নির্বাচনী জনসভা করতে ২৩ এপ্রিল কলকাতায় আসার কথা ছিল কংগ্রেস সাংসদ তথা সংসদের বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর। তবে সেই সভা বাতিল হয়েছে। জানা গিয়েছে, স্থানীয় প্রশাসনের অনুমতি না মেলায় রাহুল গান্ধীর সভা পিছিয়ে দিতে হয়েছে কংগ্রেসকে। এই আবহে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছে কংগ্রেস। হাত শিবিরের অভিযোগ, তৃণমূল সরকারের কথামতো স্থানীয় প্রশাসন সভার অনুমতি দিতে টালবাহানা করেছে। এই আবহে কংগ্রেস আগামী ২৫ বা ২৬ তারিখে রাহুলের সভা অনুষ্ঠিত করার জন্য ফের অনুমতি চাইবে বলে জানা গিয়েছে।

কংগ্রেস জানিয়েছে, ২১ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত তারা রাহুল গান্ধীর সভার জন্য অপেক্ষা করেছিল। এই নিয়ে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার অভিযোগ করেন, মালদা এবং মুর্শিদাবাদে রাহুল গান্ধীর জনসভা দেখে ভয় পেয়েছে কংগ্রেস এবং বিজেপি। এদিকে রাহুলের সভা ঘিরে জটিলতা প্রসঙ্গে রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা বলেন, 'কোনও সভা করার জন্য সরকারের সুবিধা পোর্টালের মাধ্যমে আবেদন করতে হয় ২ থেকে ৭ দিন আগে। সব রাজনৈতিক দলের ক্ষেত্রেই এই নিয়ম প্রযোজ্য।' এরই সঙ্গে রাহুলের সভা ঘিরে জটিলতা প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনের ওপর দায় চাপান শশী।
রিপোর্ট অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার কলকাতার মেটিয়াবুরুজ ও পার্ক সার্কাস ময়দানে সভা করার পরিকল্পনা ছিল রাহুল গান্ধীর। কিন্তু সেখানে সভা করার অনুমতি ঘিরে জটিলতা দেখা দেয়। পরে রানি রাসমণি রোডে সভার অনুমতিও চাওয়া হয়েছিল, কিন্তু তাও মেলেনি। প্রসঙ্গত, কলকাতা পুরসভার আওতাধীন এলাকায় সভা-মিছিলের অনুমতি দেয় কেএমসি। এই আবহে তৃণমূলের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তৃণমূলের। এর আগে উত্তর দিনাজপুরে রাহুল গান্ধীর সভার আগে হেলিপ্যাড ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছিল কংগ্রেস।
উল্লেখ্য, বহু বছর পরে পশ্চিমবঙ্গে একা লড়াই করছে কংগ্রেস। এর আগে বাম জমানায় তৃণমূলের সঙ্গে জোট বেঁধে লড়েছিল হাত শিবির। আবার তৃণমূল ক্ষমতায় যাওয়ার পরে সিপিএমের সঙ্গে জোট বেঁধেছিল কংগ্রেস। তবে এবার তারা একলা লড়তে চলেছে। গত বিধানসভা ভোটে বামেদের সঙ্গে জোট বেঁধেও একটিও আসন জেতেনি কংগ্রেস। পরে উপনির্বাচনে সাগরদিঘি আসনে কংগ্রস জয়ী হয়েছিল। তবে জয়ী বিধায়ক কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান করেছিলেন। এই আবহে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় কংগ্রেসের ঝুলি শূন্যই থেকেছে। এই আবহে বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় খাতা খুলতে মরিয়া কংগ্রেস।
{{/usCountry}}উল্লেখ্য, বহু বছর পরে পশ্চিমবঙ্গে একা লড়াই করছে কংগ্রেস। এর আগে বাম জমানায় তৃণমূলের সঙ্গে জোট বেঁধে লড়েছিল হাত শিবির। আবার তৃণমূল ক্ষমতায় যাওয়ার পরে সিপিএমের সঙ্গে জোট বেঁধেছিল কংগ্রেস। তবে এবার তারা একলা লড়তে চলেছে। গত বিধানসভা ভোটে বামেদের সঙ্গে জোট বেঁধেও একটিও আসন জেতেনি কংগ্রেস। পরে উপনির্বাচনে সাগরদিঘি আসনে কংগ্রস জয়ী হয়েছিল। তবে জয়ী বিধায়ক কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান করেছিলেন। এই আবহে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় কংগ্রেসের ঝুলি শূন্যই থেকেছে। এই আবহে বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় খাতা খুলতে মরিয়া কংগ্রেস।
{{/usCountry}}