...
...
Next Story

WB Local Train Routes Kavach: লোকাল ট্রেনের রুটেও 'কবচ'! নামখানা, কৃষ্ণনগর-সহ বাংলার ১৫ লাইনে বসছে? রইল তালিকা

লোকাল ট্রেনের রুটেও 'কবচ' প্রযুক্তি বসছে। নামখানা, কৃষ্ণনগর-সহ বাংলার ১৫ লাইনে বসছে সেই প্রযুক্তি। যে প্রযুক্তির ফলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা কমে যায়। কোন কোন রুটে কবচ প্রযুক্তি বসানোর সিদ্ধান্তে অনুমোদন দেওয়া হল? দেখে নিন তালিকা।

Published on: Jan 15, 2026, 21:51:16 IST
Advertisement

হাওড়া, সাঁতরাগাছি, বেলুড়, তারকেশ্বর, লক্ষ্মীকান্তপুর, রামপুর, বিষ্ণপুর, বালিগঞ্জ, কৃষ্ণনগর, আমঘাটা, লালগোলা থেকে অন্ডাল - পূর্ব রেলের ১৫টি সেকশনে ‘কবচ’ প্রযুক্তি বসতে চলেছে। ইতিমধ্যে সেই প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে রেল মন্ত্রক। রেল সূত্রে খবর, পূর্ব রেলের আওতাধীন ৪৪৩ কিলোমিটার রুটে 'কবচ' (অটোমেটিক ট্রেন প্রোটেকশন) প্রযুক্তি বসানোর অনুমোদন চলে এসেছে। সেজন্য খরচ হবে ২২৩.৮৩ কোটি টাকা। প্রাথমিকভাবে সেই মর্মে রেলওয়ে বোর্ডের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল। তাতে অনুমোদন দিয়েছেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। সবথেকে বড় ব্যাপার যে রুটগুলিতে ‘কবচ’ প্রযুক্তি বসানো হচ্ছে, সেখান থেকে প্রচুর লোকাল ট্রেন যাতায়াত করে। বিশেষত লক্ষ্মীকান্তপুর-নামখানা, কৃষ্ণনগর জংশন-আমঘাটার মতো অংশে লোকাল ট্রেন চলাচল করে মূলত। অর্থাৎ লোকাল ট্রেন আরও সুরক্ষিত হতে চলেছে।

পূর্ব রেলের কোন কোন অংশে 'কবচ' বসতে চলেছে?

পূর্ব রেলের ১৫টি সেকশনে ‘কবচ’ প্রযুক্তি বসতে চলেছে। মিলল রেল মন্ত্রকের অনুমোদন। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে Indian Railways)
পূর্ব রেলের ১৫টি সেকশনে ‘কবচ’ প্রযুক্তি বসতে চলেছে। মিলল রেল মন্ত্রকের অনুমোদন। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে Indian Railways)

১) হাওড়া-সাঁতরাগাছি।

২) লিলুয়া-বেলুড় মঠ।

৩) তারকেশ্বর-গোঘাট।

৪) ময়নাপুর-বিষ্ণুপুর।

৫) রামপুরহাট-দুমকা।

৬) আজিমগঞ্জ-মুর্শিদাবাদ।

৭) লক্ষ্মীকান্তপুর-নামখানা।

৮) কাঁকুড়গাছি-বালিগঞ্জ।

৯) কল্যাণী-কল্যাণী সীমান্ত।

১০) কৃষ্ণনগর জংশন-আমঘাটা।

১১) কৃষ্ণনগর সিটি-লালগোলা।

১২) মুর্শিদাবাদ-আজিমগঞ্জ।

১৩) আসানসোল-বার্নপুর।

১৪) বরাচক-হীরাপুর।

১৫) বক্তারনগর-অন্ডাল।

'কবচ' প্রযুক্তি থাকলে কী সুবিধা হবে?

কবচ হল ভারতের দেশীয় প্রযুক্তি। যা অত্যন্ত প্রযুক্তি-নির্ভর অটোমেটিক ট্রেন প্রোটেকশন সিস্টেম। ওই সিস্টেমের ফলে ট্রেন চলাচল অনেক বেশি সুরক্ষিত হয়ে যাবে। চালকদের ট্রেন চালানোর সময় পরামর্শ দেয়। যদি সেই শর্ত মেনে না চলেন লোকো পাইলট, তাহলে নিজে থেকেই ব্রেক কষে ট্রেন থামিয়ে দেয়। ফলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি কার্যত থাকে না। সেজন্য ভারতের বিভিন্ন রুটে কবচ প্রযুক্তি বসানোর কাজ চলছে।

হাওড়া-নয়াদিল্লি রুটেও চলছে কবচ বসানোর কাজ

যেমন নয়াদিল্লি-হাওড়া এবং নয়াদিল্লি-মুম্বই রুটে কবচ প্রযুক্তি বসানোর কাজ চলছে। ২০২৪ সালের ৭ অগস্ট রেল মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছিল যে ২০২৫ সালের মার্চের মধ্যেই নয়াদিল্লি-হাওড়া এবং নয়াদিল্লি-মুম্বই রুটে কবচ প্রযুক্তি বসানোর কাজ শেষ হয়ে যাবে। তবে বাজেটের নথিতে ২০২৫ সালের ১ ফেব্রুয়ারি সেই ডেডলাইন পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল। বলা হয়েছিল যে চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই পুরো কাজ শেষ হয়ে যাবে। কিন্তু সেই সময়সীমাও পূরণ করা সম্ভব হয়নি। সূত্র উদ্ধৃত করে সংবাদসংস্থা পিটিআইয়ের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে এখন নয়া সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০২৬ সালের মধ্যে সেই কাজটা সম্পূর্ণ করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন আধিকারিকরা।

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe