...
...
Next Story

Babui grass price hikes: রাতারাতি চার গুণ বেড়েছে দাম! ভিনরাজ্যে 'হটকেক' বাংলার বাবুই ঘাস, ভাগ্য বদল ঝাড়গ্রামের কৃষকদের

Babui grass price hikes: অন্যান্য বছর ভাদ্র-আশ্বিন মাসে বাবুই ঘাসের দাম ঘোরাফেরা করত মেরেকেটে ১০ থেকে ১২ টাকায়। খরচ আর হাড়ভাঙা খাটুনির পর হাতে কার্যত কিছুই থাকত না প্রান্তিক পরিবারগুলির।

Published on: Oct 3, 2026, 13:00:03 IST
Advertisement

Babui grass price hikes: পুজোর মরশুমে একেবারে সোনায় সোহাগা। পাহাড়ঘেরা জঙ্গলের রুক্ষ জমিই যেন এবার জঙ্গলমহলের কৃষকদের কাছে সোনার খনি। শারদোৎসবের ঠিক মুখে জঙ্গলমহলের কৃষকদের মুখে হাসি ফুটিয়েছে বাবুই ঘাস। রুক্ষ জমিতে ফলানো বাবুই ঘাসই এখন ভিনরাজ্যে ‘হটকেক।’ যার জেরে এবার পুজোয় ভাগ্য বদল ঝাড়গ্রামের কৃষকদের।

ভিনরাজ্যে 'হটকেক' বাংলার বাবুই ঘাস, ভাগ্য বদল ঝাড়গ্রামের কৃষকদের (সৌজন্যে ফেসবুক )
ভিনরাজ্যে 'হটকেক' বাংলার বাবুই ঘাস, ভাগ্য বদল ঝাড়গ্রামের কৃষকদের (সৌজন্যে ফেসবুক )

ঝাড়গ্রামের বেলপাহাড়ির আমলাশোল, কাঁকড়াঝোড়, ভুলাভেদা ও বাঁশপাহাড়ি এলাকায় এবার বাবুই ঘাসের চাহিদা এক ধাক্কায় বেড়েছে। ওড়িশা ও ঝাড়খণ্ডের পাইকাররা গ্রামে গ্রামে পৌঁছে ঘাস কিনছেন। অন্যান্য বছর ভাদ্র-আশ্বিন মাসে বাবুই ঘাসের দাম ঘোরাফেরা করত মেরেকেটে ১০ থেকে ১২ টাকায়। খরচ আর হাড়ভাঙা খাটুনির পর হাতে কার্যত কিছুই থাকত না প্রান্তিক পরিবারগুলির। কিন্তু চলতি মরশুমে ছবিটা একেবারে ১৮০ ডিগ্রি বদলে গিয়েছে। এক ধাক্কায় দাম পৌঁছেছে ৩০ থেকে ৪০ টাকায়। অর্থাৎ প্রায় তিন থেকে চার গুণ বেশি মুনাফা পাচ্ছেন কৃষকরা। নায্য দাম পেয়ে কার্যত তাজ্জব তাঁরা। কিন্তু কেন মূল্যবৃদ্ধি। জানা গিয়েছে, এবার ভিনরাজ্যে হু হু করে চাহিদা বাড়ছে বাংলার বাবুই ঘাসের। ওড়িশা থেকে ঝাড়খণ্ডের পাইকারি ব্যবসায়ীদের ভিড় লেগেই রয়েছে ঝাড়গ্রামে। তার ফলে এতদিন জলের দরে বিকোতো যে ঘাস, তার দাম বেড়েছে।

বর্তমানে বেলপাহাড়ির প্রত্যন্ত এলাকাগুলিতে দিনরাত এক করে চলছে কাজ। চাষিরা জানাচ্ছেন, এটাই ঘাস কাটার মোক্ষম সময়। ভাদ্র-আশ্বিনের এই নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে গেলে ঘাস শুকিয়ে নষ্ট হয়ে যায়, তখন আর ঘরে তোলা যায় না। ফলে ঘাসের ডাহিতে এখন কাস্তে হাতে পুরুষ-মহিলা সবারই দম ফেলার ফুরসৎ নেই। নির্দিষ্ট মরশুমে ঘাস কাটার কাজ শেষ করতে এখন ব্যস্ত চাষিরা। পুজোর মরশুমে প্রতিমা নির্মাণ থেকে শুরু করে থিম মণ্ডপের সাজসজ্জা, রকমারি হস্তশিল্প আর মজবুত দড়ি তৈরির জন্য বাবুই ঘাসের বিকল্প নেই। তাই তার চাহিদা রয়েছে। সেই কারণেই বাংলা ছাড়িয়ে ওড়িশা ও ঝাড়খণ্ডের পাইকাররা সরাসরি পৌঁছে যাচ্ছেন বেলপাহাড়ির জঙ্গলে। কাড়াকাড়ি পড়ে গিয়েছে বাবুই কেনার। দীর্ঘদিন ধরে রুক্ষ লালমাটির জমিতে পরিশ্রম করা কৃষকদের কাছে বাবুই ঘাসের এই বাড়তি দাম উৎসবের মরশুমে কার্যত বাড়তি আয়ের সুযোগ এনে দিয়েছে। এবার পুজোটা একটু অন্যরকম কাটবে, একথা ভেবেই খুশি তাঁরা। জঙ্গলমহলে এবার উৎসবের আনন্দ সত্যিই দ্বিগুণ।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks