Dankuni ₹100 crore Investment: ডানকুনিতে ১,০০০ কোটি টাকার প্রকল্প আসছে, ৪৫ একর জমি অধিগ্রহণ বড় কোম্পানির
Dankuni ₹100 crore Investment: ডানকুনিতে ১,০০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ আসছে। সেজন্য ইতিমধ্যে প্রায় ৪৫ একর জমি অধিগ্রহণ করে ফেলেছে বড় কোম্পানি। ১০০ কোটি টাকা বিনিয়োগও করে ফেলেছে ওই সংস্থা। আরও বিনিয়োগ করা হবে ৪০০ কোটি টাকা।
Dankuni ₹100 crore Investment: এক হাজার কোটি টাকা প্রকল্পের জন্য ডানকুনিতে প্রায় ৪৫ একর জমি অধিগ্রহণ করল ট্রান্স ইন্ডিয়া রিয়েল এস্টেট লিমিটেড। সংবাদসংস্থা পিটিআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অলকার্গো গ্রুপ কোম্পানির আওতাধীন ওই সংস্থার এক শীর্ষ আধিকারিক জানিয়েছেন যে পূর্ব ভারতে নিজেদের গুদামজাতকরণ ও লজিস্টিকস পরিকাঠামোর বহর বৃদ্ধির জন্য হুগলির ডানকুনিতে সেই জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী ২৪ মাসের মধ্যে সেই জায়গা পুরোদমে চালু হয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে না।

ইতিমধ্যে ১০০ কোটি টাকার লগ্নি, আরও বিনিয়োগ ৪০০ কোটি
ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রান্স ইন্ডিয়া রিয়েল এস্টেট লিমিটেডের রিয়েল এস্টেটের সিইও এবং গ্লোবাল প্রকিওরমেন্টের হেড রাম ওয়ালেসে বলেছেন যে 'ডানকুনিতে আমরা প্রায় ৪৫ একর জমি অধিগ্রহণ করেছি। ইতিমধ্যে জমির জন্য ১০০ কোটি টাকার মতো বিনিয়োগ করে ফেলেছি। প্রাথমিক পরিকাঠামো এবং মূল গুদামঘরের কাঠামো গড়ে তোলার জন্য আরও ৪০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করব।'
আরও ৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হবে
তিনি জানিয়েছেন, পরবর্তীতে আরও ৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হবে। সেটা অবশ্য বিনিয়োগ করবে সেইসব কোম্পানি, যারা ওই গুদাম ব্যবহার করবে। অভ্যন্তরীণ পরিকাঠামো তৈরি করা এবং অন্যান্য কাজের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের জন্য ৫০০ কোটি টাকার মতো বিনিয়োগ করা হবে বলে আশাপ্রকাশ করেছেন ট্রান্স ইন্ডিয়া রিয়েল এস্টেট লিমিটেডের রিয়েল এস্টেটের সিইও এবং গ্লোবাল প্রকিওরমেন্টের হেড।
দেশে আরও ৩০-৪০ লাখ বর্গফুট গুদাম তৈরির জায়গা আছে
আর সেই গুদামের সম্ভাব্য ব্যবহারকারীদের মধ্যে ই-কমার্স, লজিস্টিক কোম্পানি থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। ট্রান্স ইন্ডিয়া রিয়েল এস্টেট লিমিটেডের রিয়েল এস্টেটের সিইও ও গ্লোবাল প্রকিওরমেন্টের হেড জানিয়েছেন, আপাতত দেশজুড়ে তাঁদের হাতে ৩০০ একরের মতো জমি আছে। সেটার মাধ্যমে আরও ৩০-৪০ লাখ বর্গফুট গুদাম তৈরি করা যাবে।
ওই সংস্থার উপস্থিতি ইতিমধ্যে দিল্লি-ন্যাশনাল ক্যাপিটাল রিজিয়ন (এনসিআর), হায়দরাবাদ, বেঙ্গালুরু, চেন্নাই এবং পুণেতে আছে। এবার কলকাতায় পা রাখতে চলেছে ট্রান্স ইন্ডিয়া রিয়েল এস্টেট লিমিটেড। যা কলকাতায় ওই সংস্থার প্রথম বিনিয়োগ হতে চলেছে। আর সেটা চালু হয়ে গেলে দেশজুড়ে গুদামের আয়তন বেড়ে দাঁড়াবে ৬০ লাখ বর্গফুটের মতো।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


