...
...
Next Story

Sarsuna incident: ঘটনার পুনর্নির্মাণে অভিযুক্তদের অর্ধনগ্ন করে হাঁটানো! সিপি-র রিপোর্ট তলব জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের

Sarsuna incident: গত ২৭ অক্টোবর এক নাবালিকা কিশোরীর সঙ্গে তার প্রেমিক আর বন্ধুকে দেখতে পেয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে মেয়েটির পরিবার। অভিযোগ, সেখানে ওই দুই যুবককে চরম মারধর ও অপমান করা হয়।

Published on: Oct 29, 2026, 20:30:26 IST
Advertisement

Sarsuna incident: অপরাধের তদন্ত ও পুনর্নির্মাণের নামে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে এবার সরাসরি প্রশ্ন তুলল জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। বেহালার সরশুনা এলাকায় চাঞ্চল্যকর একটি ঘটনার পর অভিযুক্তদের পুলিশের উপস্থিতিতেই অর্ধনগ্ন করে রাস্তায় হাঁটানোর ঘটনায় তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (NHRC)। এই ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে হস্তক্ষেপ করে সরাসরি কলকাতার পুলিশ কমিশনার (সিপি) অজয় নন্দকে নোটিস পাঠিয়েছে কমিশন। আগামী দুই সপ্তাহে মধ্যে এ বিষয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করা হয়েছে।

ঘটনার পুনর্নির্মাণে অভিযুক্তদের অর্ধনগ্ন করে হাঁটানো! সিপি-র রিপোর্ট তলব জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের (সৌজন্যে এক্স )
ঘটনার পুনর্নির্মাণে অভিযুক্তদের অর্ধনগ্ন করে হাঁটানো! সিপি-র রিপোর্ট তলব জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের (সৌজন্যে এক্স )

ঘটনার সূত্রপাত একটি পারিবারিক সংঘাতকে কেন্দ্র করে। জানা গিয়েছে, গত ২৭ অক্টোবর এক নাবালিকা কিশোরীর সঙ্গে তার প্রেমিক আর বন্ধুকে দেখতে পেয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে মেয়েটির পরিবার। অভিযোগ, সেখানে ওই দুই যুবককে চরম মারধর ও অপমান করা হয়। কিশোরীর পরিবারের সদস্যরা প্রথমে ওই তরুণ ও তাঁর বন্ধুকে আটকে বেধড়ক মারধর করে বলে অভিযোগ। এমনকী যুবকের বাবাকে ডেকে এনে তাঁকেও শারীরিক নিগ্রহ করা হয় বলে অভিযোগ। অভিযোগ ওঠে, শুধু মারধরই নয়, আগ্নেয়াস্ত্রের মুখে ওই তরুণ, তাঁর বন্ধু এবং ওই তরুণের বাবাকে বিবস্ত্র করে রাস্তায় হাঁটাতে বাধ্য করেছিল নাবালিকার পরিবার।

এই ঘটনায় পুলিশ পরবর্তীতে নাবালিকার বাবা, মা, মামা এবং তাদের এক বন্ধুকে গ্রেফতার করে। ধৃতদের নিয়ে পরদিন অপরাধের পুনর্নির্মাণে (Crime Scene Reconstruction) যায় পুলিশ। অভিযোগ, সেই সময় পুলিশের উপস্থিতিতে ৩ জন অভিযুক্তকে খালি গায়ে ও খালি পায়ে ১০০ মিটারের বেশি রাস্তা হাঁটিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এই অমানবিক ছবি সামনে আসতেই নড়েচড়ে বসে মানবাধিকার কমিশন। কমিশনের স্পষ্ট বক্তব্য, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করার দায়িত্ব যাদের কাঁধে, তাদের উপস্থিতিতে এমন অবমাননাকর ও নির্মম আচরণ কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এটি সংবিধান প্রদত্ত মৌলিক অধিকার এবং মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। এই পরিস্থিতিতে কলকাতার পুলিশ কমিশনারকে পাঠানো নোটিসে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার পাশাপাশি, এই ঘটনায় যুক্ত বা দায়িত্বপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তার পুঙ্খানুপুঙ্খ হিসাব তলব করা হয়েছে।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks