...
...
Next Story

Bankura-Jayrambati Memu timetable: বাঁকুড়ায় ১৫ কিমি নয়া রেললাইনের সূচনা! জুড়ছে জয়রামবাটি, রইল ট্রেনের টাইমটেবিল

বাঁকুড়ায় ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ নয়া রেললাইনের সূচনা করতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বিধানসভা নির্বাচনের আগে সেই রেললাইনের উদ্বোধন করবেন। তার ফলে জুড়ে যাচ্ছে জয়রামবাটি। কোন ট্রেনে করে যাওয়া যাবে? রইল টাইমটেবিল।

Published on: Jan 14, 2026, 17:39:33 IST
Advertisement

দীর্ঘ অপেক্ষার পরে ময়নাপুর-জয়রামবাটি রেললাইনের সূচনা হতে চলেছে। পূর্ব রেলের তরফে জানানো হয়েছে, খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ ময়নাপুর-বড়গোপীনাথপুর-জয়রামবাটি নয়া রেললাইনের উদ্বোধন করবেন। যা স্বপ্নের তারকেশ্বর-বিষ্ণুুপুর রেলপ্রকল্পের একটি অংশও বটে। সেই ১৫ কিমির রেললাইন উদ্বোধনের পাশাপাশি ময়নাপুর এবং জয়রামবাটির মধ্যে নয়া ট্রেন পরিষেবার শুরু করবেন। সেই ট্রেন জয়রামবাটি থেকে ময়নাপুর হয়ে বাঁকুড়ায় যাবে। এতদিন বাঁকুড়া-ময়নাপুর মেমু ট্রেন চলাচল করত। সেটিই সম্প্রসারিত হয়ে জয়রামবাটি পর্যন্ত যাবে।

সাধারণ মানুষের সুবিধা হবে, বাড়বে ধর্মীয় পর্যটনও

ময়নাপুর-জয়রামবাটি রেললাইনের সূচনা করা হচ্ছে। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে ভারতীয় রেল)
ময়নাপুর-জয়রামবাটি রেললাইনের সূচনা করা হচ্ছে। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে ভারতীয় রেল)

আর সেই ময়নাপুর-জয়রামবাটি নয়া রেললাইনের কারণে বাঁকুড়ার মানুষ ব্যাপক উপকৃত হবেন বলে পূর্ব রেলের তরফে দাবি করা হয়েছে। আধিকারিকদের দাবি, নয়া রেললাইনের ফলে প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের ব্যাপক সুবিধা হবে। তাঁরা সহজেই ট্রেন ধরে বাঁকুড়া শহরে আসতে পারবেন। অর্থনীতি আরও মজবুত হবে। তাছাড়াও বৃদ্ধি পাবে ধর্মীয় পর্যটন। ট্রেনে করে মা সারদার জন্মভিটে জয়রামবাটিতে যাওয়া সহজ হবে। একইভাবে সহজে নিকটবর্তী কামারপুকুরে যেতে পারবেন।

উদ্বোধনী বাঁকুড়া-জয়রামবাটি মেমু স্পেশালের টাইমটেবিল

রবিবার উদ্বোধনী জয়রামবাটি-বাঁকুড়া মেমু স্পেশাল ট্রেন (০৮০৯৫) চালানো হবে। পূর্ব রেলের তরফে জানানো হয়েছে, দুপুর ৩ টেয় জয়রামবাটি থেকে ছাড়বে। আর বাঁকুড়ায় পৌঁছাবে বিকেল ৫ টা ৩৫ মিনিটে। অর্থাৎ ওই পথ অতিক্রম করতে উদ্বোধনী জয়রামবাটি-বাঁকুড়া মেমু স্পেশাল ট্রেনের আড়াই ঘণ্টার মতো লাগবে। যাত্রাপথে বড়গোপীনাথপুর, ময়নাপুর, গোকুলনগর, জয়পুর, বীরসা মুন্ডা হল্ট, বিষ্ণপুর, রামসাগর, ওন্দাগ্রাম এবং ভেদুয়াশোল স্টেশনে দাঁড়াবে।

আরও, আরও ট্রেনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

১) নিউ জলপাইগুড়ি-তিরুচিলাপল্লি অমৃত ভারত এক্সপ্রেস।

২) এসএমভিটি বেঙ্গালুরু-আলিপুরদুয়ার অমৃত ভারত এক্সপ্রেস।

৩) আলিপুরদুয়ার-পানভেল অমৃত ভারত এক্সপ্রেস।

৪) ডিব্রুগড়-গোমতী নগর অমৃত ভারত এক্সপ্রেস।

৫) কামাখ্যা-রোহতক অমৃত ভারত এক্সপ্রেস।

৬) হাওড়া-আনন্দ বিহার টার্মিনাল অমৃত ভারত এক্সপ্রেস।

৭) শিয়ালদা-বেনারস অমৃত ভারত এক্সপ্রেস।

৮) নিউ জলপাইগুড়ি-নাগেরকোল অমৃত ভারত এক্সপ্রেস।

৯) সাঁতরাগাছি-তাম্বরম অমৃত ভারত এক্সপ্রেস।

৯) সাঁতরাগাছি-তাম্বরম

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe