বিধানসভা ভোট ২০২৬র রণদামামা বাজতেই বাংলা জুড়ে একাধিক পার্টির প্রচার অভিযান তুঙ্গে। ইতিমধ্যেই ঝড়ের গতিতে রাজ্যে একের পর এক সভা করছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন তাঁর সভা ছিল শান্তিপুরে। শান্তিপুরের তাঁর জগদ্বিখ্যাত। মুখ্যমন্ত্রীদের বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবারেও যে শান্তিপুরের শাড়ির কতটা কদর রয়েছে, তা এদিনের সভায় জানালেন মমতা। এছাড়াও তৃণমূল সুপ্রিমোর মুখে চেনা মেজাজে এদিন বিজেপি বিরোধিতার সুরও শোনা যায়।

এদিন সভার শুরুতেই মমতা জানান, তিনি তাঁর নিজের ডিজাইন করা শাড়ি পরে থাকেন। এদিনের সভা মঞ্চ থেকে দিদি বলেন, ‘আমি যে শাড়িটা আজ পরে এসেছি, এটা শান্তিপুরের। আমি নিজের ডিজ়াইন করা শাড়ি পরি। অনেকে নকলও করে। আমার বেশ ভাল লাগে।' তিনি একই সঙ্গে বলেন,' শান্তিপুরের শাড়ি, বসাকদের শাড়ি... বাপরে কী বিখ্যাত। পুজো এলে টের পাই!’ এরই সঙ্গে মমতা বলেন, ‘ আমি শান্তিপুরে মিটিংয়ে এসেছি শুনে, অভিষেকের মা বলেছে, ‘আমার জন্য দুটো শাড়ি এনো’। আমি কি এখন বাজারে যাব নাকি! মিটিংয়ে এসেছি।’ এর সঙ্গেই ভ্রাতকৃজায়াকে নিয়ে মমতা বলেন,‘ আসলে ও জানে। মজা করছে! এটুকু তো ‘এক্সপেক্ট’ করতেই পারে বাড়ির বৌ। সোনাদানা চায় না। হার চায় না, দুল চায় না। নববর্ষের আগে দুটো শাড়ি চাইলে সেটা দেব না? এর জন্য কারও উপর নির্ভর করার দরকার নেই।’
এর সঙ্গে সঙ্গেই চেনা মেজাজে মমতা ফের একবার বিজেপি বিরোধিতার সুর চড়া করেন। শান্তিপুরের প্রচার মঞ্চ থেকে মমতা বলেন, ‘বাচ্চাছেলে দুষ্টুমি করলে থাপ্পড় দেন। একটু করেন। কিন্তু এই শয়তানগুলো বাংলাভাগ করতে এলে কী করবেন? গণতন্ত্রের থাপ্পড় দেবেন। তবেই এরা জব্দ হবে।’ জনসভার মঞ্চ থেকে মমতা বলেন, ‘বিজেপি এক টাকা দিতে এলে নেবেন না। সতর্ক করে দিই। আমাদের নাম করেও কেউ ব্যাঙ্কের তথ্য চাইলে দেবেন। ‘টাকা পাঠাব’ বলে অ্যাকাউন্ট নম্বর নেবে। তার পর কার না কার কালোটাকা পাঠাবে। তার পর ইডি-সিবিআই পাঠিয়ে দেবে।’ দাপটের সঙ্গে তিনি বিজেপির বিরুদ্ধে লড়ে যাওয়ার বার্তা দেন মঞ্চ থেকে, বলেন, ‘জন্মেছি বীরের মতো, মরবও বীরের মতো।’ এছাড়াও তিনি লক্ষ্মীর ভাণ্ডার সহ তৃণমূলের একাধিক প্রকল্পের সুখ্যাতি করেন। তাঁর সরকারের আনা স্কিমগুলি নিয়ে একাধিক বার্তা দেন মমতা। মমতা বলেন, ‘আরও স্কুল তৈরি করবে আমার সরকার। ওরা মানুষ হোক। আরও ইংরেজি মাধ্যম স্কুল তৈরি করব। প্রাইভেট স্কুলে অনেক খরচ। অনেক হাসপাতাল তৈরি হয়েছে। আরও হবে।’ শান্তিপুরের মঞ্চ থেকে এসআইআর নিয়ে দিদির সাফ বার্তা, ‘আপনাদের কাউকে বাংলা থেকে উচ্ছেদ হতে দেব না। আমরা লড়ে ২৫ লক্ষ নাম তো ঢোকাতে পেরেছি ভোটার তালিকায়। আরও পারব। কেউ আত্মহত্যা করবেন না।’
{{/usCountry}}এর সঙ্গে সঙ্গেই চেনা মেজাজে মমতা ফের একবার বিজেপি বিরোধিতার সুর চড়া করেন। শান্তিপুরের প্রচার মঞ্চ থেকে মমতা বলেন, ‘বাচ্চাছেলে দুষ্টুমি করলে থাপ্পড় দেন। একটু করেন। কিন্তু এই শয়তানগুলো বাংলাভাগ করতে এলে কী করবেন? গণতন্ত্রের থাপ্পড় দেবেন। তবেই এরা জব্দ হবে।’ জনসভার মঞ্চ থেকে মমতা বলেন, ‘বিজেপি এক টাকা দিতে এলে নেবেন না। সতর্ক করে দিই। আমাদের নাম করেও কেউ ব্যাঙ্কের তথ্য চাইলে দেবেন। ‘টাকা পাঠাব’ বলে অ্যাকাউন্ট নম্বর নেবে। তার পর কার না কার কালোটাকা পাঠাবে। তার পর ইডি-সিবিআই পাঠিয়ে দেবে।’ দাপটের সঙ্গে তিনি বিজেপির বিরুদ্ধে লড়ে যাওয়ার বার্তা দেন মঞ্চ থেকে, বলেন, ‘জন্মেছি বীরের মতো, মরবও বীরের মতো।’ এছাড়াও তিনি লক্ষ্মীর ভাণ্ডার সহ তৃণমূলের একাধিক প্রকল্পের সুখ্যাতি করেন। তাঁর সরকারের আনা স্কিমগুলি নিয়ে একাধিক বার্তা দেন মমতা। মমতা বলেন, ‘আরও স্কুল তৈরি করবে আমার সরকার। ওরা মানুষ হোক। আরও ইংরেজি মাধ্যম স্কুল তৈরি করব। প্রাইভেট স্কুলে অনেক খরচ। অনেক হাসপাতাল তৈরি হয়েছে। আরও হবে।’ শান্তিপুরের মঞ্চ থেকে এসআইআর নিয়ে দিদির সাফ বার্তা, ‘আপনাদের কাউকে বাংলা থেকে উচ্ছেদ হতে দেব না। আমরা লড়ে ২৫ লক্ষ নাম তো ঢোকাতে পেরেছি ভোটার তালিকায়। আরও পারব। কেউ আত্মহত্যা করবেন না।’
{{/usCountry}}