ইউনুস জমানায় বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক তলানিতে গিয়ে ঠেকেছিল। ঢাকার রাজপথে বারংবার ভারত বিরোধী স্লোগান উঠেছে। ভারত ভেঙে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে। তবে নির্বাচনের পরে তারেক রহমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হতেই সমীকরণে বদল এসেছে। ঢাকার তরফ থেকে দিল্লির প্রতি বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। এই আবহে বাংলাদেশিদের প্রতি ভারতীয়দের মনোভাবেও পরিবর্তন ঘটেছে। এর আগে উত্তরবঙ্গে বাংলাদেশিদের জন্য হোটেলের দরজা বন্ধ করা হয়েছিল। তবে সেই 'নিষেধাজ্ঞা' এবার প্রত্যাহার করা হল।
রিপোর্ট অনুযায়ী, গ্রেটার শিলিগুড়ি হোটেলিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের তরফ থেকে বাংলাদেশি পর্যটকদের জন্য হোটেলের দরজা খুলে দেওয়া হয়েছে। গত দেড় বছর ধরে রাজনৈতিক অস্থিরতা আর ভিসা জটিলতা দেখা গিয়েছিল। বাংলাদেশে ভারতীয় ভিসা সেন্টার এবং ডেপুটি হাইকমিশনগুলোয় হামলার চেষ্টা করা হয়েছিল। এর জেরে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল ভিসা পরিষেবা। পরে নির্বাচনের প্রাক্কালে বাংলাদেশও ভারতীয়দের ভিসা দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছিল। এরই মাঝে অবশ্য আপৎকালীন চিকিৎসার জন্য বাংলাদেশিদের ভিসা দেওয়া জারি রেখেছিল ভারত।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশি কট্টরপন্থী নেতা ওসমান হাদির মৃত্যুর পর থেকেই সেই দেশে চরম ভারত বিরোধিতার ঢেউ আছড়ে পড়েছে। হাদির হত্যার ঘটনায় ভারতের 'র'-এর দিকে আঙুল তুলেছেন হাদির বোন মাহফুজা। এদিকে বাংলাদেশে দাবি করা হয়, ফয়সাল করিম না আওয়ামী লীগের প্রাক্তন নেতা। এদিকে কায়সার ভারতে পালিয়ে গিয়েছে বলে দাবি করেছেন অনেকে। এই আবহে হাদির ওপর হামলার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশে ভারত বিরোধিতা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। ভারতের হাইকমিশনে হামলার চেষ্টা পর্যন্ত করে কট্টরপন্থীরা। উত্তরপূর্ব ভারতকে বিচ্ছিন্ন করার হুমকি দেন হাসনাত আবদুল্লাহর মতো 'জুলাই বিপ্লবী নেতা'।
ভারতীয় হাইকমিশনের 'এক একটা ইট খুলে' নেওয়ার হুমকি থেকে ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় বর্মাকে খুনের হুমকি পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে। এদিকে চট্টগ্রামের ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনে পাথর ছোড়ার মতো ঘটনা ঘটেছে। সেখানে পুলিশ অসহায়ের মতো দাঁড়িয়ে থেকেছে। রাজশাহী এবং খুলনাতেও ভারতীয় হাইকমিশনে হামলার চেষ্টা চালানো হয়েছে। এরই সঙ্গে ইউনুস জমানায় বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়েছিল। দুই দেশের মানুষের মধ্যেও তিক্ততা বেড়েছিল।
{{/usCountry}}ভারতীয় হাইকমিশনের 'এক একটা ইট খুলে' নেওয়ার হুমকি থেকে ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় বর্মাকে খুনের হুমকি পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে। এদিকে চট্টগ্রামের ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনে পাথর ছোড়ার মতো ঘটনা ঘটেছে। সেখানে পুলিশ অসহায়ের মতো দাঁড়িয়ে থেকেছে। রাজশাহী এবং খুলনাতেও ভারতীয় হাইকমিশনে হামলার চেষ্টা চালানো হয়েছে। এরই সঙ্গে ইউনুস জমানায় বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়েছিল। দুই দেশের মানুষের মধ্যেও তিক্ততা বেড়েছিল।
{{/usCountry}}