বিরোধী দলনেতা মামলায় বড়সড় ধাক্কা খেল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির। এদিন হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানিতে কোর্টের বার্তা অনুযায়ী, বিধানসভার স্পিকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আপাতত বিরোধী দলনেতার আসনে বহাল থাকবেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ই। এদিকে, ২ মাসের মধ্যে হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চকে মূল মামলার নিষ্পত্তি করতে হবে, বলেও এদিন ডিভিশন বেঞ্চের তরফে বলা হয়েছে। ফলত, আপাতত ২ মাসের জন্য রাজ্যের বিরোধী দলনেতা হিসাবে থাকছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ই।

উল্লেখ্য, এদিন কোর্টের দেওয়া বার্তা অনুযায়ী, সিঙ্গল বেঞ্চে এই মামলার নিষ্পত্তি হলে, তবেই ঠিক হবে স্থায়ীভাবে রাজ্যের বিধানসভার বিরোধী দলনেতা কে হবেন। এদিন নির্দেশ দেওয়ার সময়, স্পিকারের সিদ্ধান্ত যে ‘অস্থায়ী’ তাও উল্লেখ করা হয়েছে আদালতের তরফে। এর আগে, বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসু সংখ্যাধিক্যের ভিত্তিতে ঋতব্রতর নামে সিলমোহর দিতেই ঘটনার জল গড়ায় আদালতে। স্পিকারের সিদ্ধান্তের পরই কালীঘাট তৃণমূলের তরফে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় দ্বারস্থ হন আদালতের। সেই মামলাই মঙ্গলবার ওঠে চারপতি শম্পা সরকার ও অজয়কুমার গুপ্তার এজলাসে। এর আগে, হাইকোর্টে মামলার শুনানি চলাকালীন ঋতব্রত শিবির ও স্পিকারকে বেশকিছু প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়। মঙ্গলবারের শুনানির সময়, আদালত সাফ জানায়, এই মামলায় তারা হস্তক্ষেপ করবেনা। মামলা যায় সিঙ্গল বেঞ্চের কাছে।
এদিন আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, আগামী ২ মাসের মধ্যেই এই মামলার নিষ্পত্তি করতে হবে। যার জেরে আপাতত ২ মাসের জন্য ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ই রাজ্যের বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার ভূমিকায় থাকবেন। এর আগে, এই মামলা নিয়ে বহু প্রশ্ন ওঠে। কেন তৃণমূলের বহিষ্কৃত হওয়া সত্ত্বেও ঋতব্রতদের গুরুত্ব দেওয়া হল? এমন বহু প্রশ্ন ছিল। তবে আপাতত কোর্ট জানিয়েছে, এই মামলা যাচ্ছে, হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চে। সেখানেই মামলার নিষ্পত্তি হবে।