উত্তর দমদমে ত্রাণসামগ্রী মজুত থাকার অভিযোগকে কেন্দ্র করে শুক্রবার ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। পুরপ্রধানের একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে ত্রাণসামগ্রী উদ্ধারের ঘটনাকে ঘিরে বিক্ষোভ, ভাঙচুর ও মারধরের একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। ঘটনায় আক্রান্ত হয়েছেন এক কাউন্সিলার, তাঁর পরিবারের সদস্য এবং পুরপ্রধানের ঘনিষ্ঠ এক তৃণমূল কর্মী। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীকে হস্তক্ষেপ করতে হয়। মারধর খাওয়া কাউন্সিলরের নাম শঙ্কর দাস। ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের এই কাউন্সিলারের বাড়িতে ঢুকে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। ছিঁড়ে ফেলা হয় শঙ্করের পোশাক। তাঁকে হাতজোড় করে ক্ষমাপ্রার্থনা করতে দেখা যায়।

অভিযোগ, উত্তর দমদমের পুরপ্রধান বিধান বিশ্বাসের ‘আল্পনা ফিশারি’ নামে মাঝেরহাটি এলাকার একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে বিপুল পরিমাণ ত্রাণসামগ্রী মজুত ছিল। পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি ওই সামগ্রী পুরসভায় স্থানান্তরের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল এবং সেই অনুযায়ী স্থানান্তরের কাজও শুরু হয়। এর মধ্যেই খবর ছড়িয়ে পড়ে যে ত্রাণসামগ্রী অন্যত্র সরিয়ে ফেলা হচ্ছে। এরপরই স্থানীয়দের একাংশ ওই প্রতিষ্ঠানের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন।
অভিযোগ, বিক্ষোভের এক পর্যায়ে কয়েকজন জোর করে অফিসে ঢুকে পড়েন। সেখানে ত্রাণসামগ্রীর পাশাপাশি অন্যান্য কিছু সামগ্রীও পাওয়া গেছে বলে দাবি করা হয়। এরপর অফিসে ভাঙচুর চালানো হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে নিমতা থানার পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে।
এরপর উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের এলাকায়। পুরপ্রধানের ঘনিষ্ঠ তৃণমূল কর্মী বাপ্পা সাহা এবং কাউন্সিলার শঙ্কর দাসের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ অনুযায়ী, বাড়িতে ঢুকে আসবাবপত্র, টেলিভিশন-সহ বিভিন্ন সামগ্রী নষ্ট করা হয়। বাপ্পা সাহা এবং শঙ্কর দাসকে মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ। তাঁদের পরিবারের সদস্যদেরও হেনস্তার শিকার হতে হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
অন্যদিকে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাট পশ্চিমেও সরকারি ত্রাণসামগ্রী পাচারের অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রাক্তন বিধায়ক ও প্রাক্তন মন্ত্রী গিয়াসউদ্দিন মোল্লার বাড়ির সামনে একটি ত্রাণবোঝাই গাড়ি আটক করে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দারা। অভিযোগ, সরকারি ত্রাণসামগ্রী অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হচ্ছিল। পুলিশ গাড়িটি আটক করে এবং উদ্ধার হওয়া সামগ্রী বিডিও অফিসে পাঠানো হয়। যদিও গিয়াসউদ্দিন মোল্লা এই বিষয়ে কিছু জানেন না বলে দাবি করেছেন। এদিকে হামলার ঘটনায় অভিযোগের তির বিজেপির দিকে গেলেও দল সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। বিজেপির দাবি, ঘটনাগুলি জনরোষের ফল। পুলিশ ইতিমধ্যেই এক বিজেপি কর্মীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। ঘটনার জেরে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে।
{{/usCountry}}অন্যদিকে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাট পশ্চিমেও সরকারি ত্রাণসামগ্রী পাচারের অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রাক্তন বিধায়ক ও প্রাক্তন মন্ত্রী গিয়াসউদ্দিন মোল্লার বাড়ির সামনে একটি ত্রাণবোঝাই গাড়ি আটক করে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দারা। অভিযোগ, সরকারি ত্রাণসামগ্রী অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হচ্ছিল। পুলিশ গাড়িটি আটক করে এবং উদ্ধার হওয়া সামগ্রী বিডিও অফিসে পাঠানো হয়। যদিও গিয়াসউদ্দিন মোল্লা এই বিষয়ে কিছু জানেন না বলে দাবি করেছেন। এদিকে হামলার ঘটনায় অভিযোগের তির বিজেপির দিকে গেলেও দল সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। বিজেপির দাবি, ঘটনাগুলি জনরোষের ফল। পুলিশ ইতিমধ্যেই এক বিজেপি কর্মীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। ঘটনার জেরে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে।
{{/usCountry}}