Nadia Food Park by Reliance: হরিণঘাটায় ৬০০ কোটি টাকা ঢালছে আম্বানির রিলায়েন্স, ফুড পার্কে হবে ক্যাম্পা কোলা
Nadia Food Park by Reliance: হরিণঘাটায় ৬০০ কোটি টাকা ঢালছে মুকেশ আম্বানির রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের শাখা রিলায়েন্স কনজিউমার প্রোডাক্টস লিমিটেড। সেই ফুড পার্কে তৈরি করা হবে ক্যাম্পা কোলা। পুজোর পরই উদ্বোধন করা হবে।
Nadia Food Park by Reliance: নদিয়ার ৬০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করছে রিলায়েন্স কনজিউমার প্রোডাক্টস লিমিটেড। সূত্রের খবর, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পরে মুকেশ আম্বানিরা প্রথম যে বিনিয়োগ করতে চলেছেন, তা হতে চলেছে হরিণঘাটায়। সেখানে রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের শাখা রিলায়েন্স কনজিউমার প্রোডাক্টস লিমিটেডের তরফে একটি ফুড পার্ক তৈরি করা হবে (যা রাজ্যে রিলায়েন্স কনজিউমার প্রোডাক্টস লিমিটেডের প্রথম বিনিয়োগও বটে)। প্রাথমিকভাবে যা ঠিক আছে, তাতে সেখানে ক্যাম্পা কোলা তৈরি করা হবে বলে সূত্রের খবর।

২৮ অক্টোবর ভূমিপুজো করা হবে, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী
আজ নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে সেই প্রকল্পের বিষয়ে খুব বিস্তারিতভাবে কিছু না বললেও মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, আগামী ২৮ অক্টোবর রিলায়েন্সের প্রকল্পের ভূমিপুজো হবে। অর্থাৎ পুজো মিটে গেলেই রিলায়েন্স কাজ শুরু করে দেবে রাজ্যে। তাঁর কথায়, ‘২৮ তারিখে রিলায়েন্সের ক্যাম্পা কোলার ভূমিপুজো আছে হরিণঘাটায় - ২৮ অক্টোবর।’
পুজোর আগে আবার ৬,০০০ কোটি টাকার প্রকল্পের উদ্বোধন
আর পুজোর ঠিক আগে হলদিয়ায় মেগা প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী। ১৪ অক্টোবর হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালস লিমিটেডের ফেনল এবং অ্যাসিটোন কারখানার উদ্বোধন করবেন। তাতে বিনিয়োগের অঙ্কটা ৬,০০০ কোটি টাকা। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালস লিমিটেডের সেই ‘এক্সটেনশন’-র ফলে রাজ্যে কর্মসংস্থানের পথ খুলে যাবে আরও।
তবে হলদিয়ায় নির্মিত এই প্ল্যান্ট কেবল পশ্চিমবঙ্গেই নয়, সমগ্র ভারতের পেট্রোকেমিক্যাল শিল্পে এক ঐতিহাসিক নজির সৃষ্টি করতে চলেছে। এই প্ল্যান্টের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো দুটি গুরুত্বপূর্ণ পালক যুক্ত হচ্ছে ভারতের মুকুটে। কারণ অলেফিন রূপান্তর প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে নির্মিত দেশের সর্বপ্রথম 'অন-পারপাস প্রোপিলিন' উৎপাদনের ব্যবস্থা এখানে থাকছে। আর এই প্ল্যান্টে গড়ে তোলা হচ্ছে ভারতের একক সর্ববৃহৎ ফিনল উৎপাদন কেন্দ্র, যা দেশের ফিনল ও অ্যাসিটোনের চাহিদার এক বিশাল অংশ মেটাতে সক্ষম হবে।
দুর্গাপুজোর পরই রাজ্যের নয়া শিল্পনীতির প্রকাশ
তারইমধ্যে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, দুর্গাপুজোর পরেই রাজ্যের নয়া শিল্পনীতির ঘোষণা করা হবে। মন্ত্রিগোষ্ঠীর তত্ত্বাবধানে প্রাথমিকভাবে তৈরি করে ফেলা হয়েছে খসড়া নীতি। মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়ালের নেতৃত্বে যে কমিটি গঠন করা হয়েছে, তা কয়েকটি বিষয় অন্তর্ভুক্ত করার পরামর্শ দিয়েছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে দু'তিনদিনের মধ্যে সেই সংশোধনী খসড়া নীতি তাঁর কাছে পৌঁছে যাবে। আর পুজোর পরে ২৭ অক্টোবর রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে সেই নয়া শিল্পনীতি প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


