মুর্শিদাবাদের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ নিয়ে এবার সরব হলেন তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেন, আমলা, অফিসারদের বদলি করিয়েই হিংসা ছড়ানো হয়েছে। এরই সঙ্গে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, 'হিংসা যারা ছড়িয়েছে, তাদের কাউকে ছাড়া হবে না।' এদিকে রামনবমীর মিছিলের জেরেই হিংসা ছড়িয়েছে বলে ইঙ্গিত করেছেন তিনি। প্রশাসনের 'গা ছাড়া মনোভাব' নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মমতা। এরই সঙ্গে তিনি প্রশাসনের ভূমিকার জন্য 'ক্ষমা' চেয়ে নিয়েছেন।

মমতার কথায়, অস্ত্র নিয়ে রামনবমীর মিছিল করা হলেও নির্বাচন কমিশনের নিয়ন্ত্রণাধীন প্রশাসন কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না। তৃণমূল সুপ্রিমো আজ রানিগঞ্জের জনসভা থেকে বলেন, 'কে অধিকার দিয়েছে দাঙ্গা বাধানোর? টাকা ঢোকানো হচ্ছে। কাউকে ছাড়া হবে না। আমি আশা করছি যাঁরা আছেন, তাঁরা নিরপেক্ষ হয়ে কাজ করবেন। এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখবে।' এদিকে বিজেপিকে তোপ দেগে আজ মমতা বলেন, 'তোমরা বাংলাকে টার্গেট করেছো, আমি দিল্লিকে টার্গেট করছি।'
উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুরে রামনবমী মিছিলে সময় হিংসার ঘটনা ঘটে গত ২৭ মার্চ। এই আবহে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৬৩ ধারা জারি করা হয়েছে সেখানে। চার বা তার অধিক মানুষের সমাগমে জারি কার হয়েছে নিষেধাজ্ঞা। এর আগে পাতাকা লাগানো নিয়ে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। এদিকে রামনবমীর মিছিলে ইট পাটকেল ছোড়ার অভিযোগও ওঠে। এই আবহে এলাকায় দোকানপাটেও ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বিশাল পুলিশ বাহিনী এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। পুলিশের দাবি, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি হলেও নতুন করে কোনও হিংসার ছড়ায়নি।
জানা গেছে, রামনবমী উপলক্ষে রঘুনাথগঞ্জের ম্যাকেঞ্জি মাঠ থেকে একটি মিছিল বের করা হয়েছিল। যেখানে বিপুল সংখ্যক মানুষ উপস্থিত ছিলেন। এদিকে, মিছিলটি ফুলতলা মোড়ে পৌঁছলে তাদের ওপর ইট-পাথর ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। দাবি করা হয়, নিকটবর্তী একটি ছাদ থেকে মিছিলে পাথর ছোড়া হয়েছিল। এই ঘটনায় আহত হন বেশ কয়েকজন। একই সঙ্গে রঘুনাথগঞ্জ শহরের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় রামনবমীর মিছিলে আবারও হামলা চালানো হয়। অভিযোগ, মিছিলটি সিসাতলা এলাকায় পৌঁছালে গান বাজানোকে কেন্দ্র করে বচসা শুরু হয় দুই পক্ষের। এর জেরে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশের গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। তৎক্ষণাৎ পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। পুলিশ সেখানে রুটমার্চ করে এবং শান্তি বজায় রাখার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানায়। এদিকে নিস্তা গ্রামেও হিংসা ছড়ায় রামনবমীর মিছিলকে কেন্দ্র করে।
{{/usCountry}}জানা গেছে, রামনবমী উপলক্ষে রঘুনাথগঞ্জের ম্যাকেঞ্জি মাঠ থেকে একটি মিছিল বের করা হয়েছিল। যেখানে বিপুল সংখ্যক মানুষ উপস্থিত ছিলেন। এদিকে, মিছিলটি ফুলতলা মোড়ে পৌঁছলে তাদের ওপর ইট-পাথর ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। দাবি করা হয়, নিকটবর্তী একটি ছাদ থেকে মিছিলে পাথর ছোড়া হয়েছিল। এই ঘটনায় আহত হন বেশ কয়েকজন। একই সঙ্গে রঘুনাথগঞ্জ শহরের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় রামনবমীর মিছিলে আবারও হামলা চালানো হয়। অভিযোগ, মিছিলটি সিসাতলা এলাকায় পৌঁছালে গান বাজানোকে কেন্দ্র করে বচসা শুরু হয় দুই পক্ষের। এর জেরে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশের গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। তৎক্ষণাৎ পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। পুলিশ সেখানে রুটমার্চ করে এবং শান্তি বজায় রাখার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানায়। এদিকে নিস্তা গ্রামেও হিংসা ছড়ায় রামনবমীর মিছিলকে কেন্দ্র করে।
{{/usCountry}}