...
...
Next Story

Manish Gupta Leaves TMC: ২১ জুলাইয়ের আগে তৃণমূল ছেড়ে শুভেন্দুর প্রশংসায় মণীশ গুপ্ত, নতুন করে চর্চায় ১৯৯৩-এর গুলিকাণ্ড

২০১১ সালে রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে মণীশ গুপ্তকে তৃণমূলে নিয়ে আসেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০১১ সালে তিনি বিধায়ক ও মন্ত্রীও হন। অথচ ১৯৯৩ সালের গুলিকাণ্ডে তাঁর ভূমিকা নিয়ে বিরোধীরা বরাবর প্রশ্ন তুলেছে। সেই অতীত ফের সামনে এসেছে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যে।

Published on: Jul 16, 2026, 16:19:50 IST
Advertisement

Manish Gupta Leaves TMC: ১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই মহাকরণ অভিযানে যুব কংগ্রেস কর্মীদের উপর পুলিশের গুলিচালনার ঘটনায় যাঁর নাম দীর্ঘদিন বিতর্কের কেন্দ্রে ছিল, সেই প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রসচিব ও তৃণমূল নেতা মণীশ গুপ্ত দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। শহিদ দিবসের ঠিক আগে তাঁর এই সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা তৈরি করেছে। সংবাদমাধ্যমে তিনি নিজেই দল ছাড়ার কথা জানিয়েছেন। যদিও এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দেননি বলে জানিয়েছেন তিনি।

প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রসচিব ও তৃণমূল নেতা মণীশ গুপ্ত দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রসচিব ও তৃণমূল নেতা মণীশ গুপ্ত দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

মণীশ গুপ্তর কথায়, 'এই দলটায় আমার আর কিছু করার নেই। তাই অযথা সময় নষ্ট না করে ছেড়ে দিলাম। পরে অবশ্যই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দেব।' ২০১১ সালে রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে মণীশ গুপ্তকে তৃণমূলে নিয়ে আসেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০১১ সালে তিনি বিধায়ক ও মন্ত্রীও হন। অথচ ১৯৯৩ সালের গুলিকাণ্ডে তাঁর ভূমিকা নিয়ে বিরোধীরা বরাবর প্রশ্ন তুলেছে। সেই অতীত ফের সামনে এসেছে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যে।

মণীশ গুপ্তর দলত্যাগের সিদ্ধান্ত এমন এক সময়ে এল, যখন তৃণমূলের সাংগঠনিক দুর্বলতা ও দলবদল নিয়ে জোর চর্চা চলছে। আপনার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বে একদল সাংসদ দল ছাড়ার পর থেকেই ২১ জুলাইয়ের গুলিকাণ্ডের প্রসঙ্গ ফের সামনে আসে। কাকলি প্রশ্ন তোলেন, ১৩ জন শহিদের মৃত্যুর ঘটনায় মণীশ গুপ্তর বিরুদ্ধে কেন কোনও তদন্ত হয়নি এবং কেন তাঁকে পরে দলে গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়া হয়েছিল।

এই মন্তব্যের পর থেকেই জল্পনা শুরু হয়েছে, তবে কি মণীশ গুপ্ত বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন? যদিও এ বিষয়ে তিনি সরাসরি কিছু বলেননি। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, ২১ জুলাইয়ের আগে তাঁর দলত্যাগ প্রতীকী গুরুত্ব বহন করছে, কারণ ওই দিনটি তৃণমূলের রাজনৈতিক ইতিহাসে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। এখন দেখার বিষয়, তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে কবে পদত্যাগপত্র জমা দেন এবং ভবিষ্যতে কোন রাজনৈতিক অবস্থান গ্রহণ করেন। একই সঙ্গে ১৯৯৩ সালের গুলিকাণ্ড নিয়ে নতুন করে তদন্তের দাবি কতদূর গড়ায়, সেদিকেও নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe