...
...
Next Story

Humayun Kabir Latest Update: 'মুসলমানদের জড়ো করে স্যাটাভাঙা মার শুরু করলে পালানোর রাস্তা পাবেন না'

হুমায়ুন কবীর বলেন, বিজেপি কর্মীরা যদি এলাকায় 'আস্ফালন' চালিয়ে যান, তাহলে তিনি মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষকে একত্রিত করে 'স্যাটাভাঙা মার' শুরু করবেন। সেই সঙ্গে তিনি বলেন, এ ধরনের ঘটনায় মামলা হলেও তা নিয়ে তিনি বিচলিত নন।

Published on: Jun 27, 2026, 09:06:49 IST
Advertisement

ফের বিতর্কের কেন্দ্রে মুর্শিদাবাদের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। জনসভা থেকে তাঁর করা একাধিক মন্তব্যকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। শুক্রবার মুর্শিদাবাদের রেজিনগরের কাশীপুরে এক জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বিজেপিকে উদ্দেশ্য করে কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারি দেন। তাঁর বক্তব্যের একটি অংশে তিনি বলেন, বিজেপি কর্মীরা যদি এলাকায় 'আস্ফালন' চালিয়ে যান, তাহলে তিনি মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষকে একত্রিত করে 'স্যাটাভাঙা মার' শুরু করবেন। সেই সঙ্গে তিনি বলেন, এ ধরনের ঘটনায় মামলা হলেও তা নিয়ে তিনি বিচলিত নন।

হুমায়ুন কবীর বলেন, বিজেপি কর্মীরা যদি এলাকায় 'আস্ফালন' চালিয়ে যান, তাহলে তিনি মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষকে একত্রিত করে 'স্যাটাভাঙা মার' শুরু করবেন। (PTI)
হুমায়ুন কবীর বলেন, বিজেপি কর্মীরা যদি এলাকায় 'আস্ফালন' চালিয়ে যান, তাহলে তিনি মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষকে একত্রিত করে 'স্যাটাভাঙা মার' শুরু করবেন। (PTI)

হুমায়ুন কবীর বলেন, 'বিজেপি সরকার গড়েছে, সেটা ভালো কথা। কিন্তু মুর্শিদাবাদে হেরেও কয়েকজন এমন আচরণ করছেন যেন তাঁরাই বিধায়ক। এই আস্ফালন বন্ধ করুন। আমি যখন মুসলমানদের জড়ো করে স্যাটাভাঙা মার শুরু করব, তখন পালানোর রাস্তা পাবেন না।' তিনি আরও দাবি করেন, বিজেপির শীর্ষ নেতা শুভেন্দু অধিকারীকেও তিনি একই বার্তা দিয়েছেন। তাঁর কথায়, 'আমরা রাজশক্তির বিরোধিতা করতে চাই না। সরকারকে সম্মান দিই। কিন্তু এলাকায় অশান্তি তৈরির চেষ্টা হলে ছেড়ে কথা বলব না। প্রয়োজন হলে আমি নিজেই নেতৃত্ব দেব।' হুমায়ুন কবীরের এই মন্তব্য নতুন নয় বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত। অতীতেও তিনি একাধিকবার বিতর্কিত ও সাম্প্রদায়িক উসকানিমূলক মন্তব্য করে সমালোচনার মুখে পড়েছেন। সেই কারণেই বিধানসভা নির্বাচনের আগে তাঁকে তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।

দল ছাড়ার পর তিনি আমজনতা উন্নয়ন পার্টি নামে নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করেন এবং বিধানসভা নির্বাচনে নওদা ও রেজিনগর—দুই কেন্দ্র থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয়ী হন। পরে তিনি রেজিনগর আসনটি ছেড়ে দেন, যাতে সেখানে উপনির্বাচনে তাঁর ছেলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন। প্রসঙ্গত, নির্বাচনের আগে হুমায়ুন কবীরকে ঘিরে আরও বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। অভিযোগ উঠেছিল, বিজেপির সঙ্গে সমঝোতা করে বিপুল অর্থের বিনিময়ে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানোর ষড়যন্ত্রে তিনি যুক্ত ছিলেন। সেই সময় একটি অডিয়ো ক্লিপও প্রকাশ্যে আসে। যদিও তিনি সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন। শুক্রবারের জনসভায় তাঁর সাম্প্রতিক মন্তব্য ঘিরে ফের রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। বিরোধীদের একাংশের দাবি, এই ধরনের বক্তব্য সমাজে উত্তেজনা ছড়াতে পারে। তবে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত হুমায়ুন কবীরের বক্তব্য নিয়ে রাজ্য সরকার বা শাসক শিবিরের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe