Narendra Modi raises concern on JU: বাংলায় শেষ ও দ্বিতীয় দফা ভোটের আগে শুক্রবার রাজ্যে একের পর এক ঝোড়ো প্রচার সভায় যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বারুইপুরের সভা থেকে এদিন বক্তব্যের শুরুতেই তিনি পেয়ারার প্রসঙ্গ তোলেন। এদিকে, যাদবপুরের সভা থেকে মোদীর ভাষণে উঠে আসে যাদবপুর বিশ্ববিদ্য়ালয়ের প্রসঙ্গ। বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে একাধিক বার্তা দেন মোদী।

এদিন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে বলতে গিয়ে নরেন্দ্র মোদী বলেন,'যাদবপুরের ক্যাম্পাসের ভিতরে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। দেওয়ালে দেশবিরোধী কথাবার্তা লেখা হচ্ছে। ছাত্রদের মিছিলে হাঁটতে বাধ্য করা হচ্ছে। পড়াশোনা হচ্ছে না।' প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে বলেন,'আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বাঁচাতে চাই। যে সরকার নিজের রাজ্যের সবচেয়ে বড় শিক্ষাকেন্দ্র বাঁচাতে পারে না, তারা রাজ্যের ভবিষ্যৎ কী বাঁচাবে?' তিনি বলেন, 'একসময় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম বিশ্বে সম্মানের সঙ্গে নেওয়া হত। জাতীয়তাবাদের প্রেক্ষাপটে এই বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি হয়েছিল।'
এছাড়াও এদিনের বক্তব্যে তিনি অনুপ্রবেশকারীদের নিয়েও কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে বলেন, ' ১৫ বছরে পশ্চিমবঙ্গের পরিচিতি তছনছ করে দিয়েছে তৃণমূল। অনুপ্রবেশকারীরা এখানকার বাসিন্দাদের রোজগার ছিনিয়ে নিচ্ছেন। এখানকার যুবকদের নিজেদের ঘর ছেড়ে রোজগারের খোঁজে বাইরে পালাতে হচ্ছে।' এরইসঙ্গে তিনি বলেন,'এই সমস্যার সমাধান তখনই হবে, যখন তৃণমূল পুরোপুরি চলে যাবে আর বিজেপি আসবে।' এদিনের বিজেপির সভায় বড় দাবি করে মোদী বলেন, 'কয়েকটি জেলায় তৃণমূল খাতাও খুলতে পারবে না। প্রথম দফা থেকে এটা নিশ্চিত। দ্বিতীয় দফায় এই রেকর্ডও ভেঙে দিতে হবে। তৃণমূলের হারে সিলমোহর লাগাতে হবে।' উল্লেখ্য, চলতি বছরের বিধানসভা ভোটে বাংলায় প্রথম দফায় রেকর্ড ভোট হয়েছে। গত কয়েক দশকের রেকর্ড ভেঙে চুরমার করে বাংলায় প্রথম দফায় ভোট ৯২ শতাংশ পার করেছে। যা নিঃসন্দেহে বড় ঘটনা। ইতিমধ্যেই শাসকদল তৃণমূল মনে করছে, এই বিপুল পরিমাণ ভোট তাদের পক্ষে গিয়েছে। বিপক্ষের বিজেপি মনে করছে, ভোট পড়েছে গেরুয়া শিবিরের সপক্ষে। এরই মাঝে মোদী এদিনের সভা থেকে বলেন,' বাম্পার ভোটদান হয়েছে। স্বাধীনতার পর থেকে এমন দেখা যায়নি, যা পশ্চিমবঙ্গের মানুষ করে দেখিয়েছেন। সর্বত্র এটা নিয়েই আলোচনা চলছে যে, বিজেপি কত ভোটে জিতবে। সকলে নির্ভয়ে বিজেপির পাশে দাঁড়িয়েছেন।'