...
...
Next Story

CM Suvendu Adhikari: শিক্ষাঙ্গনকে রাজনীতিমুক্ত করতে পদক্ষেপ!ভোটে লড়তে পারবেন না নতুন শিক্ষকরা, বিরাট ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

Teachers Direct Politics Ban: ক্যাবিনেট বৈঠকের পর নবান্নে সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন, রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়ন এবং শিক্ষকদের সম্পূর্ণভাবে পঠনপাঠন ও ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যতের প্রতি মনোনিবেশ করাতে এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত জরুরি ছিল।

Updated on: Oct 28, 2026, 19:04:52 IST
Advertisement

Teachers Direct Politics Ban: রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থা ও শিক্ষক সমাজকে সরাসরি দলীয় রাজনীতির ঊর্ধ্বে রাখতে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য ক্যাবিনেট। বুধবার এক মন্ত্রিসভার বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বড় ঘোষণা করে জানিয়েছেন, এখন থেকে রাজ্যে যে সমস্ত শিক্ষককে নতুন নিয়োগ করা হবে, তাঁরা আর অন্য রাজ্যের মতো প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে অংশ নিতে পারবেন না। অর্থাৎ ভবিষ্যতে নিয়োগপ্রাপ্ত কোনও শিক্ষকই পঞ্চায়েত, পুরসভা বা বিধানসভা-সহ কোনও নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে ভোটে লড়তে পারবেন না। স্কুল সার্ভিস কমিশনের (SSC) নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ার নিয়মাবলীর মধ্যে ইতিমধ্যেই এই কড়া শর্ত অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (PTI)
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (PTI)

এতদিন ধরে পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে এমন নিয়ম ছিল না। শিক্ষক হিসেবে কর্তব্যরত কেউ চাইলেই সক্রিয় রাজনীতি করতে পারতেন। তাঁরা কোনও নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে দাঁড়াতে পারতেন। এই বছরেই হওয়া বিধানসভা নির্বাচনেও এমন বেশ কয়েকজন শিক্ষক প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িয়েছিলেন। তবে রাজ্য ক্যাবিনেটে নতুন যে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে, তাতে এখন থেকে যাঁরা নিয়োগ হবেন তাঁরা আর প্রত্যক্ষ ভাবে সক্রিয় রাজনীতি বা ভোট-রাজনীতি করতে পারবেন না। দীর্ঘদিন ধরেই রাজ্যের শিক্ষাঙ্গন ও শিক্ষক রাজনীতি নিয়ে নানা মহলে বিতর্ক ও সমালোচনা চলে আসছিল। শিক্ষকরা সরাসরি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত থাকায় পঠনপাঠন ব্যাহত হয় এবং প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি হয় বলে অভিযোগ উঠত। এই পরিস্থিতিতে অন্য রাজ্যের আদলে বড়সড় সংস্কার আনল রাজ্য সরকার। ক্যাবিনেট বৈঠকের পর নবান্নে সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন, রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়ন এবং শিক্ষকদের সম্পূর্ণভাবে পঠনপাঠন ও ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যতের প্রতি মনোনিবেশ করাতে এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত জরুরি ছিল।

কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?

নতুন এই নির্দেশিকা অনুযায়ী, শিক্ষক নিয়োগের নিয়মাবলীতে এমন কঠোর শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে, যার ফলে তাঁরা আর কোনওভাবেই সরাসরি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বা কোনও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন না। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, এই সিদ্ধান্ত রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থাকে রাজনীতিমুক্ত করার পথে একটি অত্যন্ত দূরদর্শী ও বড় পদক্ষেপ।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks