...
...
Next Story

Nakhoda Masjid Imam: 'মুসলিমদের কাছে আবেদন গরু খাবেন না, তাতে হিন্দু ভাইদেরই লোকসান হবে'

রাস্তায় নমাজ আদায় থেকে শুরু করে আজানের মাইকিং এবং গোহত্যা নিয়েও বিভিন্ন নিয়ম কার্যকর করা হয়েছে। এই বিষয়গুলি নিয়ে এবার মুখ খুললেন নাখোদা মসজিদের ইমাম মওলানা মহম্মদ শফিক কাসমি। তাঁর কথায়, সবার জন্য আইন সমান হওয়া উচিত। তিনি পূর্বতন সরকারদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

Published on: May 17, 2026, 14:28:31 IST
Advertisement

রাজ্যে নতুন সরকার আসতেই বিভিন্ন ক্ষেত্রে কার্যকর করা হয়েছে কঠোর নিয়ম এবং আইন। এই আবহে রাস্তায় নমাজ আদায় থেকে শুরু করে আজানের মাইকিং এবং গোহত্যা নিয়েও বিভিন্ন নিয়ম কার্যকর করা হয়েছে। এই বিষয়গুলি নিয়ে এবার মুখ খুললেন নাখোদা মসজিদের ইমাম মওলানা মহম্মদ শফিক কাসমি। তাঁর কথায়, সবার জন্য আইন সমান হওয়া উচিত। তিনি পূর্বতন সরকারদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। বলেন, মুসলিমদের এর আগে কংগ্রেস, সিপিএম, তৃণমূল শুধু ভোটব্যাঙ্ক হিসেবে ব্যবহার করেছে।

মুখ খুললেন নাখোদা মসজিদের ইমাম মওলানা মহম্মদ শফিক কাসমি (PTI)
মুখ খুললেন নাখোদা মসজিদের ইমাম মওলানা মহম্মদ শফিক কাসমি (PTI)

মওলানা মহম্মদ শফিক কাসমি বলেন, 'যে সরকার এখন এসেছে, কুরবানি নিয়ে যে আইন কার্যকর করা হয়েছে, সেটা এই সরকার বানায়নি। ১৯৫০ সালে এই আইন তৈরি হয়েছিল। এর আগে এখানে যে সরকার ছিল, কংগ্রেসের, বামেদের, তৃণমূলের, তারা শুধু মুসলিমদের ললিপপ দিয়েছে, শুধু ভোট নিয়েছে আর তাদের গরু খাওয়ার লাইসেন্স দিয়ে দিয়েছে। এখন বিজেপি এসেছে, তারা সেই আইন কার্যকর করছে। বড় যে জীব আছে, তাদের জবাইয়ের আগে সার্টিফিকেট জোগাড় করতে হবে, আর জবাই কসাইখানায় করতে হবে। এই নিয়ম ছিল। সেগুলিই কার্যকর করা হচ্ছে। তবে এই সব জানোয়ারদের সার্টিফিকেট দেওয়ার দায়িত্ব তো সরকারের। জায়গায় জায়গায় কসাইখানা বানিয়ে দেওয়া উচিত ছিল।'

এরপর তিনি আরও বলেন, 'আমি রাজ্যের সব মুসলিমদের কাছে আবেদন করব, আপনারা গরু খাবেন না, গরু জবাই করবেন না। এতে লোকসান হিন্দু ভাইদের। কারণ গরু তো বিক্রি করে হিন্দুরা। ঘোষ-যাদবরা ২৫ হাজারের গরু ইদের সময় লাখ টাকায় বিক্রি করে। আমি তো মুসলিমদের বলব, গরু খাবেন না। বরং ছাগল কিনুন। মুসলিমরা ছাগল পালন করে। তাহলে ছাগল কিনলে মুসলিমদের লাভ হবে।'

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe