...
...
Next Story

৭ বছর আগে খুন হয়েছিলেন পুরুলিয়ার TMC নেতা, আবারও খুলছে সেই পুরনো মামলা

পুলিশ সুপার অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, আদ্রা রেলশহর জুড়ে গত দেড় দশকে যেসব খুনের কিনারা হয়নি সেগুলোর সবকটিতেই নতুন সূত্র মিলেছে। হামিদ খুনেও বড় অগ্রগতি হয়েছে। শুধু তাই নয়, আরও চারটি খুনের মামলার রি-ওপেনের প্রস্তুতি চলছে।

Published on: Nov 17, 2025, 10:59:47 IST
Advertisement

ফুটবল মাঠের তারকা থেকে রাজনীতির ময়দানে উত্থান। এভাবেই দ্রুত জনপ্রিয়তা বাড়িয়েছিলেন পুরুলিয়ার কাশিপুর ব্লকের যুব তৃণমূল সভাপতি হামিদ আনসারি। দলীয় দায়িত্বের পাশাপাশি আদ্রা রেলশহরের সঙ্গে তৈরি করেছিলেন শক্তিশালী যোগাযোগ। অভিযোগ, ঠিক সেই প্রভাব বিস্তার করতেই তিনি রেলশহরের সিন্ডিকেট রেলই হোক বা কয়লা নিজের নিয়ন্ত্রণে আনতে চাইছিলেন। এতেই তাঁর পথে কাঁটা হয়ে দাঁড়ান পূর্ব ভারতের কুখ্যাত গোষ্ঠী, যাদের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে ঝাড়খণ্ডের প্রসিদ্ধ সিং ম্যানশনের। অভিযোগ, তাদের নির্দেশেই খুন হয়েছিলেন হামিদ। ২০১৮ সালে আদ্রায় মর্মান্তিক খুনের ঘটনায় তোলপাড় হয়েছিল জেলা। কিন্তু প্রমাণের অভাবে তখন ‘ফাইনাল রিপোর্ট ট্রু’ ঘোষণা করে কেসটি বন্ধ করে দেয় পুলিশ। সাত বছর পর ধরা পড়েছে মূল সন্দেহভাজন, আর তার সূত্রেই পুরুলিয়া জেলা পুলিশ ফের খুলেছে সেই পুরনো কেস।

৭ বছর আগে খুন হয়েছিলেন পুরুলিয়ার TMC নেতা, আবারও খুলছে সেই পুরনো মামলা
৭ বছর আগে খুন হয়েছিলেন পুরুলিয়ার TMC নেতা, আবারও খুলছে সেই পুরনো মামলা

আরও পড়ুন: বন্ধুর জন্মদিনে গিয়ে নিখোঁজ, ডাম্পিং গ্রাউন্ডে মিলল তরুণের রক্তাক্ত দেহ

অভিযোগ, রেল সিন্ডিকেটের অঘোষিত ‘ডন’ হিসেবে পরিচিত পিন্টু ঘোষ ওরফে দীপঙ্কর ঘোষ ওরফে ঘোষ দাই এই খুনের চক্রী। আদ্রা শহর তৃণমূল সভাপতি ধনঞ্জয় চৌবে খুন মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর পিন্টু ও তাঁর সহযোগী জুগনু সিং-কে জেরা করতেই উঠে এসেছে হামিদ আনসারি-সহ মোট আটটি হত্যাকাণ্ডের দিকনির্দেশ। ২০০৪ সালের ২৬ জুন থেকে ২০১৮ সালের ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত রেলশহর আদ্রায় সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণের লড়াইয়ে পরপর খুন হয়েছিলেন এলাকার একাধিক জন। নিহতদের তালিকায় রয়েছে আশিষ রায়, আসলাম খান, মহম্মদ ইকবাল, হেমসাগর নায়েক, লক্ষ্মণ প্রসাদ, শ্যামসুন্দর ধর্মশিখা, পিন্টু বর্মা এবং সর্বশেষ হামিদ আনসারি। লক্ষ্মণ প্রসাদ ছাড়া বাকিদের খুনের মামলাগুলির সবকটিই একসময় এফআরটি হয়ে গিয়েছিল। পুলিশি তদন্তে জানা গেছে, এই প্রায় সবক’টি খুনেই সরাসরি বা পরোক্ষে যুক্ত ছিলেন পিন্টু ঘোষ। তাঁর ডানহাত জুগনু সিং যুক্ত ছিলেন লক্ষ্মণ প্রসাদ ও হামিদ খুনে।

পুলিশ সুপার অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, আদ্রা রেলশহর জুড়ে গত দেড় দশকে যেসব খুনের কিনারা হয়নি সেগুলোর সবকটিতেই নতুন সূত্র মিলেছে। হামিদ খুনেও বড় অগ্রগতি হয়েছে। শুধু তাই নয়, আরও চারটি খুনের মামলার রি-ওপেনের প্রস্তুতি চলছে। পাশাপাশি ২০১৫ সালের ডিসেম্বর মাসে আদ্রার রেলের সিনিয়র ডিএমএফএস অনুপ সরকারকে হুমকি দেওয়ার মামলাটিও ফের খোলা হবে।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe