পশ্চিমবঙ্গে ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করা হয় ১৫ মার্চ। আর সেদিনই গভীর রাতে বড় পদক্ষেপ করল নির্বাচন কমিশন। বেনজির ভাবে রাজ্যের মুখ্যসচিব এবং স্বরাষ্ট্রসচিব পদে করা হল রদবদল। সরিয়ে দেওয়া হল মমতার নিয়োগ করা মুখ্যসচিব এবং স্বরাষ্ট্রসচিবকে। নির্দেশিকায় জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজ করতে পারবেন না মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী এবং স্বরাষ্ট্রসচিব জগদীশপ্রসাদ মীনা।

নন্দিনী চক্রবর্তীর জায়গায় রাজ্যের মুখ্যসচিব হিসেবে দুষ্মন্ত নারিওয়ালাকে নিয়োগ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের নয়া মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত ১৯৯৩ সালের ব্যাচের আইএএস আধিকারিক। আগে রাজ্য সরকারের উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতরের অতিরিক্ত মুখ্যসচিব পদে কর্মরত ছিলেন তিনি। এছাড়া সেচ, বিপর্যয় মোকাবিলা এবং অসামরিক প্রতিরক্ষা দফতরের দায়িত্বও সামলেছেন। জগদীশপ্রসাদ মীনার জায়গায় সংঘমিত্রা ঘোষকে স্বরাষ্ট্রসচিব করেছে কমিশন। সংঘমিত্রা ১৯৯৭ ব্যাচের পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারের আইএএস অফিসার। তিনি নারী ও শিশুকল্যাণ দফতরের প্রধান সচিব ছিলেন।
উল্লেখ্য, ১৫ মার্চ বিকেলে ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা হওয়ার পরেই রাজ্যে আদর্শ আচরণবিধি কার্যকর হয়ে গিয়েছে। এই সময়কালে নির্বাচন কমিশনের কাছে ক্ষমতা থাকে প্রশাসনিক রদবদলের। এর আগেও নির্বাচনের সময় পুলিশ সুপার বা কলকাতার কমিশনার বলের মতো নজির রয়েছে। কয়েক বছর আগে সরানো হয়েছিল রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিবকেও। ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটের সময়ে পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন স্বরাষ্ট্রসচিব অত্রি ভট্টাচার্যকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়েছিল কমিশন। তবে এভাবে মুখ্যসচিবকে সরানোর নজির সাম্প্রতিককালে অন্তত ঘটেনি।
উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী ২৩ এপ্রিল প্রথম দফায় ১৫২টি আসন ভোটগ্রহণ হবে পশ্চিমবঙ্গে। আর দ্বিতীয় দফায় ভোট হবে আগামী ২৯ এপ্রিল। সেদিন ভোট হবে ১৪২টি আসনে। অর্থাৎ গতবার যেখানে আট দফায় ২৯৪টি আসনে ভোটগ্রহণ হয়েছিল, এবার সেটা দু'দফায় মিটে যাবে। তারপর ভোটগণনা হবে আগামী ৪ মে। কমিশনের সূচি অনুযায়ী, প্রথম দফায় ভোট হবে কালিম্পং, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, দার্জিলিং, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদা, মুর্শিদাবাদ, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূমে। আর দ্বিতীয় দফায় নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা, হুগলি এবং পূর্ব বর্ধমানে ভোট হবে।
{{/usCountry}}উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী ২৩ এপ্রিল প্রথম দফায় ১৫২টি আসন ভোটগ্রহণ হবে পশ্চিমবঙ্গে। আর দ্বিতীয় দফায় ভোট হবে আগামী ২৯ এপ্রিল। সেদিন ভোট হবে ১৪২টি আসনে। অর্থাৎ গতবার যেখানে আট দফায় ২৯৪টি আসনে ভোটগ্রহণ হয়েছিল, এবার সেটা দু'দফায় মিটে যাবে। তারপর ভোটগণনা হবে আগামী ৪ মে। কমিশনের সূচি অনুযায়ী, প্রথম দফায় ভোট হবে কালিম্পং, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, দার্জিলিং, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদা, মুর্শিদাবাদ, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূমে। আর দ্বিতীয় দফায় নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা, হুগলি এবং পূর্ব বর্ধমানে ভোট হবে।
{{/usCountry}}