Murshidabad TMC MLAs: তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে তৈরি হওয়া রাজনৈতিক বিভাজনের আবহে মুর্শিদাবাদ জেলা নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গিয়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে গঠিত নতুন পরিষদীয় দলকে ঘিরে জেলায় স্পষ্ট মেরুকরণের ছবি সামনে এসেছে। এই পরিস্থিতিতে কৌতুহল জেগেছে সাগরদিঘির বিধায়ক বায়রন বিশ্বাসের অবস্থান।

রিপোর্ট অনুযায়ী, তৃণমূলের টিকিটে জয়ী ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে ৬০ জন বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে (মমতার দ্বারা বহিষ্কৃত ঝৃতব্রত ও সন্দীপন সহ) বিরোধী দলনেতা হিসেবে সমর্থন করেছেন। সেই আবহে মুর্শিদাবাদ জেলার ৯ জন তৃণমূল বিধায়কের মধ্যে ৮ জনই ঋতব্রত শিবিরের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে। ওই তালিকায় রয়েছেন সাগরদিঘির বিধায়ক বায়রন বিশ্বাসও।
বায়রন নিজেই জানিয়েছেন, তিনিও সমর্থনসূচক নথিতে সই করেছেন। তাঁর এই মন্তব্য থেকেই স্পষ্ট হয়েছে যে তিনি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরের পক্ষেই অবস্থান নিয়েছেন। ফলে তাঁকে ঘিরে চলা জল্পনার অবসান ঘটেছে। এই সমীকরণ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন রঘুনাথগঞ্জের বিধায়ক আখরুজ্জামান। তাঁর উদ্যোগেই জেলার একাধিক বিধায়ক ঋতব্রতের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে। আখরুজ্জামানের বক্তব্য, মুর্শিদাবাদের ৯ জন বিধায়কের মধ্যে ৮ জন তাঁদের সমর্থন করেছেন এবং তাঁরা দলের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
ঋতব্রত শিবিরকে সমর্থনকারী বিধায়কদের মধ্যে সামশেরগঞ্জের নুর আলম, সুতির ইমানি বিশ্বাস, লালগোলার আব্দুল আজিজ, ভগবানগোলার রিয়াত হোসেন সরকার, হরিহরপাড়ার নিয়ামত শেখ, ভরতপুরের মোস্তাফিজুর রহমান এবং সাগরদিঘির বায়রন বিশ্বাসের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। সুতির বিধায়ক ইমানি বিশ্বাস জানান, তাঁদের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, মমতাই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রথমে রাজ্যসভার সাংসদ এবং পরে বিধানসভার প্রার্থী করেছিলেন। সেই কারণেই তাঁরা ঋতব্রতের সঙ্গেই রয়েছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একই ধরনের মত প্রকাশ করেছেন নুর আলম, বায়রন বিশ্বাস, মোস্তাফিজুর রহমান এবং রিয়াত হোসেন সরকারও।
{{/usCountry}}ঋতব্রত শিবিরকে সমর্থনকারী বিধায়কদের মধ্যে সামশেরগঞ্জের নুর আলম, সুতির ইমানি বিশ্বাস, লালগোলার আব্দুল আজিজ, ভগবানগোলার রিয়াত হোসেন সরকার, হরিহরপাড়ার নিয়ামত শেখ, ভরতপুরের মোস্তাফিজুর রহমান এবং সাগরদিঘির বায়রন বিশ্বাসের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। সুতির বিধায়ক ইমানি বিশ্বাস জানান, তাঁদের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, মমতাই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রথমে রাজ্যসভার সাংসদ এবং পরে বিধানসভার প্রার্থী করেছিলেন। সেই কারণেই তাঁরা ঋতব্রতের সঙ্গেই রয়েছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একই ধরনের মত প্রকাশ করেছেন নুর আলম, বায়রন বিশ্বাস, মোস্তাফিজুর রহমান এবং রিয়াত হোসেন সরকারও।
{{/usCountry}}অন্যদিকে, জেলার একমাত্র ব্যতিক্রম হিসেবে উঠে এসেছে জলঙ্গির নবনির্বাচিত বিধায়ক বাবর আলির নাম। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন যে তিনি দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সিদ্ধান্তের উপরই আস্থা রাখছেন এবং দল যাঁকে পরিষদীয় নেতা হিসেবে মনোনীত করবে, তাঁর পক্ষেই থাকবেন। সব মিলিয়ে, মুর্শিদাবাদ জেলার অধিকাংশ তৃণমূল বিধায়কের ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে দাঁড়ানো এবং সেই তালিকায় সাগরদিঘির বিধায়ক বায়রন বিশ্বাসের নাম থাকা জেলার রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। উল্লেখ্য, এবারের নির্বাচনে তৃণমূল জয়ী ৯ আসনে, বিজেপি আটটি আসনে। ১টি আসনে জয়ী সিপিএম। ২টি আসনে জয়ী হুমায়ুন কবীর। ২টি আসনে জয়ী কংগ্রেস।