Bengal 17 New Railways Lines Revive: এগরা, সিউড়ি, বোয়াইচণ্ডী, রায়গঞ্জ থেকে ইটাহার- নয়া 'জীবন' পেল বাংলার ১৭ রেললাইন
Bengal 17 New Railways Lines Revive: নয়া 'জীবন' পেল বাংলার ১৭ রেললাইন। যে তালিকায় পুরুলিয়া, বোয়াইচণ্ডী, নন্দীগ্রাম, এগরা, বাগদা, ইটাহার, আরামবাগ, রায়গঞ্জের মতো রেললাইন আছে। যা জমিজটের কারণে আটকে ছিল বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব।
Bengal 17 New Railways Lines Revive: পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতা আসতেই নতুন করে ‘প্রাণ’ পেল ১৭টি রেললাইন প্রকল্প। সংসদে লিখিত জবাবে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছেন, অতীতে রাজ্য সরকারের অসহযোগিতা, জমি অধিগ্রহণে সমস্যার কারণে একাধিক রেললাইন প্রকল্পের কাজ থমকে ছিল। কিন্তু সাধারণ মানুষের দাবি মেনে সরকার পরিবর্তনের পরে ১৭টি রেললাইন প্রকল্প নিয়ে নতুন করে কাজ শুরু করা হবে। যে তালিকায় প্রান্তিক থেকে শুরু করে নন্দীগ্রাম, বোয়াইচণ্ডী, এগরা, আরামবাগ, ইটাহার, রায়গঞ্জ, বাগদা, পুরুলিয়ার মতো জায়গা আছে।

কোন ১৭টি রেললাইন প্রকল্পের কথা বলেছেন রেলমন্ত্রী?
১) প্রান্তিক–সিউড়ি (৩৪ কিমি)
২) বনগাঁ–পোড়ামহেশতলা (২০ কিমি)
৩) বনগাঁ–চাঁদবাজার (১২ কিমি)
৪) চাঁদবাজার–বাগদা (১৪ কিমি)
৫) রানাঘাট (আড়ংঘাটা)–দত্তপুলিয়া (৮ কিমি)
৬) কাঁথি–এগরা (২৬ কিমি)
৭) নন্দকুমার–বালাইপান্ডা (২৮ কিমি)
৮) নন্দীগ্রাম–কান্দিয়ামারী (নয়াচর) (৭ কিমি)
৯) বোয়াইচণ্ডী–আরামবাগ (৩১ কিমি)
১০) বোয়াইচণ্ডী–খানা (২৪ কিমি)
১১) বাঁকুড়া (কালাবাতি)–পুরুলিয়া (হুড়া হয়ে) (৬৫ কিমি)
১২) রায়গঞ্জ–ইটাহার (২২ কিমি)
১৩) গাজোল–ইটাহার (২৭ কিমি)
১৪) ইটাহার–বুনিয়াদপুর (২৭ কিমি)
১৫) চালসা–নকশাল (২০ কিমি)
১৬) রাজাভাতখাওয়া–জয়ন্তীয়া (১৫ কিমি)
১৭) রায়গঞ্জ–ডালখোলা (৪৩ কিমি)
মোট ৪২৩ কিমি দৈর্ঘ্যের রেললাইন
রেল মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, সবমিলিয়ে ওই ১৭টি রেললাইন প্রকল্পের মোট দৈর্ঘ্য ৪২৩ কিলোমিটারের মতো। বিষয়টি নিয়ে বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য বলেন, '৪২৩ কিলোমিটার নতুন রেললাইনের কাজ এখন পুনরায় শুরু করা হচ্ছে। যার অনেকগুলোই জমি অধিগ্রহণ ও রাজ্য সরকারের সহযোগিতার অভাবে বছরের পর বছর ধরে আটকে ছিল।'
শিয়ালদা ডিভিশন পরিদর্শন পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজার
তারইমধ্যে শনিবার শিয়ালদা ডিভিশনের পরিদর্শন সারেন পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজার গীতিকা পাণ্ডে। পূর্ব রেলের তরফে জানানো হয়েছে, শিয়ালদা স্টেশন পরিদর্শনের সমযয় জেনারেল ম্যানেজার ব্যক্তিগতভাবে পুরো এলাকায় যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্য, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং সুরক্ষার মূল্যায়ন করেন। লোকো পাইলট এবং সহকারী লোকো পাইলটদের বুকিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখেন। আবার কল্যাণী পৌঁছানোর পরে তিনি অমৃত ভারত স্টেশন প্রকল্পের অধীনে চলমান রূপান্তরের কাজগুলি পরিদর্শন করেন। তাঁর পর্যালোচনার অন্তর্ভুক্ত ছিল ফুট ওভারব্রিজ নির্মাণ, গাড়ি পার্কিংয়ের সম্প্রসারণ, যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্য, আধুনিকীকৃত স্টেশন সম্মুখভাগ এবং যাত্রী মিথস্ক্রিয়া অঞ্চল।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


