Sarsuna incident: অপরাধের তদন্ত ও পুনর্নির্মাণের নামে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে এবার সরাসরি প্রশ্ন তুলল জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। বেহালার সরশুনা এলাকায় চাঞ্চল্যকর একটি ঘটনার পর অভিযুক্তদের পুলিশের উপস্থিতিতেই অর্ধনগ্ন করে রাস্তায় হাঁটানোর ঘটনায় তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (NHRC)। এই ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে হস্তক্ষেপ করে সরাসরি কলকাতার পুলিশ কমিশনার (সিপি) অজয় নন্দকে নোটিস পাঠিয়েছে কমিশন। আগামী দুই সপ্তাহে মধ্যে এ বিষয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করা হয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত একটি পারিবারিক সংঘাতকে কেন্দ্র করে। জানা গিয়েছে, গত ২৭ অক্টোবর এক নাবালিকা কিশোরীর সঙ্গে তার প্রেমিক আর বন্ধুকে দেখতে পেয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে মেয়েটির পরিবার। অভিযোগ, সেখানে ওই দুই যুবককে চরম মারধর ও অপমান করা হয়। কিশোরীর পরিবারের সদস্যরা প্রথমে ওই তরুণ ও তাঁর বন্ধুকে আটকে বেধড়ক মারধর করে বলে অভিযোগ। এমনকী যুবকের বাবাকে ডেকে এনে তাঁকেও শারীরিক নিগ্রহ করা হয় বলে অভিযোগ। অভিযোগ ওঠে, শুধু মারধরই নয়, আগ্নেয়াস্ত্রের মুখে ওই তরুণ, তাঁর বন্ধু এবং ওই তরুণের বাবাকে বিবস্ত্র করে রাস্তায় হাঁটাতে বাধ্য করেছিল নাবালিকার পরিবার।
এই ঘটনায় পুলিশ পরবর্তীতে নাবালিকার বাবা, মা, মামা এবং তাদের এক বন্ধুকে গ্রেফতার করে। ধৃতদের নিয়ে পরদিন অপরাধের পুনর্নির্মাণে (Crime Scene Reconstruction) যায় পুলিশ। অভিযোগ, সেই সময় পুলিশের উপস্থিতিতে ৩ জন অভিযুক্তকে খালি গায়ে ও খালি পায়ে ১০০ মিটারের বেশি রাস্তা হাঁটিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এই অমানবিক ছবি সামনে আসতেই নড়েচড়ে বসে মানবাধিকার কমিশন। কমিশনের স্পষ্ট বক্তব্য, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করার দায়িত্ব যাদের কাঁধে, তাদের উপস্থিতিতে এমন অবমাননাকর ও নির্মম আচরণ কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এটি সংবিধান প্রদত্ত মৌলিক অধিকার এবং মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। এই পরিস্থিতিতে কলকাতার পুলিশ কমিশনারকে পাঠানো নোটিসে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার পাশাপাশি, এই ঘটনায় যুক্ত বা দায়িত্বপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তার পুঙ্খানুপুঙ্খ হিসাব তলব করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই যুবকের সঙ্গে কিশোরীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ওই সম্পর্কে আপত্তি ছিল কিশোরীর পরিবারের। লক্ষ্মীপুজোর সন্ধ্যায় বসুন্ধরা পার্ক এলাকায় দু’জন দেখা করতে গিয়েছিলেন। সেই সময় তাঁদের ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখে ফেলেন কিশোরীর মামা-সহ পরিবারের কয়েক জন সদস্য। এরপরই যুবক ও তাঁর এক বন্ধুকে আটকে রেখে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে সরশুনা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। তার আগেই কিশোরীর বাবা-সহ পরিবারের কয়েক জন সদস্য এলাকা ছেড়ে চলে যান বলে জানা যায়। পরে কিশোরীর মামাকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেন স্থানীয়রা। সোমবার সকালে যুবকের বাবা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে কিশোরীর বাবা, মা ও মামাকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ অভিযুক্তদের নিয়ে মঙ্গলবার ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। অপরাধের পুনর্নির্মাণ করে। সেই সময় যুবকের মামা ও বাবাকেও বিবস্ত্র করে, জুতো ছাড়া হাঁটানো হয়। ভিড়ে ভরে যায় এলাকা।
{{/usCountry}}প্রসঙ্গত, স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই যুবকের সঙ্গে কিশোরীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ওই সম্পর্কে আপত্তি ছিল কিশোরীর পরিবারের। লক্ষ্মীপুজোর সন্ধ্যায় বসুন্ধরা পার্ক এলাকায় দু’জন দেখা করতে গিয়েছিলেন। সেই সময় তাঁদের ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখে ফেলেন কিশোরীর মামা-সহ পরিবারের কয়েক জন সদস্য। এরপরই যুবক ও তাঁর এক বন্ধুকে আটকে রেখে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে সরশুনা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। তার আগেই কিশোরীর বাবা-সহ পরিবারের কয়েক জন সদস্য এলাকা ছেড়ে চলে যান বলে জানা যায়। পরে কিশোরীর মামাকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেন স্থানীয়রা। সোমবার সকালে যুবকের বাবা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে কিশোরীর বাবা, মা ও মামাকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ অভিযুক্তদের নিয়ে মঙ্গলবার ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। অপরাধের পুনর্নির্মাণ করে। সেই সময় যুবকের মামা ও বাবাকেও বিবস্ত্র করে, জুতো ছাড়া হাঁটানো হয়। ভিড়ে ভরে যায় এলাকা।
{{/usCountry}}