টানা বৃষ্টির জেরে ফের বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে শিলিগুড়ি-সিকিমের অন্যতম লাইফলাইন ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক (এনএইচ-১০)। পাহাড়ি এলাকায় একাধিক জায়গায় ভূমিধস এবং পাহাড় থেকে আলগা পাথর গড়িয়ে পড়ার ঘটনায় নিরাপত্তার স্বার্থে বৃহস্পতিবার ভোর থেকে সাময়িকভাবে যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। এর ফলে শিলিগুড়ি ও সিকিমের মধ্যে সড়ক যোগাযোগে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে।

জাতীয় সড়কের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা ন্যাশনাল হাইওয়েজ অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন লিমিটেড (NHIDCL) জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার ভোর ৫টা থেকে সকাল ১১টা পর্যন্ত জাতীয় সড়কে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে পাহাড়ের গায়ে ঝুলে থাকা ধসের ধ্বংসাবশেষ, আলগা পাথর এবং মাটি সরিয়ে রাস্তা নিরাপদ করার কাজ চলছে। পাশাপাশি রাস্তা চওড়া করা এবং প্রয়োজনীয় নির্মাণকাজও চলছে যুদ্ধকালীন তৎপরতায়।
বিশেষ করে সেভক কালীবাড়ি সংলগ্ন এলাকায় পরিস্থিতি সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠায় ওই অংশে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ন্যাশনাল হাইওয়েজ অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন লিমিটেড। সংস্থার তরফে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এই ছয় ঘণ্টার জন্য জরুরি পরিষেবার যানবাহন ছাড়া অন্য কোনও ছোট বা বড় গাড়িকে জাতীয় সড়ক ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। নির্মাণ সামগ্রী পরিবহণ এবং রাস্তা সংস্কারের কাজ নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
এই সময় বিকল্প রাস্তা হিসেবে গজলডোবা–ওদলাবাড়ি–গরুবাথান রুট ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সমস্ত ছোট ও বড় যানবাহনকে ওই পথেই চলাচল করতে বলা হয়েছে। যদিও বিকল্প রাস্তায় অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। প্রসঙ্গত, বর্ষা শুরু হওয়ার পর থেকেই উত্তরবঙ্গ ও সিকিমে লাগাতার বৃষ্টির জেরে বারবার ধস নামছে পাহাড়ি এলাকায়। ফলে এনএইচ-১০-এ যান চলাচল একাধিকবার ব্যাহত হয়েছে। এই জাতীয় সড়কই সিকিমের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের প্রধান যোগাযোগের মাধ্যম হওয়ায় রাস্তা বন্ধ হলেই পর্যটক, স্থানীয় বাসিন্দা এবং পণ্য পরিবহণ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রশাসনের আশা, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ধস সরানোর কাজ শেষ হলে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে আবার যান চলাচল শুরু করা হবে। তবে আবহাওয়া অনুকূলে না থাকলে ভবিষ্যতেও প্রয়োজন অনুযায়ী যান চলাচলে বিধিনিষেধ জারি করা হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
{{/usCountry}}এই সময় বিকল্প রাস্তা হিসেবে গজলডোবা–ওদলাবাড়ি–গরুবাথান রুট ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সমস্ত ছোট ও বড় যানবাহনকে ওই পথেই চলাচল করতে বলা হয়েছে। যদিও বিকল্প রাস্তায় অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। প্রসঙ্গত, বর্ষা শুরু হওয়ার পর থেকেই উত্তরবঙ্গ ও সিকিমে লাগাতার বৃষ্টির জেরে বারবার ধস নামছে পাহাড়ি এলাকায়। ফলে এনএইচ-১০-এ যান চলাচল একাধিকবার ব্যাহত হয়েছে। এই জাতীয় সড়কই সিকিমের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের প্রধান যোগাযোগের মাধ্যম হওয়ায় রাস্তা বন্ধ হলেই পর্যটক, স্থানীয় বাসিন্দা এবং পণ্য পরিবহণ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রশাসনের আশা, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ধস সরানোর কাজ শেষ হলে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে আবার যান চলাচল শুরু করা হবে। তবে আবহাওয়া অনুকূলে না থাকলে ভবিষ্যতেও প্রয়োজন অনুযায়ী যান চলাচলে বিধিনিষেধ জারি করা হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
{{/usCountry}}