Narendra Modi in Jhargram: রবিবার জঙ্গলমহলের চার জায়গায় প্রচারাভিযানে পৌঁছন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেখানে ঝাড়গ্রামে সভা শেষে হঠাৎই মাঝ রাস্তায় থমকে যায় নরেনদ্র মোদীর কনভয়। কনভয় থেকে হঠাৎই নামতে দেখা যায় প্রধানমন্ত্রী মোদীকে। রাস্তার ধারে থাকা অক ঝালমুড়ির দোকানে সোজা চলে যান মোদী। এরপর, হাতে ঠোঙা নিয়ে তা থেকে ঝাল মুড়ি মুঠোয় নিয়ে মুখে তুলতে ভুললেন না মোদী!

গরম হোক বা শীতকাল। মরশুম যেমনই হোক। বাংলায় ঝালমুড়ির জনপ্রিয়তা সব মরশুমে সমান। মুড়ি, তেল, লঙ্কা, চানাতুর সহযোগে, বাংলার নানান প্রান্তে নানান রেসিপিতে বানানো হয়ে থাকে এই ঝালমুড়ি। বহু আড্ডার ঠেকেই হালকা মেজাজ হোক বা মেজাজ গম্ভীর হোক, মুঠোভর্তি ঝালমুড়ি বাঙালিকে আলাদা তৃপ্তি দেয়। সেই ঝালমুড়ির স্বাদ এবার চেখে দেখলেন নরেন্দ্র মোদী।
ঝাড়গ্রাম মূলত আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকা। সেখানের রাস্তায় নেমে, ঝালমুড়ির দোকানে এই মুড়ির মুঠোবন্দি করে মুখে তুলে নিতে দেখা গেল প্রধানমন্ত্রীকে। এভাবে নরেন্দ্র মোদীকে দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা ভিড় করে আসেন। অনেকের হাতেই দেখা যায় ফোন ক্যামেরা অন করে, ঘটনা ভিডিয়ো করার উদ্যোগ। ওদিকে, প্রধানমন্ত্রী একা এই ঝালমুড়ি খাননি। আশপাশে অনেককেই মুড়ি খাওয়ান তিনি। ঝালমুড়ি খাওয়ার পর দোকানদারকে টাকা দিতে যান মোদী। টাকা নিতে দ্বিধা করেন দোকানে থাকা বিক্রম। মোদী বলেন, ‘এসব হয় না’। ১০ টাকার ঝালমুড়ি কেনেন মোদী। এদিকে, ঝালমুড়ি বানানোর সময় দোকানে থাকা বিক্রম জিজ্ঞাসা করেন, প্রধানমন্ত্রী ঝালমুড়িতে পেঁয়াজ খাবেন কি না! উত্তরে মজার ছলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ সির্ফ দিমাগ নেহি খাতে হ্যায় (শুধু মাথা খাই না)!’
২৩ এপ্রিল বাংলায় প্রথম দফার ভোট। তার আগে, এদিন ঝাড়গ্রামে এই ঝালমুড়ি দিয়ে কার্যত জনসংযোগ সারেন মোদী। এদিকে, ঝাড়গ্রামে বিক্রম সাউ নামে মালিকের চবনলাল স্পেশাল ঝালমুড়ির দোকান ঘিরে তখন হইচই। সকলেই প্রধানমন্ত্রীকে দেখতে ব্যস্ত। সব মিলিয়ে এই দিন এমন দৃশ্য ঘিরে রীতিমতো শোরগোল পড়ে যায় ঝাড়গ্রামে। উল্লেখ্য, আপাতত গোটা বাংলা তাকিয়ে ২৩ এপ্রিলের প্রথম দফার ভোটের দিকে।
{{/usCountry}}২৩ এপ্রিল বাংলায় প্রথম দফার ভোট। তার আগে, এদিন ঝাড়গ্রামে এই ঝালমুড়ি দিয়ে কার্যত জনসংযোগ সারেন মোদী। এদিকে, ঝাড়গ্রামে বিক্রম সাউ নামে মালিকের চবনলাল স্পেশাল ঝালমুড়ির দোকান ঘিরে তখন হইচই। সকলেই প্রধানমন্ত্রীকে দেখতে ব্যস্ত। সব মিলিয়ে এই দিন এমন দৃশ্য ঘিরে রীতিমতো শোরগোল পড়ে যায় ঝাড়গ্রামে। উল্লেখ্য, আপাতত গোটা বাংলা তাকিয়ে ২৩ এপ্রিলের প্রথম দফার ভোটের দিকে।
{{/usCountry}}এদিকে, আজ বাঁকুড়ার সভা থেকে তৃণমূলের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানাতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, ‘নিজের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, বাংলায় বিজেপিই ক্ষমতায় আসতে চলেছে। ৪ মে-র পর বিজেপিরই সরকার গঠন হবে বাংলায়।’ তিনি এদিনের সভায় বলেন,'বাংলার জনতা হলো বাঘ। এই জনতা ফুঁসছে, আর সহ্য করবে না। নির্মম সরকার হঠাতে তারা বদ্ধপরিকর। এখন বদল চাই। সব সিন্ডিকেট, গুন্ডাদের শেষ বার বলছি, ২৯ এপ্রিলের আগে নিজের নিজের থানায় আত্মসমর্পণ করুন। খুব ভালো হয়, যদি ২৩ তারিখের আগে করেন। কারণ, ৪ মের পরে কেউ বাঁচবে না। বিষ্ণুপুরের মাফিয়া, কয়লা পাচারকারী, সিন্ডিকেট কান খুলে শুনুন, এ সব চলবে না।'