Singur New Project: সিঙ্গুরে নয়া অধ্যায়! ৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের প্রকল্পে অনুমোদন মমতা-মন্ত্রিসভার

সিঙ্গুর ঘিরে কোন সিদ্ধান্ত নিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রিসভা?

Published on: Dec 24, 2025, 21:46:31 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

তখন রাজ্যে ছিল বামেদের বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের সরকার। আর রাজ্যের বিরোধী নেত্রী ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতার সিঙ্গুর আন্দোলন জোরদার হতেই একটা সময় সিঙ্গুর থেকে টাটাগোষ্ঠী তার প্রজেক্ট সরিয়ে নেয়। এরপর ২০২৫ সালের ২৪ ডিসেম্বর, সলেই সিঙ্গুর ঘিরেই এল আরও এক খবর। বড়দিনের প্রাকলগ্নে মমতা-মন্ত্রিসভা ছাড় দিল সিঙ্গুরে ৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের এক প্রকল্পে। আজ বুধবার, নবান্নে আয়োজিত এক বৈঠকে সিঙ্গুরে ওয়্যারহাউস প্রকল্পে ছাড়পত্র দিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রিসভা।

ফের খবরে সিঙ্গুর! ৫০০ কোটির প্রকল্পে অনুমোদন মমতা-মন্ত্রিসভার, বিনিয়োগ করছে কার? (Hindustan Times)
ফের খবরে সিঙ্গুর! ৫০০ কোটির প্রকল্পে অনুমোদন মমতা-মন্ত্রিসভার, বিনিয়োগ করছে কার? (Hindustan Times)

জানা গিয়েছে, এই প্রকল্পে ১১.৩৫ একর জমি বরাদ্দ করা হয়েছে। তা লিজ দেওয়া হয়েছে ৯৯ বছরের জন্য। এই প্রকল্পে বিনিয়োগ করবে নাহার ইন্ডাস্ট্রিয়াল এন্টারপ্রাইজেস লিমিটেড। এই তথ্য বুধবার জানিয়েছেন, অর্থ প্রতিমবন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। মনে করা হচ্ছে, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে, রাজ্যে অ্যামাজন, ফ্লিপকার্টের মতো ই কমার্স সেক্টরের কাজ আরও মসৃণ হবে।

( Bangladesh Blast: বাংলাদেশে নতুন করে অশান্তি! তারেক রহমানের ঢাকা আসার আগের রাতে বিস্ফোরণ, নিহত ১)

( Vastu shastra Tips: ২০২৬ আসার আগে বাড়িতে ভুলেও লাগাচ্ছেন না তো এই গাছগুলি? রইল বাস্তুটিপস)

সিঙ্গুর থেকে টাটাদের চলে যাওয়ার প্রায় ১৪ বছর পর সিঙ্গুরে এই বিপুল বিনিয়োগ ঘিরে এল খবর। ২০০৮ সালে রাজ্য থেকে যখন টাচারা তাদের ন্যানো কারখানার প্রজেক্ট সরিয়ে নেয়, তারপর থেকেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিল বামদলগুলি। এরপর একটা সময় বামেদের দীর্ঘ শাসনকাল পার করে সরকারে ক্ষমতায় আসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। আর সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারই এবার আনল সিঙ্গুরে নয়া প্রজেক্ট।

এছাড়াও জানা গিয়েছে, রাজ্যে নিলামের মাধ্যমে নতুন বিদ্যুৎ প্রকল্পের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এদিন। রাজ্যে বিদ্যুতচের চাহিদা ক্রমাগ বাড়তে থাকায়, এই সিদ্ধান্ত। এক্ষেত্রে পিপিপি মডেলে ১৬০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার নিউ সুপার ক্রিটিক্যাল থার্মাল পাওয়ার প্লান্টের প্রসঙ্গ উঠে আসে। এদিন রাজ্যমন্ত্রিসভা,মাদার ডেয়ারি ক্যালকাটা ও বাংলা ডেয়ারিকে একীভূত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর এখন থেকে এই সংস্থা ‘বাংলা ডেয়ারি’ হিসাবে পরিচিত হবে। এছাড়াও জেমস অ্যান্ড জুয়েলারি পার্কের দ্বিতীয় পর্যায়ের জন্য হাওড়ার অঙ্কুরহাটিতে ০.৫ একর জমি বরাদ্দের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও পশ্চিমবঙ্গ শিল্পোন্নয়ন নিগমের আওতায় রাজ্যের একাধিক জায়গায় শিল্পপার্কের জন্যও জমি বরাদ্দ করা হয়েছে।

  • Sritama Mitra
    ABOUT THE AUTHOR
    Sritama Mitra

    শ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More