...
...
Next Story

National Junior Judo Championship 2026: ঘরের মাঠে পদক পেল না বাংলা, হাতছাড়া সুযোগ, জুডোয় দাপট মণিপুরের, প্রথম কারা?

টানটান উত্তেজনার মধ্যে দিয়ে শেষ হল জাতীয় জুনিয়র জুডো চ্যাম্পিয়নশিপ। হাওড়ার ডুমুরজলা ইন্ডোর স্টেডিয়ামে আয়োজিত এই চ্যাম্পিয়নশিপে চারটি সোনা জিতে প্রথম স্থানে আছে পঞ্জাব। তিনটি সোনা জিতে দ্বিতীয় স্থান দখল করেছে চণ্ডীগড়।

Published on: Jan 25, 2026, 20:58:53 IST
Advertisement

টানটান উত্তেজনার মধ্যে দিয়ে শেষ হল জাতীয় জুনিয়র জুডো চ্যাম্পিয়নশিপ। হাওড়ার ডুমুরজলা ইন্ডোর স্টেডিয়ামে আয়োজিত এই চ্যাম্পিয়নশিপে চারটি সোনা জিতে প্রথম স্থানে আছে পঞ্জাব। তিনটি সোনা জিতে দ্বিতীয় স্থান দখল করেছে চণ্ডীগড়। তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে আছে যথাক্রমে হরিয়ানা ও মণিপুর। এই চ্যাম্পিয়নশিপ থেকেই নির্বাচিত সেরা জুডোকাদের খেলো ইন্ডিয়ায় অংশগ্রহণের ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। জুডোকা স্কাউটিংয়ের দায়িত্বে ছিলেন অর্জুন পুরস্কারপ্রাপ্ত দুই জুডোকা তম্বি দেবী এবং এঙ্গম অনিতা চানু।

টানটান উত্তেজনার মধ্যে দিয়ে শেষ হল জাতীয় জুনিয়র জুডো চ্যাম্পিয়নশিপ।
টানটান উত্তেজনার মধ্যে দিয়ে শেষ হল জাতীয় জুনিয়র জুডো চ্যাম্পিয়নশিপ।

তবে বাংলার কপালে কোনও পদক জোটেনি। এই প্রসঙ্গে রাজ্য জুডো সংস্থার শীর্ষ কর্তা তমাল বন্দোপাধ্যায় জানিয়েছেন, পদক না আসলেও বাংলার জুডোকারা নিজেদের সেরাটা তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। পাশাপাশি আগামিদিনে বাংলার খেলোয়াড়দের জাতীয় পর্যায়ে আরও অভিজ্ঞতা বাড়ানোর উপরে জোর দিয়েছেন, যাতে জাতীয় স্তরে বাংলার পদক খরা কাটানো যায়।

তারইমধ্যে সকলের নজর ছিল লিমথই চানামবামের দিকে। গত বছরই বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের আসরে প্রথম ভারতীয় মহিলা হিসেবে পদক জিতেছিলেন মণিপুরের এই জুডোকা। দেশে ফিরে এটাই ছিল তাঁর প্রথম ঘরোয়া প্রতিযোগিতা। তাই তাঁর ম্যাচ ঘিরে প্রত্যাশার পারদ ছিল তুঙ্গে।

উল্লেখ্য, দীর্ঘ ১৫ বছর পরে সর্বভারতীয় স্তরের কোনও প্রতিযোগিতা আয়োজনের দায়িত্ব পেয়েছিল বাংলার জুডোর সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা। সারা দেশের ৩১টি রাজ্যে থেকে ৮০০ জন প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেন এই চ্যাম্পিয়নশিপে। চ্যাম্পিয়নশিপে ছেলেদের বিভাগে ৫৫ কেজি, ৬০ কেজি, ৬৬ কেজি ও ৭৩ কেজি ক্যাটাগরির মতো বিভিন্ন বিভাগে খেলা হয়। অন্যদিকে মেয়েদের বিভাগে ৪৪ কেজি, ৪৮ কেজি, ৫২ কেজি ও ৫৭ কেজি ক্যাটেগরির মতো বিভিন্ন বিভাগে হয়েছে খেলা।

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe