দীগ্রামে তো রেকর্ড গড়ে জয়ের বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী। আর সংখ্যালঘু-অধ্যুষিত রেজিনগরেও জয়ের মার্জিন কয়েক হাজার থাকবে বলে আশাপ্রকাশ করেছেন বিজেপির শীর্ষনেতারা। প্রাথমিকভাবে যা ট্রেন্ড, তাতে রেজিনগরে সেই মার্জিন আরও বাড়তে পারে।
ভোটই করতে দেওয়া হয়নি, দাবি বিরোধীদের
যদিও বিরোধীদের দাবি, ভোট করতে দেওয়া হয়নি তাঁদের। চলেছে রিগিং। ফলে লড়াইয়ের জায়গাটাই পাওয়া যায়নি। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার দাবি করেছেন, ‘যদি অবাধ, শান্তিপূর্ণ এবং ভয়হীন ভোট হত, তাহলে কোনও আশা ছিল। আমরা আসলে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়েছিলাম। নিজেদের ভোট দেওয়ার জন্য ভোটাররা ভোটকেন্দ্রেই যেতে পারেননি। আমরা নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগর দুই জায়গাতেই পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়ে যাচ্ছিলাম।’
সেইসঙ্গে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি দাবি করেছেন, ‘বর্তমানে বিজেপির যে মানসিকতা, সেটা মনুবাদী মতাদর্শ - এক দেশ, এক ভোট এবং এক রাজনৈতিক দল। নির্বাচন কমিশন ও কেন্দ্রীয় সরকারের মধ্যে হওয়া আঁতাতের ফলে ভোটার তালিকা থেকে প্রকৃত ভোটারদের নাম বাদ পড়েছিল..। এই ভোটাররা ভোট দেওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছিলেন।’
নন্দরানি ডলের রেকর্ড ভাঙব, নিশ্চিত বিজেপি প্রার্থী
যদিও সেইসব অভিযোগে পাত্তা দেয়নি বিজেপি। রেজিনগরের বিজেপি প্রার্থী শাখারভ বলেছেন, 'আমার এই মুহূর্তে কিছু বলার নেই। যা ফলাফল, সেটা জনগণের ফলাফল। আসলে কী হয়েছে, সেটা আমিও জানি না। আপনাদের থেকেই শুনলাম। যতক্ষণ না সরকারিভাবে নির্বাচন কমিশন ফলাফল ঘোষণা করছে, ততক্ষণ কিছু বলা ঠিক হবে না।' তবে তিনি দাবি করেছেন, নন্দরানি ডলের রেকর্ড ভেঙে দেবেন। ২০০১ সালে বিধানসভা ভোটে সিপিআইএম প্রারথী প্রায় ১ লাখ ৮ হাজার ভোটে জিতেছিলেন।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


