রাজ্যে শিয়রে ভোট। তার আগে শুক্রবার রয়েছে বকেয়া ডিএর দাবিতে জোরদার ধর্মঘাটের ডাক। ডিএ-র ২৫ শতাংশ টাকা এখনও পাননি রাজ্য সরকারি কর্মীরা, আর তার বিরুদ্ধেই সরব হতে প্রতিবাদে পথে নামছেন রাজ্য সরকারী কর্মীরা। এরই মাঝে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের জেরে বিশ্ব জুড়ে জ্বালানি পরিস্থিতি ঘিরে উদ্বেগ। এদিকে, দেশে এলপিজি ঘিরে সংকটের মাঝে নবান্নের তরফে এদিন জারি করা হয়েছে হেল্পলাইন। এছাড়াও দশ দফা এসওপি জারি করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসন।

এলপিজি ঘিরে নবান্নের তরফে কোন নির্দেশিকা ঃ-
নবান্নের তরফে যে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে এলপিজি নিয়ে, সেখানে বলা হয়েছে, এলপিজি সরবরাহের ক্ষেত্রে গৃহস্থের রান্নাঘর, মিড ডে মিল, হাসপাতালে পরিষেবাকে আগ্রধিকার দেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই একটি নজরদারি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তাতে ১২ জন সদস্যের থাকার কথা জানানো হয়েছে। এছাড়াও বুধবার গ্যাস ডিলারদের সঙ্গে বিশেষ বৈঠকে বসেছিলেন মমতা। সেখানেও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী দেন বড় বার্তা। অন্যদিকে, হোটেল রেস্তোরাঁর এলপিজিতে রাশ টানা হয়েছে। ফলত, ধুঁকতে শুরু করেছে রেস্তোরাঁর ব্যবসা। এছাড়াও নবান্ন বলছে, কেউ যদি এলপিজি সংকটের জেরে সমস্যায় পড়েন, তাঁদের জন্যও একটি হেল্পলাইন চালু করা হয়েছে। ১০৭০ হল হেল্পলাইন নম্বর। ল্যান্ডলাইনে কিছু জানাতে হলে, নম্বর- ০৩৩-২২১৪ ৩৫২৬, মোবাইলে কিছু জানাতে হলে নম্বর- ৮৬৯৭৯৮১০৭০। এছাড়াও পুলিশের তরফে ০৩৩-৪৯৫০৬১০১, ০৩৩-৩৫০২৬২১৪, ০৩৩-২৪৮৭৪৪০০ এই নম্বরগুলি চালু করা হয়েছে।
ডিএ ধর্মঘট নিয়ে কর্মীদের প্রতি কোন নির্দেশ রাজ্যের?
{{/usCountry}}ডিএ ধর্মঘট নিয়ে কর্মীদের প্রতি কোন নির্দেশ রাজ্যের?
{{/usCountry}}রাত পোহালেই ডিএ ইস্যুতে প্রতিবাদের সুর চড়া করে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। এদিকে, নবান্ন জানিয়েছে ওইদিন খোলা থাকবে রাজ্য সরকারের প্রত্যেকটি দফতর। কোনও সরকারি কর্মী ওই দিন অনুপস্থিত থাকলে বেতন কাটা যাবে বলেও জানিয়েছে প্রশাসন। প্রশাসনের তরফে বলা হয়েছে, কোনও কর্মীকে সাধারণ ছুটি দেওয়া হবে না ওই ধর্মঘটের দিন। যিনি অনুপস্থিত থাকবেন তাঁকে ‘ডাইস নন’ হিসাবে গণ্য করা হবে। যার অর্থ বেতন কাটা যেতে পারে। তবে এক্ষেত্রে কিছু ক্ষেত্রে কর্মীদের জন্য রয়েছে ছাড়। রাজ্য সরকারি বিজ্ঞপ্তি বলছে, কর্মীর গুরুতর অসুস্থতার ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হবে। নিজে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কিংবা পরিবারের কেউ গুরুতর অসুস্থ, পরিবারে কারও মৃত্যু হলে, মাতৃত্বকালীন ছুটি বা আগে থেকে নেওয়া ছুটির ক্ষেত্রে ধর্মঘটের দিনের ছুটিতে ছাড় দেওয়া হবে। যদি কোনও কর্মী অনুমতি ছাড়াই ছুটি নেন, তাহলে তাঁকে শোকজ নোটিস পাঠানো হবে। জবাব সন্তোষজনক না হলে, ছুটি তো মঞ্জুর হবেই না। বেতনও কাটা যেতে পারে।