NRS Hospital Nurse Death Probe: মার্চেই বিয়ে, দেহের পাশে ৩ ভায়াল অচৈতন্য করার ওষুধ- এনআরএসে নার্স মৃত্যুতে রহস্য
NRS Hospital Nurse Death Probe: কলকাতার নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালে (এনআরএস) নার্সের রহস্যমৃত্যু। মৃতদেহের পাশ থেকে তিন ভায়াল অচৈতন্য করার ওষুধ উদ্ধার করা হয়েছে। মার্চেই তাঁর বিয়ে হয়েছিল।
NRS Hospital Nurse Death Probe: কলকাতার এনআরএস হাসপাতালে নার্সের মৃত্যু নিয়ে ঘনাচ্ছে রহস্য। বুধবার রাতে সরকারি হাসপাতালের হাই-ডিপেনডেন্সি ইউনিটে কাজে যোগ দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরেই তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। সূত্রের খবর, দেহের পাশ থেকেই অচৈতন্য করার ওষুধের তিনটি ভায়াল পাওয়া উদ্ধার করা হয়েছে। ওই ওষুধই যুবতীর শরীরে ইনজেক্ট করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে। তবে কীভাবে সেখানে অচৈতন্য করার ওষুধের ভায়াল এল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে কলকাতা পুলিশের হোমিসাইড শাখা।

বুধবার রাতে কী হয়েছিল ঠিক?
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, বুধবার রাত আটটা নাগাদ ডিউটিতে আসেন ওই নার্স। তারপর রাত সাড়ে ১০ টার দিকে স্ত্রীরোগ বিভাগের ভবনে অবস্থিত অ্যান্টিনেটাল ওয়ার্ডের কর্মীদের জন্য নির্ধারিত শৌচাগারে যান। নাম গোপন রাখার শর্তে এক পুলিশ আধিকারিক বলেছেন যে ‘বেশ কিছুক্ষণ পরেও তিনি না আসায় সহকর্মীরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। সেইসময় দেখেন যে বাথরুমের দরজা ভিতর থেকে বন্ধ আছে। বারবার কড়া নাড়ার পরও কোনও সাড়া না মেলায় দু'জন দরজা ভেঙে ভিতরে ঢোকেন এবং তাঁকে মেঝেতে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন।’
ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে কোনও ওষুধ প্রয়োগ?
ওই পুলিশ অফিসার জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে ওই নার্সের দেহে কোনও আঘাতের চিহ্ন মেলেনি। উদ্ধার করা হয়নি কোনও সুইসাইড নোটও। তাঁর কথায়, ‘আমাদের ধারণা, ইনজেকশনের মাধ্যমে প্রয়োগ করা কোনও অ্যানেস্থেটিক ওষুধের মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে ওই নার্সের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তবে আমাদের গোয়েন্দারা সম্ভাব্য সবদিক খতিয়ে দেখছেন।’ আরও পড়ুন:
মার্চেই বিয়ে, NRS-তে ময়নাতদন্ত চান না স্বামী
তারইমধ্যে হাসপাতালে এসেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশেই হাসপাতালে এসে পুরো পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছেন। কথা বলেছেন কর্তব্যরত নার্সদের সঙ্গেও। তাঁরা জানিয়েছেন, মার্চেই বিয়ে হয়েছিল নার্সের। আদতে পূর্ব মেদিনীপুরের দমদম ক্যান্টনমেন্টে বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকতেন স্বামীর সঙ্গে।
ইতিমধ্যে ঘটনাস্থলে এসেছেন মৃত নার্সের স্বামীও। এনআরএস হাসপাতালের পরিবর্তে অন্যত্র যাতে ময়নাতদন্ত করা হয়, সেই দাবি তুলেছেন তিনি। কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ) কুণাল আগরওয়াল জানিয়েছেন, পরিবারের তরফে যেখানে চাওয়া হবে, সেখানেই তদন্ত করা হবে। আপাতত একটি স্ট্রেচার বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সিল করে দেওয়া হয়েছে তিনটি জায়গা। খতিয়ে দেখা হচ্ছে সিসিটিভি ফুটেজ।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


