পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার সঙ্গে সরকারি প্রকল্পের সুবিধা যুক্ত করার অভিযোগ তুলে রাজ্য সরকারের তীব্র সমালোচনা করলেন এআইএমআইএম প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়াইসি। তাঁর দাবি, বিশেষ সংশোধন প্রক্রিয়া (এসআইআর)-এর সময় যাঁদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে বা ‘অনুপস্থিত’ ও ‘স্থানান্তরিত’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, তাঁদের অনেককেই রেশন এবং অন্যান্য সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে।

এই আবহে এক বার্তায় ওয়াইসি প্রশ্ন তোলেন, যদি আধার-ভিত্তিক যাচাই প্রক্রিয়া চালু থাকে, তাহলে রেশন বা কল্যাণমূলক প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে ভোটার তালিকাকে কেন প্রধান মানদণ্ড হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। তাঁর মতে, সরকারি প্রকল্প কোনও রাজনৈতিক পুরস্কার নয়, বরং যোগ্য নাগরিকদের অধিকার। তাঁর অভিযোগ, এতে দরিদ্র, মহিলা, তফসিলি জাতি ও সংখ্যালঘুরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন।
রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে কটাক্ষ করে ওয়াইসি বলেন, সরকার এমন আচরণ করছে যেন এই প্রকল্পগুলি 'প্রিন্স শুভেন্দুর ব্যক্তিগত দান'। অথচ প্রকল্পগুলির অর্থ আসে সাধারণ মানুষের করের টাকা থেকে। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে এই ধরনের নীতির ফলে দরিদ্র মানুষ, মহিলা, তফসিলি সম্প্রদায় এবং সংখ্যালঘুরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন। ওয়াইসির অভিযোগের জবাবে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফে তাৎক্ষণিক কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি। তবে বিষয়টি ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।
ওয়াইসির দাবি, এই এসআইআর প্রক্রিয়ার কারণে বৃহৎ সংখ্যক নাগরিক ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন। এদের তিনি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে একটি 'গভীর ষড়যন্ত্র' বলে আখ্যা দিয়েছেন। এদিকে অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্তকরণ, আটক এবং নির্বাসনের জন্য একটি স্থায়ী ব্যবস্থা তৈরির উদ্দেশ্যে একটি নতুন কমিটি গঠনের সরকারের সিদ্ধান্ত নিয়ে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর মতে, ভোটের অধিকার হলো ক্ষমতাবানদের বিরুদ্ধে দরিদ্রদের একমাত্র হাতিয়ার, যা কেড়ে নেওয়া হলে নাগরিকরা অধিকার বঞ্চিত হবেন।
{{/usCountry}}ওয়াইসির দাবি, এই এসআইআর প্রক্রিয়ার কারণে বৃহৎ সংখ্যক নাগরিক ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন। এদের তিনি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে একটি 'গভীর ষড়যন্ত্র' বলে আখ্যা দিয়েছেন। এদিকে অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্তকরণ, আটক এবং নির্বাসনের জন্য একটি স্থায়ী ব্যবস্থা তৈরির উদ্দেশ্যে একটি নতুন কমিটি গঠনের সরকারের সিদ্ধান্ত নিয়ে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর মতে, ভোটের অধিকার হলো ক্ষমতাবানদের বিরুদ্ধে দরিদ্রদের একমাত্র হাতিয়ার, যা কেড়ে নেওয়া হলে নাগরিকরা অধিকার বঞ্চিত হবেন।
{{/usCountry}}