...
...
Next Story

Narendra Modi speech in Taherpur: 'বঙ্কিমবাবু' সম্বোধনে সৌগতর পরামর্শ মনে রাখলেন মোদী, SIR-অনুপ্রবেশ নিয়ে তোপ TMC-কে

মোদী বলেন, ‘এখানে স্লোগান ওঠা উচিত- গো ব্যাক অনুপ্রবেশকারী। তবে এখানে মোদী গো ব্যাকের স্লোগান ওঠে। এটাই টিএমসির আসল চেহারা। তারা অনুপ্রবেশকারীদের বাঁচানোর জন্যেই এসআইআরের বিরোধিতা করছে পশ্চিমবঙ্গে।’

Published on: Dec 20, 2025, 13:51:53 IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

আজ 'জয় নিতাই' বলে নিজের বক্তব্যের সূচনা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ঘন কুয়াশার জন্য সভাস্থলে না থাকতে পারায় প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এদিকে সকালের ট্রেন দুর্ঘটনায় বিজেপি সমর্থকদের মৃত্যুতেও শোকজ্ঞাপন করেন প্রধানমন্ত্রী। মোদী আজ বলেন, 'নদিয়া সেই ভূমি, যেখানে চৈতন্যদেবের জন্ম হয়েছে। তাঁর বাণী এখানে জীবিত রয়েছে। সমাজকল্যাণের এই নৌকাকে মতুয়ারা আগে নিয়ে গিয়েছেন। হরিচাঁদ ঠাকুর, গুরুচাঁদ ঠাকুর এগিয়ে নিয়ে গিয়েছেন। বড়মা মাতৃত্ব বর্ষণ করেছেন।'

সভাস্থলে না থাকতে পারায় প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। (DPR PMO)
সভাস্থলে না থাকতে পারায় প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। (DPR PMO)

প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'বাংলা ভূমি, বাংলা ভাষা ভারতের সংস্কৃতিকে সবসময় সমৃদ্ধ করেছে। বন্দে মাতরমও তারই উদাহরণ। সম্প্রতি সংসদে বন্দে মাতরমের গুণগান করা হয়েছে। ঋষি বঙ্কিমবাবু পরাধীন ভারতে স্বাধীনতার মন্ত্রি দিয়েছিলেন বন্দে মাতরমের রূপে। এখন এই বন্দে মাতরম হবে বিকশিত ভারতের মন্ত্র।' উল্লেখ্য, এর আগে সংসদে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে 'বঙ্কিমদা' বলে সম্বোধন করেছিলেন। তবে সেই সময় সৌগত রায় এর প্রতিবাদ করে বলেছিলেন, 'অন্তত বঙ্কিমবাবু বলে সম্বোধন করুন'। আর সৌগতর সেই কথা মনে রেখেই এবার জনসভায় 'বঙ্কিমবাবু' সম্বোধন করেন মোদী।

'গতমাসেই বিহার উন্নয়নের জন্য এনডিএ-কে বেছে নিয়েছিল। আর সেই সময় আমি বলেছিলাম, গঙ্গামা বিহার হয়েই বাংলায় পৌঁছায়। তাই বাংলায় বিজেপির জয়ের পথ তৈরি করেছে বিহারই। পশ্চিমবঙ্গে যে মহাজঙ্গলরাজ চলছে, তা থেকে মুক্তি পেতে হবে।' এরপর তিনি নয়া স্লোগান তোলেন, 'বাঁচতে চাই, বিজেপি তাই'। এরপর তিনি বলেন, 'বাংলার জন্য আমি অনেক কিছু করতে চাই। কিন্তু এখানে এমন সরকার আছে, যারা শুধু কাটমনিতে আটকে থাকে। এখনও বাংলার বহু প্রকল্প আটকে আছে। আমি তাই বাংলার মানুষের সামনে আমার দুঃখের কথা শোনাতে চাই। টিএমসিকে বিজেপির বিরোধিতা করতে হলে করুক। তবে আমি এটা বুঝি না, পশ্চিমবঙ্গের বিকাশকে কেন আটকে দেওয়া হচ্ছে। মোদীর বিরোধ করতে হলে করুক, কিন্তু বাংলাকে বঞ্চিত করবেন না।'

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe