Mamata-Abhishek on Cockroach Janata Party: ককরোচ জনতা পার্টিকে ঘিরে দেশজুড়ে যখন জোর চর্চা চলছে, তখন সেই বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও'ব্রায়েন জানান, মমতা ও অভিষেক— দু’জনেই এই ব্যঙ্গাত্মক ডিজিটাল আন্দোলনের প্রতি 'পূর্ণ সমর্থন' জানিয়েছেন।

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ককরোচ জনতা পার্টি বা সিজেপি মূলত একটি প্রতীকী রাজনৈতিক ও ডিজিটাল আন্দোলন হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। এর প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক ইস্যু নিয়ে ব্যঙ্গ, মিম এবং অনলাইন প্রচারের মাধ্যমেই জনপ্রিয়তা পেয়েছে এই প্ল্যাটফর্ম।
এর আগে সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব এবং কংগ্রেস নেতা শশী থারুরও এই আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়েছিলেন। তৃণমূলের কীর্তি আজাদ ও মহুয়া মৈত্র এই ককরোচ জনতা পার্টিতে 'যোগদানও' করেন। এদিকে ককরোচ জনতা পার্টিকে কেন্দ্র করে বিতর্কও কম নয়। সম্প্রতি দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে খুনের হুমকি পেয়েছেন বলে অভিযোগ ওঠে। এমনকি তাঁর বাড়ির বাইরে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলেও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে। আবার এই ককরোচ জনতা পার্টির নেপথ্যে 'ডিপ স্টেট' আছে কি না তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে বিজেপি।
বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছে কয়েকটি কারণে। বিজেপির কিছু নেতা এবং অনলাইন সমর্থক দাবি করেছেন, এই সংগঠনের দ্রুত জনপ্রিয়তা, সরকারের সমালোচনামূলক কনটেন্ট এবং আন্তর্জাতিক সোশ্যাল মিডিয়া ট্রাফিক 'সন্দেহজনক'। এমনকি পড়শি বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানের কয়েক লাখ ফলোয়ার এই সিজেপি-কে ফলো করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
অন্যদিকে, সিজেপি-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিতের বিরুদ্ধে পুরনো কিছু অভিযোগও সামনে আনা হয়েছে। ২০১৯ সালে তাঁর বিরুদ্ধে পুণে পুলিশের কাছে একটি অভিযোগ জমা পড়েছিল বলে কয়েকটি রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে। সেখানে কাশ্মীর ও ৩৭০ ধারা নিয়ে তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছিল। ভারত সরকারের তরফে নিরাপত্তা উদ্বেগের কথা বলে সিজেপির কিছু সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল ব্লক করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল বলেও দাবি করা হয়েছে। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের রিপোর্ট অনুযায়ী, ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর ইনপুটের ভিত্তিতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়। তবে অন্য একটি বড় অংশের মতে, সিজেপি মূলত যুবসমাজের হতাশা, বেকারত্ব, পরীক্ষা দুর্নীতি ও রাজনৈতিক ব্যঙ্গ থেকে তৈরি হওয়া একটি ডিজিটাল আন্দোলন।
{{/usCountry}}অন্যদিকে, সিজেপি-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিতের বিরুদ্ধে পুরনো কিছু অভিযোগও সামনে আনা হয়েছে। ২০১৯ সালে তাঁর বিরুদ্ধে পুণে পুলিশের কাছে একটি অভিযোগ জমা পড়েছিল বলে কয়েকটি রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে। সেখানে কাশ্মীর ও ৩৭০ ধারা নিয়ে তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছিল। ভারত সরকারের তরফে নিরাপত্তা উদ্বেগের কথা বলে সিজেপির কিছু সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল ব্লক করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল বলেও দাবি করা হয়েছে। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের রিপোর্ট অনুযায়ী, ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর ইনপুটের ভিত্তিতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়। তবে অন্য একটি বড় অংশের মতে, সিজেপি মূলত যুবসমাজের হতাশা, বেকারত্ব, পরীক্ষা দুর্নীতি ও রাজনৈতিক ব্যঙ্গ থেকে তৈরি হওয়া একটি ডিজিটাল আন্দোলন।
{{/usCountry}}