পুলিশের গাড়ি করে মনোনয়ন কেন্দ্রে গিয়েছিলেন তৃণমূল নেতা। এই বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের নজরে আসতেই সাসপেন্ড করা হল পুলিশ আধিকারিককে। রিপোর্ট অনুযায়ী, নৈহাটি থানার গাড়ি করে মনোনয়ন কেন্দ্রে গিয়েছিলেন তৃণমূল নেতা তথা নৈহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান অশোক চট্টোপাধ্যায়। এই ঘটনার ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে পড়ে। এই বিতর্কের আবহে নৈহাটি থানার আইসি মহাবীর বেরাকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। তাঁর বদলে নৈহাটির নতুন আইসি হচ্ছেন প্রকাশ ধারা।

উল্লেখ্য, প্রথম দফার নির্বাচনের মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ছিল ৬ এপ্রিল। এই আবহে নৈহাটির বিদায়ী তৃণমূল বিধায়ক সনৎ দে নিজের মনোনয়ন জমা দিয়েছেন সোমবার। সেই সময় উপস্থিত ছিলেন নৈহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান অশোক চট্টোপাধ্যায়। জানা গিয়েছে, নৈহাটি থানার আইসি-র গাড়িতে করে এসডিও অফিসে গিয়েছিলেন অশোক। সেই গাড়িতে শুধু তিনি নন, সাংসদ পার্থ ভৌমিকের ভাই শেখর ভৌমিকও নাকি ছিলেন।
এই আবহে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়। বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং ভিডিয়োটি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন এবং পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। সেই পোস্টে অর্জুন লেখেন, 'নির্বাচন কমিশন চেষ্টা করছে যাতে পুলিশ সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে কাজ করে, কিন্তু অভ্যাস তো অভ্যাসই। নৈহাটির পুরসভার চেয়ারম্যান এবং তৃণমূল নেতা অশোক চট্টোপাধ্যায়কে ব্যারাকপুরের এসডিও অফিসে দেখা গেল পুলিশের একটি গাড়ি থেকে নামতে। গাড়িটি নৈহাটি থানার। ব্যারাকপুর পুলিশের অধীনে। শ্রী অশোক চট্টোপাধ্যায় সেখানে গিয়েছিলেন নৈহাটির তৃণমূল প্রার্থীর মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে। আমি নির্বাচন কমিশন এবং মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। যাতে পুলিশের গাড়ি অপব্যবহার করা থেকে বিরত থাকেন তৃণমূল নেতারা।' এই অভিযোগের পরে নির্বাচন কমিশন বিষয়টি খতিয়ে দেখে এবং পরে নৈহাটি থানার আইসি-কে সাসপেন্ড করা হয়।