...
...
Next Story

১২ বছরেও স্বামীর প্রকৃত বাড়ির ঠিকানা অজানা স্ত্রীর! পাক গুপ্তচর সন্দেহে ধৃত সফিকুলকে ঘিরে বাড়ছে রহস্য

Pak Spy Suspect: স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের বক্তব্য, সফিকুল ইসলাম ভারতীয়ই নন। তাদের দাবি, সে প্রায়ই দেওনায় তার শ্বশুরবাড়িতে এসে থাকত এবং সেখান থেকেই নানা কাজকর্ম চালাত।

Published on: Aug 15, 2026, 20:29:05 IST
Advertisement

Pak Spy Suspect: ১২ বছরের বিবাহিত জীবন, অথচ স্বামীর আসল বাড়ি কোথায়, তা জানতেন না স্ত্রীও। বাপের বাড়িতেই থাকেন। সেখানেই স্বামী আসতেন। থাকতেন। গত ২ বছর ধরে স্বামীও আর আসেন না। বেঙ্গল এসটিএফ-এর হাতে পাক গুপ্তচর সন্দেহে স্বামী সফিকুল ইসলাম গ্রেফতার (Pak Spy Suspect) হতেই কার্যত চমকে গেলেন স্ত্রী সখিনা বিবি। উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুর মহকুমার পাঞ্জিপাড়া (Panjipara) এলাকার দেওনা গ্রামের এই ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

পাক গুপ্তচর সন্দেহে ধৃত সফিকুলকে ঘিরে বাড়ছে রহস্য (File photo) (HT_PRINT)
পাক গুপ্তচর সন্দেহে ধৃত সফিকুলকে ঘিরে বাড়ছে রহস্য (File photo) (HT_PRINT)

জানা গিয়েছে, সীমান্ত লাগোয়া নির্জন গ্রাম দেওনার শ্বশুরবাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে যাতায়াত ছিল সফিকুল ইসলামের। তার স্ত্রী সখিনা বিবি দাবি, দীর্ঘ ১২ বছরের দাম্পত্যে তিনি কখনও স্বামীর প্রকৃত বাড়ির ঠিকানা জানতে পারেননি। অন্যদিকে, স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের বিস্ফোরক দাবি, সফিকুল এ দেশেরই স্থায়ী বাসিন্দা নয়। সীমান্ত এলাকার কৌশলগত সুবিধা নিতেই সে শ্বশুরবাড়িকে নিরাপদ ডেরা হিসেবে ব্যবহার করত বলে অভিযোগ।

সংবাদমাধ্যম টিভি৯ বাংলা-র প্রতিবেদন অনুসারে, সফিকুলের শ্বশুরবাড়ি পাঞ্জিপাড়ার দেওনা গ্রাম একেবারে চারপাশে নির্জন পরিবেশ। বাইরে থেকে দেখে বোঝার উপায় নেই, এই এলাকাকে ঘিরেই এত বড় চক্রান্তের তদন্ত চলছে। সফিকুলের শ্বশুরবাড়ি আসলে বাঁশের বেড়া ও টিনের ছাউনি দেওয়া একটা ছোট ঘর। সেখানেই তিন নাবালক পুত্রকে নিয়ে থাকেন সখিনা। সেলাইয়ের কাজ করে সংসার চালান। এসটিএফ গ্রেফতার করার পর সফিকুলকে আনা হয়েছিল দেওনা গ্রামে। কারণ, এই গ্রামে বসেই সফিকুল চক্রান্তের জাল বুনত বলে অভিযোগ। তবে সখিনা দাবি করেন, তিনি স্বামীর বিষয়ে বিশেষ কিছু জানেন না। এমনককী, তিনি বিয়ের পর কোনওদিন শ্বশুরবাড়ি যাননি। বাপের বাড়িতেই থাকেন। ফলে সফিকুলের বাড়ি কোথায়, তাও জানেন না। তিনি বলেন, 'আমার বাবাও নেই। ভাইও নেই। আমাকে বিয়ে দিয়েছিল। আগে আমার স্বামী এখানে থাকত। ২ বছর ধরে এখানে থাকে না। পুলিশ গ্রেফতার করার পর আমার স্বামীকে এখানে এনেছিল। আমাদের পুলিশ কিছু বলেনি। আমাকেও পুলিশ কোনও কিছু জিজ্ঞাসা করেনি।' তবে তিনি দাবি করেন, 'আমার স্বামী টোটো চালায়।' গত ২ বছরে মাঝে মধ্যে ফোনে কথা হত বলে জানিয়েছেন।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe