...
...
Next Story

Modi Eats Jhalmuri: হঠাৎই থমকে গেল PMর কনভয়! ঝাড়গ্রামে ঝালমুড়ির দোকানে ঢুকলেন মোদী, এরপর…

Modi Eats Jhalmuri: এভাবে নরেন্দ্র মোদীকে দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা ভিড় করে আসেন। অনেকের হাতেই দেখা যায় ফোন ক্যামেরা অন করে, ঘটনা ভিডিয়ো করার উদ্যোগ।

Published on: Apr 19, 2026, 18:44:26 IST
Advertisement

Narendra Modi in Jhargram: রবিবার জঙ্গলমহলের চার জায়গায় প্রচারাভিযানে পৌঁছন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেখানে ঝাড়গ্রামে সভা শেষে হঠাৎই মাঝ রাস্তায় থমকে যায় নরেনদ্র মোদীর কনভয়। কনভয় থেকে হঠাৎই নামতে দেখা যায় প্রধানমন্ত্রী মোদীকে। রাস্তার ধারে থাকা অক ঝালমুড়ির দোকানে সোজা চলে যান মোদী। এরপর, হাতে ঠোঙা নিয়ে তা থেকে ঝাল মুড়ি মুঠোয় নিয়ে মুখে তুলতে ভুললেন না মোদী!

হঠাৎই থমকে গেল PMর কনভয়! ঝাড়গ্রামে ঝালমুড়ির দোকানে ঢুকলেন মোদী, এরপর…. (@narendramodi/X via PTI Photo)(PTI04_19_2026_000352B) (@narendramodi)
হঠাৎই থমকে গেল PMর কনভয়! ঝাড়গ্রামে ঝালমুড়ির দোকানে ঢুকলেন মোদী, এরপর…. (@narendramodi/X via PTI Photo)(PTI04_19_2026_000352B) (@narendramodi)

গরম হোক বা শীতকাল। মরশুম যেমনই হোক। বাংলায় ঝালমুড়ির জনপ্রিয়তা সব মরশুমে সমান। মুড়ি, তেল, লঙ্কা, চানাতুর সহযোগে, বাংলার নানান প্রান্তে নানান রেসিপিতে বানানো হয়ে থাকে এই ঝালমুড়ি। বহু আড্ডার ঠেকেই হালকা মেজাজ হোক বা মেজাজ গম্ভীর হোক, মুঠোভর্তি ঝালমুড়ি বাঙালিকে আলাদা তৃপ্তি দেয়। সেই ঝালমুড়ির স্বাদ এবার চেখে দেখলেন নরেন্দ্র মোদী।

ঝাড়গ্রাম মূলত আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকা। সেখানের রাস্তায় নেমে, ঝালমুড়ির দোকানে এই মুড়ির মুঠোবন্দি করে মুখে তুলে নিতে দেখা গেল প্রধানমন্ত্রীকে। এভাবে নরেন্দ্র মোদীকে দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা ভিড় করে আসেন। অনেকের হাতেই দেখা যায় ফোন ক্যামেরা অন করে, ঘটনা ভিডিয়ো করার উদ্যোগ। ওদিকে, প্রধানমন্ত্রী একা এই ঝালমুড়ি খাননি। আশপাশে অনেককেই মুড়ি খাওয়ান তিনি। ঝালমুড়ি খাওয়ার পর দোকানদারকে টাকা দিতে যান মোদী। টাকা নিতে দ্বিধা করেন দোকানে থাকা বিক্রম। মোদী বলেন, ‘এসব হয় না’। ১০ টাকার ঝালমুড়ি কেনেন মোদী। এদিকে, ঝালমুড়ি বানানোর সময় দোকানে থাকা বিক্রম জিজ্ঞাসা করেন, প্রধানমন্ত্রী ঝালমুড়িতে পেঁয়াজ খাবেন কি না! উত্তরে মজার ছলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ সির্ফ দিমাগ নেহি খাতে হ্যায় (শুধু মাথা খাই না)!’

এদিকে, আজ বাঁকুড়ার সভা থেকে তৃণমূলের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানাতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, ‘নিজের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, বাংলায় বিজেপিই ক্ষমতায় আসতে চলেছে। ৪ মে-র পর বিজেপিরই সরকার গঠন হবে বাংলায়।’ তিনি এদিনের সভায় বলেন,'বাংলার জনতা হলো বাঘ। এই জনতা ফুঁসছে, আর সহ্য করবে না। নির্মম সরকার হঠাতে তারা বদ্ধপরিকর। এখন বদল চাই। সব সিন্ডিকেট, গুন্ডাদের শেষ বার বলছি, ২৯ এপ্রিলের আগে নিজের নিজের থানায় আত্মসমর্পণ করুন। খুব ভালো হয়, যদি ২৩ তারিখের আগে করেন। কারণ, ৪ মের পরে কেউ বাঁচবে না। বিষ্ণুপুরের মাফিয়া, কয়লা পাচারকারী, সিন্ডিকেট কান খুলে শুনুন, এ সব চলবে না।'

 
ABOUT THE AUTHOR
Sritama Mitra

শ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe