শিয়রে ভোট। আর কয়েক দিন পরই ২০২৬ বিধানসভা ভোটের রণাঙ্গনে পা রাখবে বাংলা। তার আগে, এদিন নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে আসেন সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব। জানা গিয়েছে, এক পারিবারিক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে কলকাতায় এসেছেন অখিলেশ। তার ফাঁকেই দিদির সঙ্গে ৪৫ মিনিট বৈঠক করেন তিনি। দুই নেতা নেত্রীর সাক্ষাৎ, ভোটের আগে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলেও মনে করা হচ্ছে। এদিকে, খবর, বুধবার ২৮ জানুয়ারি সিঙ্গুরের সভা করেই, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেতে পারেন দিল্লি। বেশ কিছু রিপোর্টের দাবি, দিদির দিল্লি সফরের সঙ্গী হতে পারেন, এসআইআর-এ নিহতদের পরিবারের কয়েকজন।

‘গোটা দেশে কেউ যদি বিজেপিকে মোকাবিলা করে থাকেন, তা হলে সেটা করছেন এখানকার (পশ্চিমবঙ্গের) মুখ্যমন্ত্রী।’ ঠিক এই বার্তাই দিয়েই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি তাঁর দলের মনোভাব স্পষ্ট করে দেন অখিলেশ। এদিন নবান্নে অখিলেশের সঙ্গে ছিলেন বাম আমলের মন্ত্রী কিরন্ময় নন্দ। তাঁর সমাজবাদী পার্টির অন্যতম নেতা কিরন্ময়কে সঙ্গে করে অখিলেশ এদিন দিদির সঙ্গে দেখা করেন। বক্তব্যে অখিলেশ স্পষ্ট করে দেন, বিজেপি বিরোধী শক্তিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তাবড় তাৎপর্যের দিকটি। পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গে আসন্ন ভোট ঘিরে বিজেপির প্রতিও বার্তা দেন অখিলেশ। অখিলেশ যাদব বলেন,' বিজেপি এখানে লড়াই করছে সম্মানজনক হারের জন্য।' এছাড়াও এসআইআর নিয়েও সুর চড়িয়েছেন উত্তর প্রদেশের ভূমিপুত্র অখিলেশ। তিনি বলেন,'এত দিন কমিশন কাজ করত বেশি সংখ্যক মানুষ যাতে ভোটার হতে পারেন সেই লক্ষ্যে। এই প্রথম সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি ভোটারদের নাম কেটে যাওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে।' উল্লেখ্য, তাঁর রাজ্য যোগীগড় উত্তর প্রদেশে প্রায় ৩ কোটি মানুষের নাম বাদ গিয়েছে এসআইআর-এ।
এদিকে, মিডিয়া রিপোর্ট বলছে, বুধবার থেকেই রাজ্য রাজনীতি তোলপাড় করে সিঙ্গুরের সভার পরই দিল্লি উড়ে যেতে পারেন মমতা। আগে জানা গিয়েছিল, তিনি ফেব্রুয়ারির প্রথম দিকে দিল্লি যেতে পারেন। তবে, জানা যাচ্ছে, সিঙ্গুরের সভার পরই বুধবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেতে পারেন দিল্লি। এসআইআর-এ হেনস্থার শিকার হয়ে যে সব পরিবারের সদস্যদের মৃত্যু হয়েছে, তাঁদের কয়েকজন মমতার সঙ্গে যেতে পারেন দিল্লি। তবে বুধবার যদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লি যান, তাহলে তিনি এই সফরে কমিশনের দপ্তরে গিয়ে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে কথা বলবেন কি না, তা নিয়ে এখনও স্পষ্ট করে কিছু জানা যায়নি। তবে ভোটের আগে আগামিকাল বুধেই যদি মমতা দিল্লি সফর করেন, তাহলে তা নিঃসন্দেহে তাৎপর্যবাহী ঘটনা হতে পারে।
{{/usCountry}}এদিকে, মিডিয়া রিপোর্ট বলছে, বুধবার থেকেই রাজ্য রাজনীতি তোলপাড় করে সিঙ্গুরের সভার পরই দিল্লি উড়ে যেতে পারেন মমতা। আগে জানা গিয়েছিল, তিনি ফেব্রুয়ারির প্রথম দিকে দিল্লি যেতে পারেন। তবে, জানা যাচ্ছে, সিঙ্গুরের সভার পরই বুধবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেতে পারেন দিল্লি। এসআইআর-এ হেনস্থার শিকার হয়ে যে সব পরিবারের সদস্যদের মৃত্যু হয়েছে, তাঁদের কয়েকজন মমতার সঙ্গে যেতে পারেন দিল্লি। তবে বুধবার যদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লি যান, তাহলে তিনি এই সফরে কমিশনের দপ্তরে গিয়ে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে কথা বলবেন কি না, তা নিয়ে এখনও স্পষ্ট করে কিছু জানা যায়নি। তবে ভোটের আগে আগামিকাল বুধেই যদি মমতা দিল্লি সফর করেন, তাহলে তা নিঃসন্দেহে তাৎপর্যবাহী ঘটনা হতে পারে।
{{/usCountry}}